Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫, ১৫ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

বিজয় একাত্তর হলে বিজয় দিবস উদযাপন

| প্রকাশের সময় : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজয় একাত্তর হলের উদ্যোগে বার্ষিক আভ্যন্তরীণ ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার, কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রভোস্ট এ্যাওয়ার্ড প্রদান ও বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান গত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ শুক্রবার সন্ধ্যায় হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মো. কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম এ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বিজয় একাত্তর হলের প্রভোস্ট  ড. এজেএম শফিউল আলম ভূইয়া। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অর্ধশত বিজয়ীর  মধ্যে  পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ফলাফলের ভিত্তিতে বছরের সেরা ছাত্র হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাকির আহমেদকে হলের প্রথম প্রভোস্ট এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী শিক্ষকদের স্মরণ করতে গিয়ে বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকারী একাত্তরের ঘাতক আল-বদর ও আল-শামসদের হিংস্রতা ও পৈচাশিক আচরণের সাথে বর্তমান যুগের আই এস এবং তালেবানদের হিংস্রতার সাথে মিল রয়েছে। আইএস এবং তালেবানরাও পরাজিত হয়ে যেমন সভ্যতা এবং বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে ঠিক একইভাবে আল বদররা মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে যেমন খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মিশনে নেমেছিল। অধ্যাপক ড.মে. কামাল উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, কয়েক দশক আগের ছাত্র রাজনীতি  এবং বর্তমান ছাত্ররাজনীতি এক নয়। আগে ছাত্ররা রাজনীতি করতেন গণতন্ত্রের জন্য। এখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত তাই ছাত্রদেরকে দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে হলের প্রভোস্ট  ড. এজেএম শফিউল আলম ভূইয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হল জীবন থেকে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ছড়িয়ে দিতে বিজয় একাত্তর হলে  সব ধর্মের ছাত্রদের সিট বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। অনুভূতি প্রকাশের সময় প্রভোস্ট এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত  শিক্ষার্থী শাকির আহমেদ ফলাফলের পেছনে মা বাবা ও শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে মুক্তিযুদের চেতনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার  মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
ষ শিক্ষাঙ্গন রিপোর্ট



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।