Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

ছন্নছাড়া জামায়াত

| প্রকাশের সময় : ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

আফজাল বারী : জামায়াত। চার অক্ষরের দলটির এখন ত্রাহি অবস্থা। ইতোমধ্যেই সংগঠনটির নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে আদালত। দলটির নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। টিকে থাকার চেষ্টায় নাম পরিবর্তন করেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। দেশের রাজনীতিতে সাংগঠনিক শক্তির বিচারে আওয়ামী লীগ-বিএনপির পর সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল জামায়াত। ভোটের রাজনীতিতে কখনো তৃতীয় কখনো চতুর্থ অবস্থানের সংগঠনটি আর্থিকভাবে বুনিয়াদি।
প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাতের মতে, দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংক-বীমা, মিডিয়া-প্রযুক্তি, রিয়েল এস্টেট, পরিবহন সেক্টরে দলটির প্রতি বছর আর্থিক নিট মুনাফা ২ হাজার কোটি টাকা। দেশের অর্থনীতিতে দলটির আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ৮ শতাংশ অবদান রাখছে। আর্থিকভাবে সমৃদ্ধশালী দলটির বর্তমান অবস্থা ছন্নছাড়া। গত ৮ বছরে দলটির ওপর দিয়ে বয়ে গেছে সুনামি-আইলা-সিডর সব দুর্যোগ। বর্তমানে হাজার হাজার নেতাকর্মী কারাগারে। ফেরারি জীবনযাপন করছে শত শত নেতা। নেতাকর্মীদের ওপর অব্যাহত জুলুম-নির্যাতনে দলটির প্রতি ‘মানবিক সহানুভূতি জানালেও ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলামী ধারার দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন নেই। দলের এ অবস্থা নিয়ে জামায়াতের কোনো নেতাই কথা বলতে রাজি হননি। পলাতক নেতারা দাবি করেন তাদের দলের ওপর ‘অবিচার’ হচ্ছে। তারা মিডিয়ায় লেখার সময় দলটির ওপর ‘ইনসাফ’ করার দাবি জানান।
দেশের রাজনীতিতে ক্যাডারভিত্তিক সুসংগঠিত দল জামায়াত প্রলয়ংকরী ঝড়ের কবলে পড়ে মূলত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায়। দলটির কেন্দ্রীয় সদর দফতরের পাশাপাশি জেলা-উপজেলা পর্যায়ের ‘কার্যালয়’ বন্ধ করে দেয়া হয়। ’৭১ সালে মানবাধিকার লংঘনের দায়ে শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় দলটিতে যেমন দেখা দেয় নেতৃত্বশূন্যতা; তেমনি সরকারের দমন-পীড়নে কেন্দ্র থেকে শুরু করে শেকড় পর্যায়ে নেতাকর্মীরা হয়ে পড়েন দিশেহারা। এতদিন বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে ‘সমর্থক’ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক-সচল থাকায় ‘ট্যানেলের শেষ প্রান্তে ‘আলোর রশ্মি’র মতোই দলটির অস্তিত্ব বিরাজমান ছিল। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কৌশলে কব্জা করায় সেই ‘আলোর রশ্মি’ দপ করে নিভে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বলা যায় চরম বিপর্যয়কর অবস্থায় পড়ে গেছে দলটি। দমন-পীড়নের মুখে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী টিকে থাকার কৌশলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকায় উঠেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে ক্ষমতাসীনদের ব্যবসায়িক পার্টনার করেছে। ফলে নড়বড়ে হয়ে গেছে দলটির সাংগঠনিক ভিত।
৮ বছর ধরে কর্মকা- না থাকায় সাংগঠনিকভাবে ইসলামী ধারার দল জামায়াত চরম বিপর্যয়কর অবস্থার সম্মুখীন। অথচ সাংবিধানিক ধর্ম ‘ইসলামের’ এই দেশের সাধারণ আমজনতা দলটির প্রতি সহানুভূতিপ্রবণ হচ্ছেন না। অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতের ডাকে লাখ লাখ লোক রাস্তায় নেমে আসে। অথচ জাতায়াতের ডাকে কেউ সাড়া দেন না! কারণ কী? কারণ হলো দলটির আদর্শ-নীতি ও কর্মকৌশল। দেশের মুসলমানদের যাপিত জীবনে ইসলাম ধর্ম চর্চার সঙ্গে জামায়াতের আদর্শিক ইসলাম চর্চা বিস্তর ফারাক। এ উপমহাদেশে ইসলাম ধর্ম এসেছে অলি-আউলিয়া, পীর-দরবেশদের হাত ধরে। উপমহাদেশের প্রায় অর্ধশত কোটি মুসলমান পীর-মাশায়েখদের শেখানো পথেই ইসলাম ধর্মচর্চায় অভ্যস্ত। কিন্তু ইসলামী ধারার দল হলেও ওয়াহাবি মতবাদে দীক্ষিত জামায়াত ধর্ম পালনে ‘মওদুদীবাদ’ চর্চায় অভ্যস্ত। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে দলটির কর্মী-সমর্থক থাকলেও এ কারণেই দেশের মূল ¯্রােতের মুসলমানদের মননে দলটি প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে কয়েক বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে নেতাকর্মীদের ওপর ন্যায়-অন্যায় দমন-পীড়নে সাধারণ আলেম সমাজ ধর্মীয় ভাই হিসেবে মানবিক কারণে কিছুটা সহানুভূতি প্রকাশ করলেও দলটির প্রতি সমর্থন দিচ্ছে না। ফলে ইসলামী ধারার দল জামায়াত স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও গণমানুষের দল হয়ে ওঠেনি। এ অবস্থায় কর্মীনির্ভর সুসংগঠিত দলটির অস্তিত্ব রক্ষাই হয়ে গেছে দায়।
প্রতীক ও নিবন্ধন বাতিল  
প্রতিষ্ঠার পর থেকে জামায়াতের দলীয় প্রতীক ছিল দাঁড়িপাল্লা। নিবন্ধিত দল হিসেবে জাতীয় নির্বাচনেও তারা এই প্রতীক ব্যবহার করেছে। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ আদালত এক নির্দেশনায় উল্লেখ করেছে, ‘দাঁড়িপাল্লা’ ন্যায়ের প্রতীক এটি কোনো রাজনৈতিক দল তাদের প্রতীক হিসেবে যেন ব্যবহার না করা হয়। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি দিয়েছে আদালত। কমিশন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আদালতের নির্দেশনার প্রেক্ষিতেই ইসির নিজস্ব ওয়েবসাইটে উল্লেখ করেছে দাঁডিপাল্লা প্রতীক হিসেবে ব্যবহার কবা যাবে না।
এর আগে ২০১৩ সালে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। টিকে থাকার জন্য আরপিও মতে, দলীয় গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন আনে জামায়াত। আগে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ হিসেবে পরিচয় প্রদান করলেও তা বদল করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম নির্ধারণ করা হয়। নারী নেতৃত্বের প্রতি অনীহা প্রকাশ করলেও তা বদল করে শতকরা ৩৩ ভাগ নারী নেতৃত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এখন দাবি উঠেছে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের।
১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনবার নিষিদ্ধ হয় জামায়াত। এর মধ্যে ১৯৫৯ ও ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে এবং ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান প্রতিষ্ঠার পর অন্য সব ধর্মভিত্তিক দলের সঙ্গে জামায়াতও নিষিদ্ধ হয়। ৭ বছর পর জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৯ সালের ২৫ মে আবার প্রকাশ্য রাজনীতির সুযোগ পায় জামায়াত।
নেতৃত্বের কোন্দ্বল  
দীর্ঘ ৮ বছর ধরেই এই সংগঠন নিপীড়নের শিকার। দলের শীর্ষ ও সিনিয়র নেতাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মৃত্যুদ-ও হয়েছে সংগঠনের শীর্ষ কয়েক নেতার। সাজাপ্রাপ্ত তবে চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষার পালা গুনছেন কয়েকজন। তারা কারাগারে। এই সংগঠনের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সকল স্তরের নেতাই মামলার শিকার। পরিবারের সদস্যদেরও মাশুল গুনতে হচ্ছে। কর্মীরা কিছুদিন নিজ ঘরে বসবাস করতে পারলেও অর্ধযুগ আগে থেকে পদধারী নেতারা ফেরারি জীবনযাপন করছেন। দিন যত যাচ্ছে নিপীড়নের খড়গ তত প্রখর হচ্ছে। জামায়াতপন্থীদের পরিবার থেকে রাজনৈতিক সংগঠন এখন অভিভাবকহীন। এমন পরিস্থিতিতে সংগঠনের নেতৃত্বের পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাওলানা মকবুল আহমাদকে আমির নিযুক্ত করা হয়েছে। কর্মপরিষদের পরামর্শক্রমে তিনি ৫ জনকে নায়েবে আমির, একজন সেক্রেটারি জেনারেল ও ৭ জন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত করেছেন। নায়েবে আমিরদের মধ্যে রয়েছেনÑ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাইদী, আব্দুস সোবহান, মজিবুর রহমান, মিয়া গোলাম পরওয়ার, আ ন ম শামসুল ইসলাম ও আতাউর রহমান। এদের মধ্যে সাঈদী ও সোবহান একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদ-ে দ-িত হয়েছেন।
নতুন নেতৃত্বে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে ডা: শফিকুর রহমানকে। ৭ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরা হলেনÑ এ টি এম আজাহার, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, এ টি এম মাসুম, মাওলানা আবু তাহের, ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে দ-িত হয়ে কারাগারে আছেন এ টি এম আজাহার। দেশজুড়ে এই সংগঠনের নেতাকর্মীদের দাবি ছিল আর যা-ই হোক নতুন কমিটি অন্তত নিষ্কন্টক হবে। যেসব অভিযোগে আজ সংগঠনটির বেহাল দশা সে বিষয়টি মাথায় রেখেই নতুন নেতা নির্বাচন করা হবে। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। বিতর্কিতদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। নবনিযুক্ত আমিরের বিরুদ্ধেও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম তার নিজ জেলা ফেনীতে তদন্ত করছেন। নিবতির্কতদের নিয়ে দলে চরম কোন্দল বিরাজ করছে। নেতৃত্ব কব্জায় রাখতে সংগঠনের আমির ক্ষুব্ধ নেতাদের প্রতি দলীয় গঠনতন্ত্র অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে গত ৫ বছরে জামায়াতসহ দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী ঠাঁই নিয়েছেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলে।    
হাতছাড়া হচ্ছে নিজে গড়া প্রতিষ্ঠান
অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যে দেশের এক নম্বর ব্যাংক ‘ইসলামী ব্যাংক’-এর পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। জামায়াত মতাদর্শের পরিচালকদের বিদায় করা হয়েছে। একইভাবে দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংক-বীমা, মিডিয়া-প্রযুক্তি, রিয়েল এস্টেট, পরিবহন সেক্টরে তাদের নিজেদের গড়া প্রতিষ্ঠান একে একে সবগুলোই হাতছাড়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদের আমূল পরিবর্তন এসেছে, আসছে।
এছাড়াও জামায়াত-শিবির পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ফোকাস কোচিং সেন্টার এবং মেডিক্যালে ভর্তির জন্য রেটিনা কোচিং সেন্টারের বিভিন্ন শাখা বন্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে ততধিকবার। শুধু রাজধানীকেন্দ্রিকই নয়, জেলা-উপজেলা এমনকি উপশহরে তাদের অসংখ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দেখা মেলে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের ওই সব প্রতিষ্ঠানে ধস নেমেছে। বন্ধ হচ্ছে আয়ের উৎস।
জোটেও দুর্বল অবস্থান  
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সাথে মিত্রতা করে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে জামায়াত। আবার ১৯৯৮ সালে আন্দোলন, নির্বাচন ও সরকার গঠনÑএই তিন ইস্যুতে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট গঠন করে জামায়াত। সরকারও গঠন করেছিল। চার দলের কলেবর বৃদ্ধি হয়ে এখন ২০ দল। সেই জোটে জামায়াতের অবস্থান যতটা মজবুত ছিল এখন সে অবস্থা নেই। এখন জোটের সাথে জামায়াতের সম্পর্ক শীতল। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বেলায় অনেক বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধির অনুপস্থিতি দেখা যায়। ইতোমধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও স্পষ্ট করেছেন যে, জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে আদর্শিক অমিল রয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সম্পর্ক শুধু সেই তিন ইস্যুতেই।



 

Show all comments
  • আতাউর রহমান সরকার ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ৩:৩৬ পিএম says : 2
    নিউজটির তথ্যনির্ভর মনে হয়নি।অনেকটা এক পেশে মনে হচ্ছে।আওয়ামী আমলে সবচেয়ে বেশি জুলুমের শিকার জামায়াত ও ছাত্রশিবির।প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে রাজনীতিতে অসততা, প্রতারণা ও অকল্যাণকর কাজের প্রাধান্য যেখানে বেশি সেখানে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণকর কাজে জামায়াত কাজ করেছে সব সময়। জামায়াত ছন্নছাড়া কে বলেছে? আমাদের দেশে যেখানে বিএনপি, আওয়ামীলীগের মতো দলগুলো যেখানে বছরের পর বছর কাউন্সিল করতে পারছেনা সেখানে ডিসেম্বরে শের্ষাধে শুরু করে অদ্য পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড, ইউনিট পর্যন্ত নেতা নির্বাচনের কাজ জামায়াত সুন্দরভাবে শেষ করেছে বলে তথ্য আছে। সেখানে গ্রুপিং এর প্রশ্নই আসেনা।রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে একমাত্র জামায়াতে গণতন্ত্র চর্চা বেশি রয়েছে।অধিকাংশ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য নেয়া জামায়াতের আভ্যন্তরীণ সুন্দর্যের আরেকটি দিক।দীর্ঘ সময়ে চলা আওয়ামী নিপীড়নে জামায়াত বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঠিক কিন্তু মুষড়ে পড়েনি।জনগণের ভালোবাসা ও দোয়ার বরকতে জামায়াত শক্তিশালী হয়েছে।মার্কা ছাড়া উপজেলা ও পৌর নির্বাচনে জামায়াতের ফলাফল তার বড় প্রমাণ। ২০দলীয় জোটে জামায়াতের অবস্থান দূর্বল ছিলনা কখনো এখনো নাই।দেশ, গণতন্ত্র রক্ষার প্রয়োজনে গঠিত জোটে জামায়াত দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে চলছে। অন্যান্য ইসলামী দল ও জোটের সাথে জামায়াতের সম্পর্ক এখনো মধুর। জামায়াত সবার অবদানকে স্বীকার করে এবং শ্রদ্ধার চোখে দেখে। জামায়াতকে স্পেস না দিয়ে মাঠে নাই বলা জুলুম। সময় ও সুযোগ পেলে জামায়াত তা প্রমাণ করবে। ইসলামী ব্যাংক দেশের কল্যাণ ও ইসলাম প্রিয় মানুষকে সুদের মতো বড় ধরণের অপরাধ থেকে বাঁচানোর জন্য করা হয়েছিল। এতোদিন কতৃপক্ষ সে ভূমিকাই রেখেছে। আওয়ামীলীগ তাদের হীন স্বার্থেই সেটা গায়ের জোরে দখল করেছে। এতে জামায়াতের চেয়ে দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বঞ্চিত হবে সেবা থেকে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mustak Ahmed ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১১:২৪ এএম says : 2
    কারও সুহানুবতী পাবার জন্য জামাত শিবির রাজনিতী করেনা। জামাত শিবির রাজনীতি আল্লাহর জমীনে আল্লহর দীন জন্য
    Total Reply(0) Reply
  • ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:৫১ পিএম says : 1
    এত কিছুরপরেও যখন দলটি টিকে আছ ।মনে হয় কেয়ামত পযনত আর কিছুই হবেনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Ahmed ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১০:২১ এএম says : 1
    Thanks for the article. In this critical juncture of Islam, Alems, Democracy and Country the motive of the writing is not clear & positive. Zamaat accepted Islam as a complete code of life to establish in all walks of life for the betterment of humanity. Role in country's economy is appreciable. It serves the nation by establishing several organisations like educational institutions.
    Total Reply(0) Reply
  • Azizul Haque ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১১:২৪ এএম says : 2
    জামায়াত ছন্নছাড়া নয় আফজাল বারীই ছন্নছাড়া । জামায়াতকে বুঝতে হলে আরো পাঁচ বছর স্টাডি করতে হবে ।
    Total Reply(0) Reply
  • Farouk Chowdhury ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১১:২০ এএম says : 2
    Mante parlamna, ekhon o jodi Sarkar jamaat ke meeting korar permission dey.. ami bolchi prithibite eto boro sommelon keu dekheni eta proman kore dekhabe
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১০:০৩ এএম says : 2
    লেখককে ধন্যবাদ, তবে আপনি যে লেখক হিসেবে অনুসন্ধানী নয় তা প্রমান মেলে। আপনি একদিকে বলছেন সকল ধরনের আইলা,সিডর, সুনামি তাদের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে, আবার আপনি অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতের সামাবেসের সাথে জামাতের মিছিলের সাথে তুলনা করছেন, আপনিই বলেছেন জামাতের সকল অফিস, প্রতিষ্ঠান বন্ধ, হামলা মামলায় তারা বিবর্যস্থ তাহলে কিভাবে হেফাজতের সমাবেশের সাথে জামাতের মিছিলের সাথে তুলনা করলেন। আর হেফাজততো আলাদা কোন সংগঠন না হেফাজতের সমাবেশেতো জামাতের লোকরাও শরিক হয়। আপনি যদি তুলনা করতেই চান তাহলে বিগত নির্বাচনের যে গুলো ফেয়ার হয়েছে সেগুলোর একটু তুলনা আপনি করতেন, তাহলেই বুঝা যেত তাদের অবস্থানটা কোথায? আর ইতহিাসের সর্ব নিকৃষ্ট জুলুমের পরেও যে তারা স্বগর্ভে টিকে আছে এটায়বা কম কিশের। এই জুলুম যদি অন্য কোন দলের হত বা আপনার দৃষ্টিতে সঠিক ইসলামি দলের উপর চলত তাহলে তাদের অবস্থা কি হত একটা বারকি ভেবেছেন?
    Total Reply(0) Reply
  • md. taleb ullah ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১০:৪১ এএম says : 1
    Lekhok mone hoy jamat birodi
    Total Reply(0) Reply
  • মুহাম্মাদ শফিউল্লাহ ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ৭:৫৮ এএম says : 16
    ইনকিলাব কে ধন্নবাদ.....
    Total Reply(0) Reply
  • Md.Naim ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১:০৭ এএম says : 1
    Rat joto gobir hoy,Vorer alo toto nikotvorti hoy..................
    Total Reply(0) Reply
  • হুমায়ন কবির ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ২:১৯ এএম says : 1
    জামায়াত তো ছন্নছাড়া ! অন্য কোন দল হলে হয়তো তাদের খুঁজেই পাওয়া যেতো না।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Abu Tayeb ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:৪৪ এএম says : 3
    You have provided wrong information about Jamaat islami. You are ...............
    Total Reply(0) Reply
  • আবদুল্লাহ ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ৩:৩৮ পিএম says : 2
    জামায়াতের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এটা সাময়িক। ছন্নছাড়া হলেও জামায়াতের সমর্থকরা আগের মতই আছে, পার্থক্য শুধু সাময়িক কাজ বন্ধ করে সু সময়ের জন্যে আপেক্ষা।
    Total Reply(1) Reply
    • Latif ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭, ৭:৪৭ এএম says : 0
      ........... ............ writer
  • Abul Asad ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ৪:০৮ পিএম says : 1
    ইসলামী আন্দোলনের সফলতা-অসফলতা আর বুর্জুয়া রাজনীতির সফলতা-ব্যর্থতার মানদন্ড কখনই এক হতে পারেনা। জামায়াতে ইসলামীর উপর যে অবর্ননীয় জুলুম-নিপিড়ন হচ্ছে এতে ইসলামী আন্দোলনের বিজয়ের ক্ষনই এগিয়ে আসছে ইন শা আল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • Absar ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ৫:৫১ পিএম says : 0
    LEKHOK AR VAB KHANI DHAKAY MONAY HOY ONEE ONAK BORO PONDIT. ASHOLAY AKTA .................. A TA KONO REPORT HOLOY.
    Total Reply(0) Reply
  • Kamal Hossain ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, ৬:১৬ পিএম says : 0
    অনেকটা এক পেশে মনে হচ্ছে
    Total Reply(0) Reply
  • জাহিদুল ইসলাম খান ১১ জানুয়ারি, ২০১৭, ৮:৫৪ এএম says : 0
    হকের পথে যারা থাকে তাদের সামনে বাধা আসবেই। শত প্রতিকূলতা কখনো ইসলামকে আটকাতে পারেনি।পারবেনা জামাত কে ও
    Total Reply(0) Reply
  • Amzad ১১ জানুয়ারি, ২০১৭, ২:২৫ পিএম says : 0
    আপনারা সংবাদ ভুল
    Total Reply(0) Reply
  • md. taleb ullah ১১ জানুয়ারি, ২০১৭, ৫:১৫ পিএম says : 0
    ....... news
    Total Reply(0) Reply
  • momin ১১ জানুয়ারি, ২০১৭, ৭:৫১ পিএম says : 0
    wrong
    Total Reply(0) Reply
  • এহসান সাবরী ১২ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০৫ এএম says : 2
    এরকম রিপোর্টার আরো দরকার। হিন্দি সিরিয়ালে আর বিনোদন পাওয়া যায়না। জাতি বিনোদন সঙ্কটে ভুগছে!!
    Total Reply(0) Reply
  • আবদুল্লাহ ১২ জানুয়ারি, ২০১৭, ১:৪১ পিএম says : 0
    ভিত্তিহীন নিউজ।
    Total Reply(0) Reply
  • MD. NURA ALAM ১২ জানুয়ারি, ২০১৭, ৭:৫৭ পিএম says : 0
    JAMAT SOB KESU KORA ALLAHAR JONNO
    Total Reply(0) Reply
  • নেছার উদ্দিন ১৩ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:৩৯ পিএম says : 0
    এটা কি সাংবাদিক না ......... বুঝতে পারলাম না।
    Total Reply(0) Reply
  • এনাম ১৩ জানুয়ারি, ২০১৭, ১১:০৬ পিএম says : 4
    লেখক সঠিক লিখেছেন। কোনও পক্ষপাত করেন নি। এটাই আমাদের সমস্যা, আমরা গঠনমূলক সমালোচনা শুনতে অপছন্দ করি।
    Total Reply(0) Reply
  • TMA ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭, ১:২৭ এএম says : 0
    Sob Kalponik Kotha
    Total Reply(0) Reply
  • মুহাম্মদ শিবলী বাঁশখালী ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০৩ পিএম says : 0
    লিখাটা পড়ে যা পেলাম, জামায়াত ছন্নছাড়া নয়, বরং .....................
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ