Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২৭ মে ২০১৭, ১৩ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৪, ৩০ শাবান ১৪৩৮ হিজরী

লিটন হত্যা মামলার আসামি কতজন?

| প্রকাশের সময় : ৪ মার্চ, ২০১৭, ১২:০০ এএম

মুহাম্মদ রেজাউর রহমান : দেশের কোটি কোটি সংবাদপত্র পাঠক ও টেলিভিশন দর্শক ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় যখন জানতে পারেন, গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনকে ৩১ ডিসেম্বর হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী নবম জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য ডা. কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তখন তারা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে পড়েন। বাস্তব যে, কখনও কখনও কল্পনার চেয়েও বিস্ময়কর হতে পারে- লিটন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ডা. কাদের খানের গ্রেফতার ও পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তিতে এটা আবার প্রমাণিত হয়। সমাজে মূল্যবোধের যে কী পরিমাণ অবক্ষয় ঘটেছে সংসদ সদস্য লিটন হত্যা তার আরেকটি জলজ্যান্ত প্রমাণ।
ক্ষমতা ও ক্ষমতায় থেকে অপরিসীম অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার লোভ যে একটি সচ্ছল পরিবারকে কত সহজে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে, লিটন হত্যা যেন সকলের চোখে আঙ্গুল দিয়ে তা দেখিয়ে দিল। লিটন হত্যার কারণ হিসেবে একটি জাতীয় দৈনিকে শিরোনাম হয়েছে “এমপি হওয়ার জন্য এমপি খুন।” শিরোনাম হলে ভালো হতো “পুনরায় এমপি হওয়ার জন্য এমপি খুন।” কারণ ডা. কাদের খান ২০১৪ সালের জানুয়ারির ৫ তারিখ পর্যন্ত গাইবন্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। দশম সংসদের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনজুরুল ইসলাম লিটনের সাথে প্রতিদ্ব›িদ্বতায় হেরে যান। সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তির স্বাভাবিকভাবেই অবসান ঘটে। তবে এটা মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। তাই এক বছর যাবৎ সংসদ সদস্য লিটনকে চিরতরে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনায় ছিলেন। ছয় মাস যাবৎ তার সাহায্যনির্ভর তিনজন তরুণকে অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরা গত বছরের অক্টোবর মাসেও একবার লিটনকে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরিকল্পনা ছিল ঢাকা থেকে গাইবান্ধা ফেরার পথে সড়কে লিটনের গাড়িকে ধাক্কা দেয়া হলে লিটন গাড়ি থেকে নেমে এলে তাকে গুলি করা হবে। কিন্তু লিটন বিকল্প সড়কপথে গাইবান্ধায় ফিরে এলে হত্যা পরিকল্পনা তখন সফল হতে পারেনি। অবশেষে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার আগে লিটনকে বাড়িতে ঢুকে হত্যা করা হয়।
নবম জাতীয় সংসদে ডা. কাদের খান জাতীয় পার্টির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। লিটন হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান জাতীয় পার্টির কেউ নন এবং গত তিন বছর দলের সাথে তার কোনো যোগাযোগও নেই। জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্যে প্রমাণিত হয় যে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে ডা. কাদের খান জাতীয় পার্টিকে নিজের সংসদ সদস্য হওয়ার ইচ্ছাকে চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহার করেছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে মনজুরুল ইসলাম লিটনের কাছে পরাজিত হওয়ার পরে তার কোনো দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কথা জানা যায় না। অর্থাৎ রাজনীতিকে তিনি গ্রহণ করেছিলেন আরও উপরে ওঠার সিঁড়ি হিসেবে। রাজনীতি বা সমাজের উন্নয়নের প্রতি তার কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। জাতীয় সংসদের একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে সুন্দরগঞ্জ গাইবান্ধা-১ আসনের উন্নয়ন খাতে সরকারের কাছ থেকে এক কোটি টাকার তহবিল আসে দশম সংসদ নির্বাচনে লিটন জয়ী হওয়ার পরে। ওই টাকার পুরোটাই দাবি করেন ডা. কাদের খান। লিটন তাতে বাদ সাধলেও তহবিলের ১৭ লাখ টাকা উত্তোলনে সমর্থন হন ডা. কাদের খান। তার দাবির স্বপক্ষে যুক্তি ছিল টাকার বরাদ্দ হয়েছিল তার মেয়াদকালীন সময়ে। লিটনের সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটলে তাকে পথের কাঁটা মনে করে চিরতরে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন ডা. কাদের খান এবং ৩১ ডিসেম্বর তার আশ্রিত এবং অস্ত্র চালনায় তার কাছ থেকেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তিন তরুণ মেহেদী, শাহীন ও রানা লিটনকে চিরতরে সরিয়ে দিতে সমর্থ হয়।
লিটন হত্যার ফলে গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে দশম জাতীয় সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ১৯ ফেব্রæয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। ২২ মার্চ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন ডা. কাদের খান। কিন্তু ১৬ ফেব্রæয়ারি থেকেই পুলিশ তার বগুড়া শহরের বাড়ি ও ক্লিনিক পাহারা দিতে শুরু করায় কার্যত নজরবন্দি ডা. কাদের খান আসন্ন উপনির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা না করার ঘোষণা দেন। কিন্তু পুলিশ তার বাড়ি ও ক্লিনিকে সার্বক্ষণিক অবস্থান নেয়ার আগেই তার মুঠোফোনে আড়ি পেতে জানতে পারে যে, তিনি আসন্ন উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হোসেন পাটোয়ারীকেও হত্যা করার তাগিদ দিচ্ছেন তার নিযুক্ত খুনিদের। শামীম হোসেন পাটোয়ারী পুলিশের কাছ থেকে এ সম্বন্ধে জেনে অবাক হয়েছেন। পদ ও পদবির মোহ, ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির লোভ, অর্থবিত্তের বাসনা সমাজের উঁচু আসনে অধিষ্ঠিত একজন ব্যক্তিকে কীভাবে অন্ধ গলি পথে চালিত করে ধ্বংসের দিকে টেনে নিতে পারে, ডা. আবদুল কাদের খান তার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন। হত্যাকারী হিসেবে তিনজন তরুণকে গড়ে তুলে ও নিজের গাড়ির ড্রাইভারকে হত্যার সাথে জড়িত করে চারজন ও তাদের পরিবারকে যে শোচনীয় পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছেন ডা. কাদের খান, তা যতটা না আক্ষেপের, ততটাই হচ্ছে নিন্দার। তার অতি কদর্য অপরাধ প্রবণতা তাকেসহ অন্য চারজনকে ঠেলে দিয়েছে ফাঁসিকাষ্ঠ বা দীর্ঘ কারাদÐের পরিণতির দিকে।
সংসদ সদস্য লিটন হত্যার ঘটনার জের ধরে অন্য আরো ১৫৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে পুলিশকে অন্ধকার ঘরে সুই খোঁজার মতো খুনিদের খুঁজতে হয়েছে। গ্রেফতার কাউকেই খুনি হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে প্রচলিত ধারা অনুযায়ী দেশের শীর্ষ পর্যায় থেকে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধেই সন্দেহের তীর ছোড়া হচ্ছিল। জাতীয় সংসদেও প্রধানমন্ত্রী জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে লিটনের রুখে দাঁড়ানোর প্রশংসা করে তাদের দ্বারাও হত্যাকাÐ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন। প্রাথমিক পর্যায়ে জামায়াত-শিবিরকে সন্দেহ করার পরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে যারা লিটন-বিরোধী ছিল এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদেরও অনেককে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আবদুল কাদের খান ও গ্রেফতার তার দ্বারা নিযুক্ত তিন খুনি ও তার গাড়ির ড্রাইভারÑ এই পাঁচজনই ১৬৪ ধারা অনুযায়ী খুনের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে খুন করার আগে পরের সকল ঘটনা বিবৃত করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পরে প্রকৃত অপরাধীদের সম্পর্কে কারো কোনো সন্দেহ থাকার প্রশ্ন একেবারেই অবান্তর।
পুলিশও অকাট্য প্রমাণ পেয়েছে কাদের খান গংদের লিটন হত্যার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার। এখন যে কোনো মানবিক বিবেচনায় লিটন হত্যার পরে গ্রেফতার ১৫৫ জনের আশু মুক্তি ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার করে মামলা তুলে নেয়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কিন্তু প্রচলিত আইনে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে কারাগারেই থাকতে হবে। অথচ মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থের জোগানদাতাসহ পাঁচজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক যে জবানবন্দি দিয়েছেনÑ এরপরে কারো মনে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না যে, আগে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিলÑ তারা কেউই লিটন হত্যার সাথে জড়িত নয়।
গাইবান্ধার জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের যারা লিটন-বিরোধী মনোভাবাপন্ন ছিলেনÑ এরকম ১৫৫ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করার পরে ২৩ জনকে হত্যা মামলার আসামি ও অন্যদেরকে বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা ও সন্ত্রাসবিরোধী নতুন চারটি মামলা রুজু করে আটক করেছিল। দুই মাস যাবৎ কারাগারে থাকা এই দেড় শতাধিক ব্যক্তির পরিবার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হয়েছেন শুধু ক্ষমতার স্বাদ থেকে তিন বছর যাবৎ বঞ্চিত একজন সাবেক সংসদ সদস্য কর্তৃক বর্তমান সংসদ সদস্যকে হত্যা করার কারণে। লিটন হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছিল যে ২৩ জনকে তাদের মধ্যে ২১ জন হচ্ছে জামায়াতের, বাকি দুজন হচ্ছে আওয়ামী লীগের মধ্যে যারা লিটন-বিরোধী রাজনীতি করতেনÑ তারা দুজন হচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের অন্যতম মাসুদুর রহমান মুকুল। লিটন হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ কোর্টে দাখিল না করা পর্যন্ত অন্য অভিযুক্তদের মতো আওয়ামী লীগের দুজনকেও কারাগারেই থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হত্যার পেছনে জামায়াতে ইসলামীরই ভূমিকা থাকতে পারেÑ এ সহজ সমীকরণ করার কারণ হচ্ছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে জামায়াতের মোটামুটি শক্তিশালী অবস্থান এবং সংসদে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিহত লিটনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সময়ে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে তার কর্মকাÐের বিবরণ তুলে ধরা। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এখনও বৃহত্তম বিরোধী দল হিসেবে বিবেচিত বিএনপি ও বিএনপি নেত্রী এবং জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে যেভাবে যে ভাষায় সমালোচনামুখর থাকেন, তার মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য এবং দলের জাতীয় ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ের দলীয় নেতৃবৃন্দ তার মধ্যে অধিকতর সমালোচনার বেমানান ভাষা যোগ করে বিষোদগার করে নিজের বাকপটুতা প্রমাণ করতে সচেষ্ট থাকেন। লিটন-হত্যার পরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ও গাইবান্ধার জেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ হত্যার দায় বিএনপি ও জামায়াতের ওপর চাপিয়ে দিয়ে যেভাবে কোরাস গাইতে শুরু করেন তারই ফলশ্রæতিতে পুলিশের গ্রেফতার তালিকায়ও এই দুই দলের নেতা-কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৯৯%। গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, লিটন হত্যার পরে দলের ১২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে লিটন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ২১ জনকে। অবশিষ্ট ১০২ জনকে পুলিশ কর্তৃক নতুনভাবে দায়ের করা বিস্ফোরক আইনে তিনটি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। বিএনপির গাইবান্ধা জেলা নেতৃবৃন্দ জানান, তাদের দলের ৩০ জনের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। বিএনপির জেলা নেতৃবৃন্দের অভিযোগ হচ্ছে, পুলিশ কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় বিপুল সংখ্যক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করার দরুন এক মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলায় পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে।
সংসদ সদস্য লিটন হত্যা মামলার রহস্য বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আবদুল কাদের খান ও তার চার সহযোগীসহ পাঁচজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশের তদন্তেও আসামিদের স্বীকারোক্তির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে গ্রেফতার ১৫৫ জনকে অবিলম্বে বেকসুর খালাস প্রদান করে তাদেরকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার দুর্লভ সুযোগ সরকার, পুলিশ ও বিচার বিভাগের সামনে এসেছে- সকল কর্তৃপক্ষেরই তা গ্রহণ করা উচিত। সেই সাথে বন্ধ হওয়া উচিত অনুমান-নির্ভর যে কোনো গণগ্রেফতার। লিটন হত্যা মামলায় প্রমাণিত হয়েছে, যে ১৫৫ জনকে প্রায় দুই মাস যাবৎ আটক করে কারাগারে রাখা হয়েছে, তাদের কেউই লিটন হত্যার সাথে জড়িত ছিল না।
লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।