Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

২১শের ছড়া

| প্রকাশের সময় : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, ১২:০০ এএম

গোলাম নবী পান্না
বাংলাভাষা

মুখের ভাষা, মায়ের ভাষা
যা-ই বলি না কেনো
এই ভাষাটি পাবার স্মৃতি
কেউ ভোলো না যেনো।

বায়ান্ন সাল ফেব্র“য়ারীর
একুশ তারিখ এলে
জাতির জন্য বাংলাভাষা
রক্ত ঋণে মেলে।

রক্ত দিলেন রফিক, সালাম,
বরকত, জব্বার
শফিউরও তাদের সাথেÑ
প্রিয় আজ সব্বার।

তাঁদের মহান ত্যাগে পেলাম
বাংলাভাষার বুলি
শহীদ দিবস এলেই শুধু
তাঁদের কথা তুলি।


শ্যামল রায়
বই মেলার ধুলো

বই মেলার ধুলোয় ঘুরতে ভাল লাগে বেশ
নানা নতুন বইয়ের ঘ্রানে মুগ্ধ পরিবেশ
বাংলা একাডেমী আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
আনন্দ উচ্ছ্বাসে সবাই একই আহ্বানে
ধুলোমাখা একটি বিকেল কাটে খুশী মনে
মুক্তমনের লেখক পাঠক নতুন সম্ভাষণে
কত্ত লেখা বিত্তজনের বিচিত্র সব বাণী
আনছে তুলে প্রকাশকরা কষ্ট করে জানি
বিদ্যা জ্ঞানের ঘটছে প্রকাশ দেখি এবং শুনি
মেলায় জড়ো সারাদেশের অনেক জ্ঞানিগুণী।

কে.এইচ.মাহাবুব
বইয়ের খোঁজে

বই মেলোর’ই বইয়ে
দেখি দুজন সইয়ে
সাইদ ভাই’র বই খোঁজে
উঠে বাঁশের মই’এ।
আহাদ আলী মোল্লা
গেল কি সে গোল্লা?
হাজার’টা ছড়া লিখে
ভরে তোলেন ঝোল্লা।
সৈয়দ শরীফ ভাই’এ
না গোসল না খাইয়ে
থাকেন সদা ব্যস্ত
দেখি একবার যাই’এ।
বজলুর রশিদ ভাই
তাঁর তো জুড়ি নাই
ফেইজবুক পাতা ভরে সে
নিজ মনে গান গাই।

মুহাম্মদ নাজমুল ইসলাম
২১মানে

একুশ মানে চেতনা আমার,
মায়ের ভাষায় কথা বলার;
স্বাধীন একটা দেশের জন্য,
সবাই মিলে যুদ্ধ করার।
একুশ মানে লুকানো বীজ,
একাত্তরে ফলবে ফসল;
রাজপথের ঐ লা রক্ত,
একদিন তা হবেই সফল।
২.
একুশ মানে ফিরে পাওয়া,
মোদের সব অধিকার;
বুক ফুলিয়ে বলতে পারি,
বাংলা আমার অঙ্গিকার।
একুশ মানে প্রভাত ফেরী,
শীতের চাদর জড়িয়ে গায়ে;
সবার হাতে ফুলের তোড়া,
হাঁটছি সবাই খালি পায়ে।

জাবির মাহমুদ
ঋতুরাজ

শিমুল ফুলের ঘ্রাণ মাখা ওই বসন্ত
আসল ফিরে তাইতো পাগল এ মন তো,
হলদে পাতা রোজ নিশিদিন ঝরছে দেখ্
নীলাম্বরের নীল নীলিমায় নেইতো মেঘ।
হৃদয়কাড়া কোন সে বাঁশীর মধুর সুর
পাগল করে মনটা কাড়ে দিনদুপুর,
মিষ্টি সুরের উদাস করা কোকিল গান
ভাবের আবেশ জাগায় মনে, পুলক প্রাণ।
সবুজ পাতা করছে মিছিল গাছের ডাল
দগ্ধ ভালে সুখের ছোঁয়া এ কোন কাল!
নতুন করে বাঁচতে শিখায়, নতুন পণ
বনের পথে আঁধার-আলোয় আলিঙ্গন।
হাসনাহেনার ঘ্রাণ মোড়ানো দিঘল রাত
জ্যোৎ¯œার আলো চুইয়ে পরে ভূবন ¯œাত,
হরেক রকম ফুল পাখিদের মিলন আজ
শান্ত পদে আসল ফিরে ঋতুর রাজ।
তাই মেতেছে উৎসবে আজ সবুজ বন
ফুলের গালে ভোমর, পাখির অলিম্পন,
বস্তনের এই আগুন রাঙা ফাগুন দিন
চিত্তে সবার উঠুক বেঁজে সুখের বীণ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।