Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

ডাকসুসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা নিন

ছাত্রলীগের বর্ণাঢ্য রালীর উদ্বোধনে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি সড়ক ও সেতুমন্ত্রী

| প্রকাশের সময় : ৫ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদের।
গতকাল বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি আবারো শিক্ষামন্ত্রীকে বলব, ক্যম্পাসে যদি গণতন্ত্রচর্চার একটা সুন্দর চমৎকার পরিবেশ গড়ে তুলতে চান, তাহলে ঢাকসুসহ সকল ছাত্র সংসদের নির্বাচন দেয়ার ব্যবস্থা করুন।
তিনি বলেন, নির্বাচন যখন থাকবে, তখন যারা প্রার্থী হবে, তখন তারা ভাববে আমি যদি খারাপ আচরণ করি তাহলে শিক্ষার্থীরা আমাকে ভোট দেবে না। কাজেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন দরকার। আজকে ২৫ বছর ধরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে আছে সকল ছাত্র সংসদ। খোলা থাকলে অন্তত ৫০ জন নেতা তৈরি হতো।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকে ২৫ বছরে প্রায় ৫০ জন ভিপি ও জিএস হতো।
অন্যন্যা কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এমনটা হতো। জাতীয় রাজনীতিতে তারা নেতৃত্বে দিতে পারত। ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ থাকার কারণে এই পথটা বন্ধ হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে দুইবার অংশ নেয়া ওবায়দুল কাদের বলেন, সেই পথটা ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে আছে। তাই আমি আশা করি শিক্ষামন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। শিক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার জন্য এই নির্বাচন দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় কর্তৃপক্ষ ও কলেজের কর্তৃপক্ষকে বলে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী গণতন্ত্র চর্চার জন্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন।
ছাত্রলীগকে পরগাছা মুক্ত করার নির্দেশ দিয়ে সাবেক ছাত্রলীগের এ সভাপতি বলেন, আজকে আমি ছাত্রলীগকে একটা কথা বলতে চাই। অনুপ্রবেশকারী, পরগাছা মুক্ত ছাত্রলীগ চাই। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের অঙ্গীকার হবে, অনুপ্রবেশকারী, পরগাছামুক্ত ছাত্রলীগ। এই অনুপ্রবেশকারী, পরগাছারাই ছাত্রলীগের এগিয়ে যাবার পথে প্রধান বাধা। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে বিভিন্ন কায়দায় এই অনুপ্রবেশ কারীরা ঢুকে সমস্যা সৃষ্টি করে। এই সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জড়িত গুটি কয়েক পরগাছা। বদনাম হয় গোটা পার্টির, বদনাম হয় শেখ হাসিনা সরকারের, বদনাম হয় গোটা ছাত্রলীগের।
কাদের বলেন, নেত্রীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে, ছাত্রলীগকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। ছাত্রলীগে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে সংগঠনের কমিটি করতে হবে। নিয়মিত ছাত্ররা যেন কমিটিতে থাকে। ইতোমধ্যে এই ধারা শুরু হয়ে গেছে।
ছাত্রলীগে ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করার পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ত্যাগী কর্মীরা যেন কোণঠাসা না হয়। ছাত্রলীগে যেন পকেট কমিটি কোথাও না হয়। এটা আমি বিশেষভাবে বলছি। আজকে ওমুকের এই ভাগ, তমুকের এই ভাগ। এই ভাগাভাগি করলে ছাত্রলীগের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে। ছাত্রলীগের মান ক্ষুণœ হবে। কারো বাসা বাড়ি পাহারা দেয়া ছাত্রলীগের কাজ না।
তিনি বলেন, তাই আমি নেতাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, আপনার একভাগ ওই জনের আরেক ভাগ এই গ্রুপের ভাগাভাগি ছাত্রলীগে চলবে না, চলবে না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সমালোচনা করে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকে কোথাও কোথাও,  কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। এটা অশুভ প্রবণতা। এটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের জন্য চরম ব্যর্থতা।
তিনি বলেন, যদি অভ্যন্তরীণ কোন গ্যাঞ্জামের জন্য ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়, এর জন্য আমাদের সাংগঠনিক ব্যবস্থা আছে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা আছে। যেই ব্যক্তিদের জন্য এই সমস্যা সৃষ্টি হবে তাকে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে। কিন্তু এই অজুহাতের জন্য একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালে জন্য বন্ধ করে দেয়া, শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাজ নয়।
কাদের বলেন, আমি পরিষ্কার বলতে চাই, আপনারা এই অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট, কথায় কথায় ধর্মঘট, অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট যেমন চলবে না, তেমনি অনির্দিষ্টকাল কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা চলবে না। এটা যারা করে এটা তাদের ব্যর্থতা।  
তিনি ছাত্রলীগের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে র‌্যালী দেখে মনে হচ্ছে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় র‌্যালী হবে। কোয়ান্টিটি অনেক। আমি কোয়ান্টিটি দেখলে ভয় পাই। কোয়ান্টিটির সঙ্গে  কোয়ালিটি রাখতে হবে।
বঙ্গবন্ধু পরিবারকে অনুসরণ করার জন্য ছাত্রলীগের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তোমাদের অন্য কোথায় যাওয়া লাগবে না। শেখ হাসিনার হওয়া ভবন নেই, তার পরিবারের খাওয়া ভবন নেই।
বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, আজকে বিএনপির বুদ্ধিজীবীরা বলে, বিএনপি হাঁটু ভাঙ্গা দল। আমি বলব, ফেলে আসা বছরের সবচেয়ে ব্যর্থ দল হচ্ছে বিএনপি। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের পর আগামী নির্বাচনে বিএনপির জেতা অস্বাভাবিক। নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে হারার পর বিএনপি দিশেহারা দলে পরিণত হয়ে গেছে। এখন তারা আবোল-তাবোল বকছে। উন্মাদের মতো হয়ে গেছে। বিবৃতি সর্বস্ব কর্মকা- করছে। তাই আমি আমার সহকর্মীদের বলি এদের সকল প্রশ্নের জবাব দেয়ার দরকার নেই।
কাদের বলেন, এরা এমনই একটা দলে পরিণত হয়ে গেছে, যেটা নিয়ে আমাদের আর মাথা ঘামাবার দরকার নেই। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাব। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদকে প্রতিহত, পরাজিত, পরাভূত করা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, একেএম এনামুল হক শামীম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বন পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার  হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাহলুল মজনু চুন্নু, ইসহাক আলী খান পান্না, মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, বাহাদুরি বেপারী, লিয়াকত শিকদার, মাহমুদুল হাসান রিপন, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, বদিউজ্জামান সোহাগ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহের হোসেন প্রিন্সসহ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন।
জাতীয় সঙ্গীত, ছাত্রলীগের থিম সং ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করেন ছাত্রলীগের সংস্কৃতিকর্মীরা। বক্তব্য শেষে বেলুন উড়িয়ে র‌্যালি উদ্বোধন করেন ওবায়দুল কাদের। র‌্যালিতে অংশ নেন সারাদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। র‌্যালিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু করে শাহবাগ মোড়, মৎস ভবন, কাকরাইল, বিজয়নগর, পল্টন, জিপিও হয়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শেষ হয়। র‌্যালীর নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। বাংলাদেশে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
র‌্যালীতে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ উত্তর ও দক্ষিণ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, হোম ইকোনমিক্স কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজ, ঢাকা কলেজ ও কবি নজরুল কলেজ, তিতুমীর কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় রাজধানীতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে শুরু হয় ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা। এরপর সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি ছাত্র অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অগ্রভাবে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
যশোরে শোভাযাত্রা
যশোর ব্যুরো ঃ যশোরে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি’র মধ্যে দিয়ে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। দুপুর ১২টায় দলীয় কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ, আলী রায়হান, মীর জহুরুল ইসলাম ও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল। সভাশেষে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে বকুলতলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে। এরপর দলীয় কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন নেতৃবৃন্দ।
না.গঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালী
নারায়ণগঞ্জ থেকে স্টাফ রিপোর্টার ঃ জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজে নিজেদের সজ্জিত করে হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নগরীতে আনন্দ র‌্যালী করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ। গতকাল বুধবার সকালে খানপুর ৩শ’ শয্যা হাসপাতাল থেকে শুরু হয়ে র‌্যালীটি নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ২নং রেল গেইটস্থ আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। র‌্যালীতে জাতীয় ও সংগঠনের দুটি বিশাল পতাকা ছিল।
প্রথম পর্বের কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো: শহিদ বাদল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু, মহানগর স্বেচ্ছা সেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, সহ-সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম রিয়াদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জেলা ছাত্রলীগ নানা কর্মসূচী মাসব্যাপী পালন করবে জেলা ছাত্রলীগ।
পাবনায় র‌্যালী কেক কাটা
পাবনা জেলা সংবাদদাতা: এ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে এক  সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান শেখ, সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন প্রমুখ। সমাবেশ শেষে ৬৯ পাউন্ডের কেক কেটে দলের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  পালন করেন নেতাকর্মীরা।
বোয়ালমারীতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল সকালে ছাত্রলীগ নেতা সোহরাব, তুহিন বিশ্বাস, প্রান্ত সিদ্দিকী ও লিখনের নেতৃত্বে স্থানীয় ডাকবাংলো চত্বর থেকে র‌্যালী বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়কগুলি প্রদিক্ষণ করে। র‌্যালী শেষে ডাকবাংলো চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাদারীপুরে নানা কর্মসূচী
মাদারীপুর জেলা সংবাদদাতা : নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বুধবার মাদারীপুরে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপযাপন করা হয়। সকাল ১১টায় মাদারীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভিন মাহমুদ আবিরের নেতৃত্বে কলেজ গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সরকারী নাজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে গিয়ে শেষ হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন নব নির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রুবেল খান, ছাত্রলীগ নেতা রিপন কাজী।  অন্যদিকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন অনিকের নেতৃত্বে ইটেরপোল এলাকা থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতা : জেলা ছাত্রলীগ বুধবার সকালে সরকারি কেসি কলেজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। এরপর শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও ৬৯ পাউন্ড কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহম্মেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা অশোক ধর, আশফাক মাহমুদ জন, হাফিজুর রহমান, মঞ্জুর পারভেজ তুষার প্রমুখ।
নাটোর জেলা সংবাদদাতা : দিবসটি পালনে নবাব সিরাজ উদ দৌলা সরকারি কলেজ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এমপি, আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম শিমুল এবং ছাত্রলীগের পতাকা উত্তোলন করেন নাটোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: রাকিবুল ইসলাম জেমস।
নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা : জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যলয় থেকে একাটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিটির নেতৃত্ব দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুল মালেক এমপি ও সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুদার এমপি। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শরীয়তপুর জেলা সংবাদদাতা : জেলা শাখার দুই গ্রুপ পৃথকভাবে কেক কাটা, আনন্দ র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে সংগঠনের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে।  
জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মহসিন মাদবরের নেতৃত্বে বুধবার বেলা ১১টায় শরীয়তপুর সরকারি কলেজে কেক কাটা ও আনন্দ র‌্যালি বের হয়।
অপরদিকে, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ উজ্জামান (রাশেদ)-এর নেতৃত্বে সকাল ১০টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কেক কাটা হয়।
ঠাকুরগাঁও জেলা সংবাদদাতা : প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ভাষাসৈনিক মরহুম দবিরুল ইসলামের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রলীগ।
বুধবার সকাল ১০টায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বামুনীয়া গ্রামে মরহুম দবিরুল ইসলামের কবরে শ্রদ্ধা ও রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ছাত্রলীগ

৬ নভেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ