Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭, ১৪ জামাদিউস সানী ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

ইবিতে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষকসহ ৪ জন বহিষ্কার ফের ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

| প্রকাশের সময় : ৭ মার্চ, ২০১৭, ১২:০০ এএম


আব্দুল্লাহ আল ফারুক : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ‘এফ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষকসহ ৪ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৩তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষক হলেন গণিত বিভাগের সভাপতি ড. নুরুল ইসলাম। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের একছাত্রের ছাত্রত্ত¡ ও সার্টিফিকেট বাতিলসহ দুইজন কর্মচারীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসাথে ‘এফ’ ইউনিটে পুনঃভর্তির জন্য সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের অনার্স ভর্তি পরীক্ষা গত ৪-৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিনে তৃতীয় শিফটে অনুষ্ঠিত হয় ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের পরীক্ষা। ওই পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ইউনিট সমন্বয়কারী ড. নুরুল ইসলামের মাধ্যমে উত্তরপত্রসহ প্রশ্নপত্র বাইরে চলে যায়। প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সচেতন মহল ভিসি ড. রাশিদ আসকারীর বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোস্তফা কামালকে আহŸায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত ৪ মার্চ দুপুর ২টায় কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে সাত পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি প্রমাণিত হয় এবং এ ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট ইউনিট সমন্বয়কারী ও গণিত বিভাগের সভাপতি ড. নুরুল ইসলাম, একই বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র মনোজিৎ কুমার, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার সিনিয়র অডিটর সাইফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ফটোকপি অপারেটর আলাউদ্দিন আলাল ও স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক মিজানুর রহমানের (লাল্টু ডাক্টার) সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ড. নুরুল ইসলাম, কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও কর্মচারী আলাউদ্দিনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মনোজিৎ কুমারের ছাত্রত্ব ও অনার্সে অর্জিত সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধি অনুয়ায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। এদিকে ‘এফ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনঃভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইবি

১১ নভেম্বর, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ