Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ০৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলা

| প্রকাশের সময় : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

নূরুল ইসলাম : পরিবহন সেক্টরে নিয়মের সাথে নিয়ম ভাঙার নিয়মও আছে। প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করেছে সরকার। এই নিয়ম যাতে মানতে না হয় সেজন্য পরিবহন মালিক শ্রমিক মিলে রুটভিত্তিক বিরতিহীন, সিটিং সার্ভিস, সময় নিয়ন্ত্রণ, কম স্টপিজ নামে নানা সার্ভিস চালু করেছে। শুভঙ্করের ফাঁকিতে ফেলে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, নগর পরিবহনে সেবা বলতে কিছু নেই। আছে ওঠা-নামাসহ সরু সিটে বসার বিড়ম্বনা। ট্রাফিক পুলিশের চোখের সামনেই চলছে লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা বাস। যেগুলোর সিট নড়বড়ে, দরজা-জানালা নাই, বডি থেকে টিন খুলে পড়েছে, সামনে-পেছনের লাইট জ্বলে না, হুইচ পাইপ দিয়ে কালো ধোঁয়া বের হয়, বিকট শব্দ করে চলে আরও কত কি। এগুলো নিয়ে কথা বলতে গেলেই পরিবহন শ্রমিকদের হাতে যাত্রীদের নিগৃহীত হতে হয়। নগরীর ব্যস্ত এলাকাগুলোতে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টির কারণও এই যাত্রীবাহী বাসগুলো। সবকিছু মিলিয়ে পরিবহন সেক্টর সেই আগের মতোই বিশৃঙ্খল, অরাজক, নিয়ম-নীতিহীন। এ অবস্থার আদৌ পরিবর্তন হবে কিনা তা কেউ বলতে পারে না। এ বিষয়ে গণপরিবহন ও দুর্ঘটনা বিশেষজ্ঞ বুয়েটের শিক্ষক প্রফেসর ড. শামসুল হক ইনকিলাবকে বলেন, আমাদের পেছনে অনেক বেশি ভুল হয়ে গেছে। এজন্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা দরকার। একই সাথে পদ্ধতিগত পরিবর্তন দরকার। তা না হলে পরিবহন সেক্টরের এই বিশৃঙ্খলা যুগ যুগ ধরে থেকেই যাব। তিনি বলেন, নতুন কিছু আবিষ্কার করার দরকার নেই। উন্নত বিশ্বের পরিবহন সেক্টরের সিস্টেমকে হুবহু ফলো করলেই মোবাইল সেক্টরের মতো এখানেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ ইনকিলাবকে বলেন, ঢাকায় গণপরিবহন সেক্টরে যেমন বিশৃঙ্খলা আছে তেমনি সুযোগ-সুবিধাও অনেক কম। পরিবহন যান চলাচলের জন্য যেখানে ২৫ শতাংশ রাস্তা দরকার সেখানে ঢাকায় আছে মাত্র ৯ শতাংশ। বাস চলাচলের জন্য এর পরিমাণ আরও কম- চার শতাংশের কিছু বেশি। ঢাকায় পরিবহন ব্যবসা লাভজনক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা পরিবহন সেক্টরকে ঢেলে সাজানোর জন্য কাজ করছি। ১৯৩টি রুট কমিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি করা হবে। একই সাথে নতুন গাড়ি দিয়ে যাত্রীদের যাতে শতভাগ সেবা দেয়া যায় সেজন্য কাজ চলছে। এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সকলেরই সহযোগিতা দরকার।
এক কথায় জানতে চাইলে যে কেউ বলবেন, নগর পরিবহনে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। বিরতিহীন, সিটিং সার্ভিস, কম স্টপিজ, সময় নিয়ন্ত্রণ, ডাইরেক্ট ইত্যাদি সার্ভিসের নামে যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা বাস, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত আসন, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা না থাকাসহ কথায় কথায় যাত্রীদের সাথে দুর্ব্যবহার গণপরিবহনে নিত্যদিনের যন্ত্রণা। এসব নিয়ে অভিযোগ করার মতো কোনো জায়গা নেই। অবস্থাটা এমন যেনো, কে শোনে কার কথা। কে মানে কার নিয়ম?
এসবের সাথে ভাড়ার অনিয়ম তো আছেই। ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, সরকার গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ করে দিলে বিভিন্ন অজুহাতে বেশিরভাগ কোম্পানি সরকারের নিয়মকে তোয়াক্কা করে না। নিয়ম না মানার জন্য তারা উল্টো নিয়ম করে রেখেছে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শাহবাগের দূরত্ব দেড় কিলোমিটারের বেশি নয়। প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৬০ পয়সা হিসেবে প্রেসক্লাব থেকে শাহবাগের ভাড়া সাড়ে ৩ টাকা বা তার চেয়ে বেশি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে ভাড়া নেয়া হয় পরিবহনভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকা। দিশারী পরিবহনে প্রেসক্লাব থেকে শাহবাগের ভাড়া ২৫ টাকা, শিকড় পরিবহনে ২৬ টাকা এবং স্বাধীন পরিবহনে ৩০ টাকা। একই দূরত্বে তিন ধরনের ভাড়ার নেপথ্যে পরিবহন শ্রমিক বিরতিহীন, সিটিং সার্ভিস ও সময়নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেখান। যা সরকার নির্ধারিত ভাড়ার কয়েকগুণ বেশি আদায়ের কৌশল মাত্র। যাত্রীরা জানান, পরিবহন মালিক শ্রমিকদের এই কৌশলের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে নাজেহাল হতে হয়। আর পুলিশ? গণপরিবহন নিয়ে ট্রাফিক পুলিশ কখনই কোনো অভিযোগ শোনে না, শুনতে চায় না-এটা অনেকেরই জানা হয়ে গেছে।    
নগরীর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অধিকাংশ বাসই আঞ্চলিক পরিবহন কমিটির কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না। কমিটি দুই মাসে কমপক্ষে একটি সভা করার নিয়ম থাকলেও মালিক শ্রমিকের অনিচ্ছায় ৬ মাসেও কমিটি সভা হয় না। এতে করে সমস্যা দিন দিন বাড়লেও সমাধানের কোনো পথ খোঁজা হয় না। এতে করে যাত্রীদের স্বার্থ থাকে অবহেলিত। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, যাত্রীদের সমস্যাগুলো দেখার দায়িত্ব নগর বা মেট্রো আঞ্চলিক পরিবহন কমিটির (আরটিসি)। কিন্তু সেই কমিটি দখল করে রেখেছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক কমিটির নেতারা। যে কারণে যুগ যুগ ধরে যাত্রীরা ভোগান্তি পোহালেও এ নিয়ে কথা বলার কেউ নেই। বুয়েটের শিক্ষক ও গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. শামসুল হকও বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশে গণপরিবহন আঞ্চলিক কমিটিতে মালিক, শ্রমিক সদস্য থাকে না। আমাদের দেশেই এর ব্যতিক্রম। যে কারণে এখানে যাত্রীর স্বার্থের চেয়ে মালিকের স্বার্থরক্ষা বেশি হয়ে আসছে। এটা পরিবর্তন হওয়া দরকার।
রাজধানীতে চলাচলকারী বেশিরভাগ বাসের আসন সরু। একজন বসতেও কষ্ট হয়। এর বাইরে প্রতিটি বাসে দাঁড় করিয়ে তিনগুণ যাত্রী তোলা হয়। বিআরটিএ সূত্র জানায়, নগরীতে চলাচলকারী বাসগুলোতে ৩৭টি আসনের অনুমোদন দেয়া হয়। এর বেশি আসন থাকলে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয়ার নিয়ম নেই। কিন্তু তারপরেও নগরীতে চলাচলকারী ৯৮ ভাগ বাসই ৪১ আসনের। মাঝে মধ্যে বিআরটিএ-এ বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করে। কিন্তু ৪১ আসনের বাসে ফিটনেস দেয়া বন্ধ হয় না। এছাড়া মহিলা যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রাখা বাধ্যতামূলক হলেও অধিকাংশ বাসেই তা নেই। এতে করে নারী যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক চৌধুরীর মতে, নগরীতে চলাচলকারী বেশিরভাগ বাসের ছাদ ফুটো। বৃষ্টি এলে যাত্রীদের মাথায় পানি পড়ে। জানালায় গ্লাস নেই। এ কারণে বৃষ্টি থেকে রেহাই মেলে না। গতকাল সোমবার ন গরীর গুলিস্তান, পল্টন, মতিঝিল, আরামবাগ, যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, শাহবাগ, নিউমার্কেট, আজিমপুর এলাকা ঘুরে বহু লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা বাস চোখে পড়েছে। এসব বাসের কোনো কোনোটার অবস্থা এতোই খারাপ যে দেখে মনে হয় চলতে পারে না। কোনো কোনো বাসের বডির কিছু অংশ খুলে গেছে। সামনে-পেছনের লাইট ভাঙা, সিটগুলো নড়বড়ে, পেছন দিয়ে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। গুলিস্তানে শ্রাবণ পরিবহনের কয়েকটি বাসের করুণ অবস্থা চোখে পড়ল। বাসগুলো কিভাবে ফিটনেস পেলো তা নিয়ে উপস্থিত কয়েকজন যাত্রী প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, এটা বিআরটিএ-কে জিজ্ঞাসা করেন।
যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নগরীতে শুধুমাত্র বাসে চলাচল করার মতো নিশ্চয়তা কখনও থাকে না। সরকারি ছুটি ছাড়া অধিকাংশ কার্যদিবসে পিক আওয়ারে সময়মত বাস পাওয়া যায় না। এটা নিত্যদিনের সমস্যা। অফিস ধরতে গিয়ে তখন বাধ্য হয়ে অটোরিকশা বা রিকশা ভাড়া করা ছাড়া উপায় থাকে না। এর কারণ রুটভিত্তিক গাড়ির সংখ্যা বিন্যাস ঠিক নেই। যে রুটে বেশি বাস দরকার সেই রুটে বাস কম। আবার যে রুটে যানজট কম বা লাভ বেশি সেই রুটে যাত্রীর তুলনায় বাস অনেক বেশি। পরিবহন মালিকদের অভিযোগ, তারা ইচ্ছা করলেই রুটভিত্তিক বাস নামাতে বা বাড়াতে পারেন না। এতে প্রধান বাধা মালিক সমিতি। মালিক সমিতির অনুমোদন ছাড়া কোনো রুটেই বাস নামানো যায় না। কয়েকজন মালিক অভিযোগ করে বলেন, মালিক সমিতির নেতারা লাভজনক রুটগুলো দখল করে আছেন। সে কারণে তাদের লোকসান গুনতে হয় না। মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, আমরা চেষ্টা করছি রুট কমিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি রুট করতে। সেখানে রুটভিত্তিক আলাদা রঙ থাকবে। এতে করে যাত্রীদের হয়রানি অনেকাংশে কমবে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য মতে, বিগত ২৬ বছরে ৩ দফা জ্বালানি তেলের দাম কমার পর দেশের পরিবহন সেক্টরে ভাড়া কাগজে কলমে কমানো হলেও বাস্তবে কমেনি। ২০০৮ সালের ২৫ অক্টোবর ৫৫ টাকার ডিজেল ৭ টাকা কমে ৪৮ টাকা হলে পরিবহন ভাড়া যাত্রীপ্রতি কিলোমিটারে ০৭ পয়সা কমানো হয়। ২০০৯ সালের ১২ জানুয়ারি  ৪৮ টাকার ডিজেলের মূল্য কমে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করায় যাত্রীপ্রতি বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ০৪ পয়সা কমানো হয়। এরপর পরিবহন মালিকদের দাবির প্রেক্ষিতে পরিবহন সেক্টর শিল্প খাত ঘোষণা ও জ্বালানির মূল্য ৪৪ টাকা থেকে কমে ৪০ টাকা হলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাস ভাড়া যাত্রী প্রতি কিলোমিটারে ০৫ পয়সা কমানোর ঘোষণা দেয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে  কাগজে-কলমে ভাড়া কমানো হলেও প্রকৃতপক্ষে কোনো বাস-মিনিবাস ভাড়া কমেনি। সরকার জনস্বার্থে জ্বালানির মূল্য কমালেও গুটি কয়েক পরিবহন মালিক এই সুবিধা ভোগ করছে। দেশের যাত্রী সাধারণসহ আপামর জনগণ এর সুফল থেকে বার বার বঞ্চিত হয়েছে। যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে মেট্রোতে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়। বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়। মিনি বাসের ভাড়াও ১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১ টাকা ৬০ পয়সা করা হয়। ঢাকাসহ মেট্রো শহরে এই ভাড়া কার্যকরের কথা বলা হলেও বাস্তবতার সাথে এর আকাশ-পাতাল ফারাক এখনও বিদ্যমান। যেমন মোহাম্মদপুর থেকে শাহবাগ পর্যন্ত এলে মিনিবাসের ভাড়া রাখা হয় ১০ টাকা। কিন্তু শাহবাগের পর যে কোনো স্থানে নামলে এই ভাড়া ১৫ টাকা হয়। মোহাম্মদপুর থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত কোনো কোনো বাসের ভাড়া ১৫ টাকা। ওই একই বাসে আবার মতিঝিল পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা। ভুক্তভোগীদের মতে, এসব অনিয়মের যেনো কোনো  কোনো দিনও বন্ধ হবে না। গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, এগুলো হলো উপসর্গ। যাত্রীদের মানসম্মত সেবা না দেয়ার জন্য এসব উপসর্গের দোষ দিয়ে লাভ নেই। এজন্য রেগুলেটরি বডিকে সিস্টেমেটিক করতে হবে। অপেশাদার কেউ যাতে এ ব্যবসায় এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য রেগুলেটরি বডিকে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন করতে হবে।  সর্বোপরি তিনি পরিকল্পিত একটি পদ্ধতি চালু করার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, এজন্য রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতাও দরকার। 



 

Show all comments
  • মনিরুজ্জামান ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:১৭ পিএম says : 0
    এগুলো বন্ধে সরকারের পদক্ষেপ চাই।
    Total Reply(0) Reply
  • আরফান ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১:৩০ পিএম says : 0
    গণপরিবহন এখন গণ দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Arju ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১:২৬ পিএম says : 0
    উন্নত বিশ্বের পরিবহন সেক্টরের সিস্টেমকে হুবহু ফলো করলেই এখানেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
    Total Reply(0) Reply
  • Sifat ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১:৩১ পিএম says : 0
    avabe cholte pare na.
    Total Reply(0) Reply
  • মোজাম্মেল হক চৌধুরী ১৯ জুলাই, ২০১৭, ৯:৪৮ এএম says : 0
    বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয় আসন অনুুয়ায়ী। একই বাসে আবার সিটিং সার্ভিসের নামে বাড়তি ভাড়া আদায় করার সুযোগ নেই।এই অনৈতিক বিষয়টিকে আইনগত বৈধতা দিতে গিয়ে সিটিং সার্ভিস বন্ধ চালুর খেলায় ভাড়া নৈরাজ্য উস্কে দেয়া হয়েছে।গণপরিবহনকে গনবিরোধী প্রতিষ্টানে পরিণত করা হয়েছে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ