Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ০১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

১৭ কেমন যাবে?

| প্রকাশের সময় : ১ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বীর প্রতীক : ২০১৬ সাল চলেই গেল এবং ২০১৭ সাল এসেই গেল। ২০১৬ সাল কেমন গেল বা ২০১৭ সাল কেমন হতে পারে এই নিয়ে আলোচনা করা অপ্রাসঙ্গিক নয়। তবে বাংলাদেশে যেহেতু নির্মোহ আলোচনাকে খুব কম লোকই সম্মান করে, তাই সাহসের সঙ্গে নির্মোহ আলোচনা বা সমালোচনা করা খুব ব্যতিক্রমী একটি কাজ। আমি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি নামক একটি রাজনৈতিক দলের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মী; অতএব আমি যদি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির আত্মসমালোচনা করি তাহলে এটি আমার এখতিয়ারভুক্ত কাজ বলে ধরে নেওয়া হবে। কিন্তু আমি যদি অন্য একটি রাজনৈতিক দলের (আত্ম) সমালোচনা করি তাহলে সেটি আমার এখতিয়ার বহির্ভূত কাজ বলে গণ্য হবে। রাজনৈতিক দলটি যদি বন্ধুপ্রতীম হয় এবং আমি কর্তৃক করা সমালোচনাটিকে অপ্রিয় মনে করেন, তাহলে বন্ধুটিই প্রশ্নের মুখে ও হুমকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা আছে। অতএব আজকে ২৮ ডিসেম্বর তারিখে আমার প্রথম সমষ্টিক আত্মসমালোচনা হলো যে, আমরা পারস্পরিক সমালোচনার পরিবেশ বা আবহ সৃষ্টি করতে পারিনি; অন্তত আমি নিজের উপর আস্থা পাই না কোনো বন্ধুর সমালোচনা করতে।
আলোচনার সুবিধার্থে একটি উদাহরণ দিচ্ছি। মনে করুন আপনি সমুদ্রের তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হাঁটছেন। আপনি মন স্থির করলেন যে, আপনি সোজা হাঁটবেন এবং এক ইঞ্চিও এদিক-ওদিকে পা ফেলবেন না। অতএব দশ-বিশ কদম হাঁটার পর, পিছনের দিকে তাকিয়ে নিজের পদচিহ্নকে দেখার কাজটি উপকারী হতেই পারে। এটাকে আমরা বলতে পারি নিজের কর্মের পর্যালোচনা। আরেকটি উদাহরণ দেই। আমরা অনেকেই পরীক্ষার জন্য দারুণ প্রস্তুতি নেই, কিন্তু পরীক্ষার হলে প্রবেশের পর দেখা যায় প্রশ্নগুলো অনুমানের সঙ্গে মেলেনি। অথবা, পরীক্ষার খাতায় ভালো লিখলাম বলে মনে হলো কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গেল যে, ফল ভালো হয়নি। তাহলে অবশ্যই চিন্তা করতে হবে কেন ভালো হলো না? এইরূপ চিন্তা করাটাকে বলা যায় আত্মসমালোচনা। অর্থাৎ নিজের অতীত বা সাম্প্রতিক অতীতের কর্মকা-কে বিশ্লেষণমূলক দৃষ্টিতে দেখার কাজটি প্রয়োজনীয় কাজ; যেই নামেই ডাকি না কেন।
২০১৬ সালে দলীয় মার্কার প্রচলনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়েছে; ক্ষমতাসীন সরকারি দল ব্যাপকভাবে জয়লাভ করেছে; সহিংসতা এবং অনিয়ম ব্যাপকভাবে হয়েছে বলেও ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়। ২০১৬ সালে, পত্রিকার মাধ্যমে অনেকগুলো দুর্নীতির খবর জনগণের সামনে উঠে এসেছে; কিন্তু বড় দুর্নীতির বিচার হয়েছে এইরূপ খবর এখনও জনসমক্ষে ছড়ায়নি। ২০১৬ সালে, পাঁচ বছর আগের মতো শেয়ার কেলেঙ্কারি হয়নি। কিন্তু পাঁচ বছর আগে আশি হাজার কোটি বা নব্বই হাজার কোটি বা এক লক্ষ কোটির কাছাকাছি কোনো একটি অংকের টাকা সাধারণ মানুষের পকেট থেকে, শেয়ার কেলেঙ্কারির মাধ্যমে মাত্র দু’এক হাজার বুদ্ধিমান ব্যক্তির পকেটে চলে গিয়েছিল এর কোনো বিচারও এখন পর্যন্ত হয়নি।
বাংলায় প্রবাদ বাক্য আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। অতএব বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন বলতেই পারেন যে বছরের শেষ নির্বাচনগুলো আমরা সুষ্ঠুভাবে করেছি। বাংলাদেশের মুসলমান সমাজের অনেক অংশে একটি রেওয়াজ আছে। কোনো ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর জানাজার নামাজে, উচ্চস্বরে প্রশ্ন করা হয় একাধিকবার বা তিনবার, মৃত (ব্যক্তি) মানুষটি কেমন ছিলেন? সাধারণত, উপস্থিত মুসল্লিগণ সমস্বরে বলেন, ভালো ছিলেন, ভালো ছিলেন, ভালো ছিলেন। পরবর্তী আট দশ লাইনে মরহুম, জানাজা এবং রাজনৈতিক মুসল্লী শব্দগুলোর ব্যবহার প্রতীকী অর্থেই মাত্র; অতএব পাঠক হালকা মেজাজে গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। বর্তমান নির্বাচন কমিশন ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গত বা মরহুম হয়ে যাবেন। তখন যদি নির্বাচন কমিশনের রাজনৈতিক জানাজায় কেউ প্রশ্ন করে, নির্বাচন কমিশন কেমন ছিল, তাহলে উপস্থিত রাজনৈতিক মুসল্লীগণ কী উত্তর দেবেন? আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারবো না, কী উত্তর দেবেন কিন্তু সম্ভবত বলবেন যে, ভালো ছিল না, ভালো ছিল না, ভালো ছিল না। এটা গত বা মরহুম নির্বাচন কমিশন পছন্দ করবেন না। তাই যেন উপস্থিত রাজনৈতিক মুসল্লীগণ বলেন যে, আব্দুর রকিব নির্বাচন কমিশন ভালো ছিল, ভালো ছিল এবং ভালো ছিল; সেইজন্য তারা তাদের জীবনের বা তাদের আয়ুকালের শেষ দিনগুলো ভালো প্রমাণে তৎপর। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝির পরপরই কোনো একসময় ‘রাজনৈতিক জানাযা’ হবে। তাই, ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসের নির্বাচনগুলো আব্দুর রকিব নির্বাচন কমিশন সুন্দরভাবে পরিচালনায় তৎপর ছিলেন। এতে বোঝা যায়, মানুষ প্রশংসার ভিখারি; নির্বাচন কমিশন বলি, রাজনৈতিক সরকার বলি বা রাজনৈতিক দলের প্রধান বলি বা পত্রিকার সম্পাদক বলি বা টেলিভিশন চ্যানেলের মালিক বলি।
২০১৬ সাল রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরও একটি বড় কারণে। কারণটি হলো এই যে, বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি; অথবা অপর পরিক্রমায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ) তাদের কাউন্সিল সম্পন্ন করেছে। নিবন্ধনবিহীন জামায়াতে ইসলামী এবং অনেকগুলো খ-ে খ-িত জাতীয় পার্টির মধ্যে এরশাদপন্থি বড় অংশটি, কোনটিকে তৃতীয় স্থানের এবং কোনটিকে চতুর্থ স্থানের রাজনৈতিক দল বলবো, সেটি সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। এই দল দুটিও যার যার গঠনতান্ত্রিক নিয়মে নিজেদের কাউন্সিল সম্পন্ন করেছে। বিএনপি এবং জামায়াত সম্পন্ন করেছে হাজার সীমাবদ্ধতা ও চাপের মধ্যে এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি সম্পন্ন করেছে ব্যাপকতার এবং উন্মুক্ততার ব্যতিক্রমী উচ্চ মার্গে। আওয়ামী লীগ যে ক্ষমতাসীন দল এবং তারা যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে জানে, এটি প্রমাণিত। নিজ নিজ কাউন্সিলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের আগামীদিনের ইচ্ছাগুলো এবং বিএনপির আগামীদিনের ইচ্ছাগুলো, কিছুটা স্পষ্টভাবে কিছুটা অস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই কলামের মূল আলোচনার অংশ নয়, কিন্তু যেহেতু কাউন্সিলের কথা আসলোই এবং যেহেতু আমি নিজেই একজন রাজনৈতিক কর্মী, সেহেতু প্রকাশ করার সুযোগটা নিচ্ছি যে, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি নামক নবীন রাজনৈতিক দলটিও তাদের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশন শেষ করেছিল ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের ৫ তারিখ। এবং কল্যাণ পার্টি তার অষ্টম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেছে ৪ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে। কল্যাণ পার্টিও চেষ্টা করেছে তাদের আগামীদিনের ইচ্ছাগুলো কিছুটা প্রকাশ করতে।
২০১৬ সালের, বাংলাদেশের রাজনৈকি কর্মকা- পর্যালোচনা করলে সারমর্ম আসবে এই যে, সময়টা আগামীর প্রস্তুতিমূলক ছিল। বিএনপি চেষ্টা করছে নিজেদের সাংগঠনিক পুনর্গঠন শেষ করতে, আওয়ামী লীগ চেষ্টা করছে নিজেদেরকে অধিকতর শক্তিশালী করতে। উভয় বড় দলের লক্ষ্য ছিল এবং আছে আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচন। জাতীয় পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী এদেরও লক্ষ্য আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচন। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টিরও লক্ষ্য আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচন। আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচন প্রসঙ্গে বড় দুইটি দলের চিন্তাভাবনাকে (এদিক থেকে বা ওদিক থেকে) প্রভাবান্বিত করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। হিলারি পরাজিত হওয়ায় তথা ডোলান্ড ট্রাম্প নামক ব্যক্তিটি জিতে যাওয়ায়, সেই চিন্তা (একজনের জন্য এদিকে আরেকজনের জন্য ঐদিকে) মোড় নিয়েছে।
আজকের কলামের সীমিত আয়তনে, ২০১৬ সালের বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়ে কিছু বলার সুযোগ নিচ্ছি না, বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি নিয়ে কিছু বলার সুযোগ নিচ্ছি না, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির নিয়ে কিছু বলার সুযোগ নিচ্ছি না, টাঙ্গাইল এলাকার জনৈক সম্মানিত সরকার দলীয় সংসদ সদস্য বেশকিছু দিন আত্মগোপনে থাকার পর আত্মসমর্পন করেছেন কিন্তু এখনও জামিন পাননি; এই নিয়ে কিছু বলছি না। কক্সাবাজার জেলার জনৈক সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নিম্ন আদালত কর্তৃক দ-িত হয়ে দু’চার সপ্তাহ জেলে থাকার পর উচ্চ আদালত কর্তৃক জামিনপ্রাপ্ত হয়ে যখন এলাকায় গেলেন তখন দুইশতের অধিক তোরণ নির্মাণ করে জনগণ তাকে বরণ করে নিয়েছেন, এই নিয়ে কিছু বলছি না। সিলেটের রাজনীতিবিদ জনাব ইলিয়াস আলী যে গুম অবস্থা থেকে এখনও উদ্ধার হলেন না অথবা আড়াই-তিন বছর আগে গুম হয়ে যাওয়া ডজনকে ডজন তরুণ ব্যক্তিগণ যে এখনও উদ্ধার হলেন না, সেই নিয়েও কিছু বলছি না।  
বিমান নিয়ে লেখার কথা। বিমান মানে কোনো একটি আকশযান বা এরোপ্লেন নয়। বিমান মানে বাংলাদেশের আকাশ পরিবহন সংস্থা যার নাম বিমান : বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাংলাদেশ সরকারের, বিগত ৪৫ বছরে, অনেক সাফল্য আছে এবং অনেক ব্যর্থতা আছে। বাংলাদেশের সরকারগুলোর বড় ব্যর্থতাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, বাংলাদেশ বিমানকে একটি লাভজনক সংস্থায় পরিণত করা, বাংলাদেশ বিমানকে জনগণের নিকট একটি প্রিয় পরিবহণ সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা। এর জন্য সকল সরকারই দায়ী। তবে আমি ঐ ব্যর্থতা নিয়ে আর কিছু লিখছি না। আমি বলতে চাচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্লেইনের রক্ষণাবেক্ষণ, মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্লেইনের রক্ষণাবেক্ষণ প্রসঙ্গে। এই ধরনের ভিভিআইপি প্লেইনের রক্ষণাবেক্ষণে যদি ত্রুটি থাকে, সেই ত্রুটিগুলোর তাৎপর্য মারাত্মক ও ভয়ানক হতে পারে। আমি মনে করি, বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীলগণ, তাদের শক্তির যেই পরিমাণ অংশই বিরোধী দলকে দমন করার কাজে
নিয়োগ করুক না কেন, তার থেকে বেশি অংশ-শক্তি নিয়োগ করা প্রয়োজন রাষ্ট্রীয় এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায়। এই প্রসঙ্গে বেশি বলাটাই নিরাপদ না; কিন্তু নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত একজন চিন্তাশীল ব্যক্তি হিসেবে, না বলেও পারলাম না।    
না বলা-কথা আরও অনেক আছে। পুরো কলামটির পর্যালোচনা করলে কেউ বলতে পারেন, এতো নেতিবাচক কথা কেন? তার উত্তর এই কলামের প্রথম অনুচ্ছেদে দিয়েছি। আবারও দেই। ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে, ঢাকা মহানগরের উত্তর-পূর্ব অংশে নবনির্মিত ৩০০ ফুট রাস্তায় চার কিলোমিটার অংশজুড়ে একটি সাইকেল র‌্যালি হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত বিশ্ববিখ্যাত গিনিজ বুক অব রেকর্ডে সমষ্টিগত সাইকেল রেইসে রেকর্ড ছিল আটশতের কিছুসংখ্যক বেশি সাইকেল আরোহী কর্তৃক সমষ্টিগতভাবে সাইকেল রেইস। রেইস বলতে একজনের বিরুদ্ধে আরেকজনের প্রতিযোগিতা নয়। রেইস বলতে এই যে, অতীতের রেকর্ড ভঙ্গের প্রতিযোগিতা। যতজন আরোহী শুরু করবে ততোজনকেই শেষ করতে হবে এবং একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। এবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রায় দুই হাজার তরুণ বা নিম্নমধ্য বয়সী সাইকেল আরোহী এই রেইসে অংশগ্রহণ করে। রেইসের দূরত্ব চার কিলোমিটার। গিনিজ বুক অব রেকর্ডের প্রতিনিধিদের সামনে, বাংলাদেশি সাইকেল আরোহীগণ নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। ঘটনাটি বেশি প্রচার পায়নি। সাইকেল আরোহীদের ঘটনাটি দিয়ে বোঝাতে চাচ্ছি যে, আমি এবং আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতেই হবে এবং এই কাজের নেতৃত্ব দেবে তরুণ এবং নিম্ন মধ্যবয়সী ব্যক্তিগণ। তবে পিছনের দিকে তাকালে ভুলগুলো বোঝা যাবে। একটু স্মৃতিচারণ করলে বোঝা যায়, কী রকম কঠিন সময় আমরা পার করে আসলামÑ তাতে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
আগামী বছর ২০১৭ সাল, কেমন যাবে সেটা নিয়ে বিশ্ববিখ্যাত ম্যাগাজিন টাইম বা দি ইকোনোমিস্ট বা ভারত-বিখ্যাত পত্রিকা দি হিন্দুস্তান টাইমস তারা ভবিষ্যৎবাণী করলে মানাবে। আমি করলে মানাবে না। তবে প্রার্থনা করি যে, আগামী বছরটি যেন আমার জন্য ভালো যায়, আপনার জন্য ভালো যায়, মুক্তিযোদ্ধাগণের জন্য ভালো যায়, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া বা বান্দরবান থেকে সুন্দরবন এর মধ্যকার লাখ লাখ গরিবের জন্য ভালো যায়; সর্বোপরি বাংলাদেশের জন্য যেন ভালো যায়।
লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।