Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

নাসিক নির্বাচনের কর্মকাণ্ডে দলবাজ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে - রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, ৩:১৩ পিএম

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের কর্মকাণ্ডে ‘দলবাজ’ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন।
তিনি
বলেন, নির্বাচনের আর মাত্র তিনদিন বাকী।নির্বাচন কমিশন নির্ভয়ে ভোট দেয়ার

নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ভয়ভীতিমিুক্ত পরিবেশের পরিবর্তে প্রশাসনের

দলবাজ কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে নির্বাচনী কাজে। ভোট নেয়ার জন্য নিয়োগ করা

হচ্ছে সরকার দলীয় ক্যাডারদের। আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে, ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডারদের প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কেবল তাই নয়, নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে একসময়ের ছাত্রলীগ করা কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভয়ভীতি মুক্ত পরিবেশ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিও কথা পূনর্ব্যক্ত করেন রিজভী। নয়া
পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে রুহল কবির রিজভী বলেন, সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শনের খবর পাওয়া যাচ্ছে।ধানের শীষের প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে উৎকন্ঠিত। আমরা আবারো বিএনপির পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা মনে করি, ভয়ঙ্কর সরকারি অনাচার আর গণতন্ত্রশূণ্যতায় বন্দি দেশবাসীকে মুক্ত করার প্রতিবাদী নারায়নগঞ্জবাসী ২২ ডিসেম্বর ধানের শীষের প্রতীকে ভোট দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন খানকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এ বিশাল নিবর বিপ্লব ঘটে যাবে।

আওয়ামী লীগের বিজয় দিবসের আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "ক্ষমতা দখলের চিন্তা না করে গণতন্ত্র চর্চা করুন"- এই ধরণের কথা বলেছেন। এই বক্তব্য খুবই কৌতুকপূর্ণ আমার কাছে মনে হয়েছে।এখন যদি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে গণতন্ত্র চর্চা করতে হয়, তাহলে আমাদেরকে শিখতে হবে- কী করে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে হয়, কী করে ভোট ডাকাতি করতে হয়, কী করে গুম করতে হয়, খুন করতে হয়, কী করে রক্তাক্ত লাশের উপরে দাঁড়িয়ে অনাচার করতে হয়- এগুলো শিখতে হবে। দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটাক্ষ করার প্রতিবাদ জানান রিজভী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিঃসন্দেহে একজন জাতীয় নেতার মেয়ে, রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। উনি একজন

বিরোধী নেত্রীকে কী করে এতো নোংরা ভাষায়
কুটক্তি করতে পারেন। উনার ভাষা এতো অশোভন কেনো? সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য কবীর মুরাদ, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন