Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০১৭, ১৭ চৈত্র, ১৪২৩, ২ রজব ১৪৩৮ হিজরী।

খুলনার উন্নয়ন মেলায় জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ছিল এলজিইডি স্টল

| প্রকাশের সময় : ১২ জানুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

খুলনা ব্যুরো : খুলনা ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার গতকাল ছিল শেষদিন। খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলার বিভিন্ন স্টলের প্রদর্শনীতে সেবার নানাদিক তুলে ধরা হয়। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ও উন্নয়নের তালিকায় এগিয়ে ছিল খুলনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
খুলনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) স্টল থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পল্লী সড়ক শুধুমাত্র সড়কই নয়; কর্মসংস্থান, জীবিকা ও উন্নততর জীবনেরও অবলম্বন। পল্লী সড়কের হাত ধরেই আসে কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য প্রবেশগম্যতা, দারিদ্র্য মুক্তি এবং সর্বোপরি মানব উন্নয়ন। তাই, পল্লী সড়ক উন্নয়ন বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত বিষয়। গত ৮ বছরে খুলনার ৯ উপজেলায় মোট ৮৮৩.৭১৫ কিলোমিটার পল্লী সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এ কাজে মোট ৩২২.২৭৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বর্তমানে, ১৯৭.০২৮ কিলোমিটার সড়কের কাজ চলমান আছে। চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে আগামী দু’বছরে আরো প্রায় ২৫০.০০ কিঃমিঃ সড়ক নির্মিত হবে। এছাড়া গত ৮ বছরে খুলনার ৯ উপজেলায় মোট ৩২৫.০০ কিঃমিঃ পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে। বর্তমানে, প্রায় ৫৪.৭৫ কিঃমিঃ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান আছে। এ কাজে মোট ১০২.১৮৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
অপরদিকে, গ্রামীণ জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে এলজিইডি ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ করে আসছে। গত ৮ বছরে খুলনার ৯ উপজেলায় মোট ১৭৯৭.১৭৪ মিটার দৈর্ঘ্যরে ৪৭টি ব্রিজ/কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এই কাজে ৬৫.০৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে, ৯২৫.৭০ মিটার ব্রীজ/কালভার্টের কাজ চলমান আছে। চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে আগামী দু’বছরে আরো প্রায় ১২৭০.০০ মিটার ব্রীজ/কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।
গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীল সঞ্চালনে হাটবাজার, ঘাট নির্মাণও প্রয়োজন। তাই গত ৮ বছরে খুলনার ৯ উপজেলায় উপজেলা পরিষদ কমপেক্স নির্মাণ/সম্প্রসারণ ১টি, ইউনিয়ন পরিষদ কমপেক্স ভবন ১৭টি, হাটবাজার/ঘাট ৩৩টি নির্মাণ এবং উপজেলা সার্ভার স্টেশন ৮টি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মোট ৩১.৬৮৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন ৪টি ও হাটবাজার উন্নয়ন ৬টি কাজ চলমান আছে। চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে আগামী দু’বছরে আরো ১০টি  ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, ১৫টি হাটবাজার/ঘাট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া গত ৮ বছরে খুলনার ৯টি উপজেলায় ২৭৬টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ সম্প্রসারণ এবং উপজেলা রিসোর্স সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। ৫৩টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা হয়েছে।  
অপরদিকে, ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ৩৮.৩৪ হেক্টর জমির পানি সম্পদ উন্নয়ন করা হয়েছে। এতে ৪.৩৪৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মাধ্যমে ৫টি উপ-প্রকল্পের ৩৫.২২৪ কিঃমিঃ খালখনন, ২.৮০ কিঃমিঃ বাঁধ নির্মাণ এবং ২টি সøুইস গেট/রেগুলেটর/রাবার ড্যাম নির্মাণ করা হয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে আগামী দু’বছরের মধ্যে ৩টি উপ-প্রকল্প উন্নয়ন করা হবে।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ