Inqilab Logo

ঢাকা, রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৮ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

কাজের গুণগতমানের ক্ষেত্রে অবলম্বন করা হবে জিরো টলারেন্স নীতি

কুমিল্লায় এলজিইডি’র কর্মশালায় প্রধান প্রকৌশলী

| প্রকাশের সময় : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

কুমিল্লা থেকে, স্টাফ রিপোর্টার : কাজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর- এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী বলেছেন, দেশের উন্নয়ন কর্মকাÐের একটি অন্যতম অংশ এলজিইডি। কাজেই এলজিইডির কাজের গুণগতমান নিঃসন্দেহে অনেক ভালো হতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সকল প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। অধিকতর স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কাজের গুণগতমানের প্রশ্নে কোন রকম আপোস কারা যাবে না। কাজের ক্ষেত্রে প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের অনেক বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। এলজিইডির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর সবকিছু চাপিয়ে দিয়ে দোষমুক্ত থাকবেন এমন সুযোগ নেই। দুইপক্ষকেই কাজের অগ্রগতি ও মানের বিষয়ে জবাবদিহী করতে হবে।
গতকাল শুক্রবার সকালে কুমিল্লা নগরীর ধীরেন্দ্রনাথ সড়কের পাশে অবস্থিত এলজিইডি ভবন চত্বরে অনুষ্ঠিত এলজিইডি’র আওতায় কুমিল্লা অঞ্চলে উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে ছয় জেলার এলজিইডি’র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান প্রকৌশলী এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী আয়োজিত ওই কর্মশালা ও পর্যালোচনা সভায় উদ্বোধনী ও সমাপনী বক্তব্যে প্রধান প্রকৌশলী আরও বলেন, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আর সরকারের উন্নয়নের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের প্রয়াস চালাচ্ছে এলজিইডি। পর্যালোচনা সভায় প্রধান প্রকৌশলী জানান, বর্তমান অর্থবছরে সারাদেশে এলজিইডি প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এরমধ্যে কুমিল্লা অঞ্চলের ছয়টি জেলায় প্রায় ৪০টি প্রকল্পে আড়াই হাজার কোটি টাকার কাজ হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন অবহেলা মেনে নেয়া হবে না।
জলবায়ু সহিষ্ণু ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, কৃষি, মৎস্য, ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পসহ গ্রামীণ, নগর ও পানি সম্পদ উন্নয়নে দেশের অন্যান্য জায়গার ন্যায় কুমিল্লা অঞ্চলেও এলজিইডি’র আওতায় উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন চলছে। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ছাড়াও ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবি, জাইকা, সউদী ফান্ড, ইফাড, ডানিডা, জলবায়ু ট্রাস্টফান্ড ও ড্যাচের অর্থায়ন রয়েছে ওইসব প্রকল্পে। দেশ উন্নয়নের পথে এগুচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান প্রকৌশলী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে দেশ শক্তিশালী ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
পর্যালোচনা সভা ও কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এলজিইডি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীদের মধ্যে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (নগর ব্যবস্থাপনা), ইফতেখার আহমেদ (পরিকল্পনা), মো. জয়নাল আবেদীন (রক্ষণাবেক্ষণ), তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী (ডিজাইন) খন্দকার আলী নূর, নির্বাহী প্রকৌশলী (শিক্ষা) মো. ওয়াহিদুর রহমান। উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) স্বপন কান্তি পাল ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মীর ইলিয়াস মোরশেদ। কুমিল্লা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সুমন তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কুমিল্লা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলীদের মধ্যে কুমিল্লার স্বপন কান্তি পাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. রায়হান সিদ্দিকী, চাঁদপুরের জিএম. মুজিবুর রহমান, নোয়াখালীর এম.এ. সাত্তার, ফেনীর মো. সিরাজুল ইসলাম, ল²ীপুরের মো. মঞ্জুরুল ইসলামসহ ছয় জেলা এবং ৩৫ উপজেলার এলজিইডি’র বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় চার শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নীতি

২০ জুলাই, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ