Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ১৭ জুন ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৩ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।
শিরোনাম

নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্ব শর্ত নিরপেক্ষ সরকার : বি চৌধুরী

| প্রকাশের সময় : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, জনগণের আকাক্সিক্ষত অবাধ-নিরপেক্ষ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ সরকার বা জাতীয় সরকার। নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্ব শর্ত শক্তিশালী ইসি নয়, নিরপেক্ষ বা জাতীয় সরকার। তিনি বলেন, দলের ভোট নয়, ব্যক্তি জনপ্রিয়তায় সেলিনা হায়াৎ আইভী নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় স্বাধীনতা হল মিলনায়তনে বাংলাদেশ নিউ জেনারেশন পার্টির (বিএনজিপি) ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনজিপির সভাপতি জাহিদ ইকবালের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপি  চেয়াপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুকমল বড়ুয়া, সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনি, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এনডিপি প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বিএনপি নেতা মেজর (অব.) মোহাম্মদ হানিফসহ অন্যরা।
বি চৌধুরী বলেন, আইভী যখন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছে, তখনও জয়লাভ করেছেন। তার মানে আইভীর নিজস্ব একটা বড় ভোটব্যাঙ্ক আছে। ওনার সততা, নিষ্ঠা, ভদ্রতা এবং পিতার যে পরিচয় ছিল সব মিলিয়ে ওনার নিজস্ব ভোট আছে। সেটা বিরাট ভোট, যেটা আওয়ামী লীগকে হারাতে পারে, এ রকম ভোট। সেই ভোট তার ছিল, তার সঙ্গে নৌকার কিছু  ভোট যুক্ত হয়েছে এবং সেই তুলনায় বিএনপি বেশি ভোট পেয়েছে। সুতরাং এতে দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। লজ্জারও কিছু নেই।
অধ্যাপক বি চৌধুরী আরও বলেন, নিরপেক্ষ বা জাতীয় সরকারের দাবি আদায় করতে পারলেই  কেবল শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব। দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন কমিশনারই নিরপেক্ষ বা শক্তিশালী হতে পারবে না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে  প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খুবই সীমিত। প্রেসিডেন্টকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। তাই প্রেসিডেন্টের উচিত প্রধানমন্ত্রীর দেয়া তালিকা নিয়ে সকল দলের সঙ্গে প্রকাশ্যে আলোচনা করা।
নাসিক নির্বাচন থেকে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে হবে
প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, নাসিক নির্বাচন থেকে বিএনপিকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সেখানে সেলিনা হায়াৎ আইভী যোগ্যতার কারণেই বিজয়ী হয়েছেন। এই নির্বাচন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে বিএনপিকে আরো খেসারত দিতে হতে পারে। তিনি বলেন, বিএনপি কর্মসূচি নির্ধারণ করে ঠিকই কিন্তু প্রয়োগের পক্রিয়া বার বার ভুল করে। এই আইভীর সৃষ্টিতেও বিএনপির অবদান রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন হলেই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণআন্দোলনের সূচনা করতে হবে। আর এই গণআন্দোলনের জন্য ১৯৫৪-র মত যুক্তফ্রন্ট গঠন করতে হবে। গণতন্ত্রহীনতা আর অবাধ দুর্নীতির  রোধে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, বিচারবিভাগ আমাদের শেষ ভরসাস্থল। এই বিভাগকে কার্যকর করতে হবে। সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ও পেশিশক্তি বর্জিত নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আমাদের দেশের সেনাবাহিনী অন্যদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারলে আমার দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কেন কাজ করতে পারবে না?



 

Show all comments
  • Muzahid ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১:৫৬ এএম says : 0
    Bortoman sorkar mittar aborone des bedese puruskar passe .sob diparment media kine niese.b sodri sotto bolse.এখানে আপনি আপনার মন্তব্য করতে পারেন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ