Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৮ আশ্বিন ১৪২৪, ০২ মুহাররম ১৪৩৮ হিজরী

ওষুধের অপপ্রয়োগে হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য

| প্রকাশের সময় : ১৫ মার্চ, ২০১৭, ১২:০০ এএম

মো. ওসমান গনি : অনেক আগ থেকে আমাদের দেশে মানবদেহ রক্ষাকারী ওষুধের যত্রতত্র ব্যবহারের ফলে এখন জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ছে। ওষুধের সুষ্ঠু প্রয়োগ ও পরিমাণ মতো ডোজ ব্যবহার না করার কারণে এখন আমাদের দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ধবংসের দারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। হালকা জ্বর হলে সাধারণ মানুষ ওষুধের দোকানে গিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো ওষুধ কিনে খায় জ্বর ভাল হওয়ার জন্য কিন্তু সেখানে হিতে বিপরিত হয়ে দাঁড়ায়। তার কারণ ওষুধ সম্পর্কে তার কোন ধারণা না থাকার কারণে উপকারের পরিবর্তে তার বেশির ভাগ ক্ষতিই হয়ে থাকে। আমাদের দেশে ওষুধ বিক্রি করার কোন নিয়মনীতি না থাকার কারণে ওষুধ দোকানদার ও তার ইচ্ছামতো ওষুধ বিক্রি করে থাকে বেশি লাভের আশায়। ওষুধে রোগির ভালো কি মন্দ হবে সেটা তার দেখার বিষয় না। তার চাহিদামতো লাভ হলেই হলো। সরকারি কোন নিয়মনীতি না থাকার কারণে আমাদের দেশে যে কোন লোক ওষুধ ব্যবসা করতে পারে। যাদের কোন ওষুধের গুণাগুণ সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোন ধারণা নেই। কয়েকদিন কোন ওষুধের দোকানে থাকলেই সে মনে করে ডাক্তার হয়ে গেছে। তারপর বেশি লাভের আশায় নিজে ডাক্তার সেজে ওষুধের দোকান খুলে বসে। শুরু করে মানুষের সাথে ওষুধ বিক্রির নামে প্রতারণার ব্যবসা। বিভিন্ন বেনামি কোম্পানির ওষুধের ব্যবসা করে অতিসহজে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়ে যায়। আর সাধারণ মানুষ তাদের ধোকায় পড়ে ওষুধ খেয়ে আরও জঠিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তাছাড়া ওষুধ খাওয়ার যে নিয়মনীতি রয়েছে বা যে পরিমাণ বা ডোজ মতো ওষুধ খাওয়ার কথা তা না খাওয়ার কারণে রোগও ভালো হয় না। কোন ওষুধ কতদিন খেতে হবে তা না জানার কারণে সাধারণ মানুষের বেশি ক্ষতি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের অভিমত হলো, আমাদের দেশের রোগীরা ধৈর্য ধরতে চায় না, দ্রæত সুস্থ হতে চায়। তাড়াতাড়ি আরোগ্য পেতে কম মাত্রার ওষুধের চেয়ে বেশি মাত্রার ওষুধে তাদের নির্ভরতা বাড়ছে। ওষুধ দোকানদার ও ডাক্তাররা তাদের সুনাম বজায় রাখতে অনেক চিকিৎসকও ব্যবস্থাপত্রে বেশি মাত্রার ওষুধ লিখছেন। বাজার বুঝে ওষুধ কোম্পানিগুলোও বেশি মাত্রার ওষুধ ছাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যথেচ্ছভাবে উচ্চমাত্রার ওষুধ ব্যবহারের ফলে অনেক সময় তা কার্যকারিতা হারায়। আর অপ্রয়োজনে উচ্চমাত্রার ওষুধ সেবনে মানবদেহে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে তা কিডনি, লিভার ও হৃৎপিÐের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। দেখা দিতে পারে দীর্ঘমেয়াদি জটিল রোগ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা তো শুধু ডাক্তারদের দিকেই দেখেন। কিন্তু রোগীরাও তো ধৈর্য রাখতে পারে না। সবাই চায় তাৎক্ষণিক উপকার। এক ডোজ ওষুধ খেয়েই সবাই ভালো হয়ে যেতে চায়। তা না হলেই নতুন ডাক্তার খোঁজে। ওষুধ কোম্পানিগুলোও রোগীদের মন বুঝে গেছে। তারা ভালো ব্যবসা পাওয়ার আশায় রোগীদের মন রক্ষায় নানা ফন্দি-ফিকির করে উচ্চমাত্রার ওষুধে রোগীদের নিভর্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের অনেক ডাক্তারও এমন রোগী ও ওষুধ কোম্পানির মন রক্ষায় মেতে থাকেন। তবে যেসব ডাক্তার রোগীর অবস্থা আর ওষুধ সম্পর্কে একটু ভালো করে যাচাই-বাছাই করার ক্ষমতা রাখেন তারা এমন ক্ষতিকর চর্চা করেন না।’
সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, ওষুধ কোম্পানিগুলো এখন বেশির ভাগই উচ্চমাত্রার ওষুধ তৈরির লাইসেন্স চায়। আগে থেকে প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের স্বল্পমাত্রার ওষুধের সঙ্গে নতুন সমন্বয় করে সেই ওষুধ বাজারে আনতে মরিয়া হয়ে ওঠে তারা। অ্যান্টিবায়োটিক থেকে শুরু করে অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রেও কোম্পানিগুলোর এ প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে অনেক জেনেরিক (মূল) ওষুধের কার্যকারিতা ইতিমধ্যে কমে গেছে, কিছু ওষুধের কার্যকারিতা কমতির দিকে। অনেক ওষুধই এ দেশের মানুষের শরীরে আগের মতো কাজ করছে না। এসব ওষুধের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। যার প্রভাবে সংশ্লিষ্ট ওষুধগুলোর ব্যবসায় দেখা দেয় মন্দাভাব। এ অবস্থায় তেমন কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা বাছবিচার না করেই ওষুধ কোম্পানিগুলো বাজারে আনছে আগের জেনেরিকের সঙ্গে ‘প্লাস’ কিংবা ‘এক্সট্রা’ কিংবা ‘কম্বো’ বিশেষণের নানা সমন্বয়ের ওষুধ, যা মূলত এক ধরনের ‘ডোজ কারসাজি’ যা প্রতারণা। অনেক সময় কম্বিনেশন ওষুধে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়ার লোভে সাধারণ রোগীরাও ঝুঁকিপূর্ণ এসব ওষুধের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। ওষুধ কোম্পানির মধ্যমে প্রভাবিত হয়ে চিকিৎসকরাও নতুন কম্বিনেশনের ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন। অনেক রোগী ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধের দোকান থেকে এসব ওষুধ নিয়ে থাকে। যেমন জ্বর ও গায়ে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অনেকেই দোকানে গিয়ে সরাসরি প্যারাসিটামল বিপি ৫০০ মিলিগ্রাম + ক্যাফিনো ইউএসপি ৬৫ মিলিগ্রাম সমন্বিত ট্যাবলেট কেনে। একই উপসর্গ থেকে আরোগ্য পেতে প্যারাসিটামল ৩২৫ মিলিগ্রাম + থার্মাডল হাইড্রোক্লোরাইড ৩৭.৫ মিলিগ্রাম সমন্বিত ট্যাবলেটও কেনে অনেকে। এ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের জন্য ওমিপ্রাজল ৪০ মিলিগ্রাম + সোডিয়াম বাইকার্বনেট ৩৩৬০ মিলিগ্রাম পাউডার সমন্বিত ট্যাবলেট, ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে মেটফরমিন হাইড্রোক্লোরাইড ৮৫০ + ভিল্ডাগিøপটিন ৫০ সমন্বিত ট্যাবলেট কিংবা ডুটাস্টেরয়েড ৫০০ মাইক্রোগ্রাম + টামসলুসিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যাপসুলও চলে ব্যাপক। দেশের বাজারে এমন কম্বিনেশনের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার ১০টি ব্র্যান্ডের নামে। বাস্তবে এসব কম্বিনেশনের আড়ালে ওষুধগুলো পরিণত হয় উচ্চমাত্রার ডোজে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক বলেন, ‘আমাদের ৮৭ শতাংশ মানুষ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই দোকান থেকে ওষুধ কিনে সেবন করে। যেনতেনভাবে ওষুধ কিনে এবং তা খেয়ে নিজের টাকায় নিজের জীবনে বিপদ ডেকে আনে তারা। এ ক্ষেত্রে এখন বেশি মাত্রার ওষুধ ও কম্বিনেশন আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনীরউদ্দীন জানান, প্রতিটি ওষুধ তৈরি হয় ডোজ হিসাব করে। কিন্তু দ্রæত রোগমুক্তি বা যন্ত্রণা লাঘবের আশায় বেশি ডোজের ওষধ সেবন মানবদেহে মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনে। এমন প্রবণতার মাধ্যমে সাময়িক এক ধরনের স্বস্তিবোধ হলেও মূলত দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এ ছাড়া জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হয়।
অধ্যাপক মুনীরউদ্দীন বলেন, ‘ভালো ওষুধ’-এর বাহবা নিতে ওষুধ কোম্পানির যেমন অযথা উচ্চমাত্রার ওষুধ তৈরি করা উচিত নয় তেমনি ডাক্তারদের ‘ভালো ডাক্তারে’র প্রশংসা পেতে শুরুতেই রোগীকে উচ্চমাত্রার ওষুধ দেয়া ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে সবারই ওষুধের রিস্ক বেনিফিট (সুফল-কুফল) রেশিও যাচাই করা জরুরি। আর রোগীদেরও উচ্চমাত্রার ওষুধে নির্ভর হওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে নিজেদের জীবন সুরক্ষার জন্যই।
ওষুধ বিশেষজ্ঞরা জানান, অন্য ওষুধের পাশাপাশি এন্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে রোগীরা বেশি হারে উচ্চমাত্রার ওষুধে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। ওষুধ কোম্পানিও সেদিকে নজর রেখেই তাদের ব্যবসায়িক সুবিধা নিয়ে থাকে। রোগীরাও এন্টিবায়োটিকের মারাত্মক অপব্যবহার ঘটাচ্ছে। কিন্তু ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিকের মাত্রা, সেবনকাল এবং সেবনের মধ্যবর্তী বিরামের সময় কতটুকু, তা মেনে না চললে সংক্রমিত অণুজীব ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ কেউ যদি নির্দিষ্ট মেয়াদকালের আগেই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করে দেয়, তবে যে সংক্রমণের জন্য তা নেয়া হয়েছিল সেই অণুজীবটির বেঁচে যাওয়া কয়েকটি থেকে আবার সংক্রমণ ঘটতে পারে। আবার অনেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও না বুঝেই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে। কিন্তু ভাইরাসের বিরুদ্ধে আন্টিবায়োটিক কোনো কাজে আসে না, কারণ আন্টিবায়োটিক শুধু ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বিরুদ্ধে কাজ করে। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর নিতে হলেও এর নিয়মকানুন অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে পালন করতে হবে।
দেশে বেশ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এর অপব্যবহার ও অযথা উচ্চমাত্রার ওষুধ সেবনকেও দায়ী করা হয়। সম্প্রতি পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) উদ্যোগে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও এর কার্যকারিতা নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে ঢাকার ওপর পরিচালিত সমীক্ষা ফলাফলে জানানো হয়, ৫৫.৭০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর। আবার দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকও নানা উপায়ে মানুষের শরীরে ঢুকছে। এতে মানুষের কিডনি, লিভার ও হৃৎপিÐের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। ওষুধ বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে ২০টি জেনেরিকের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ আছে। ওষুধ কোম্পানিগুলো এসব এন্টিবায়োটিকের চার শর বেশি ব্র্যান্ড আইটেম ছেড়েছে বাজারে। ডাক্তাররাও ওষুধ কোম্পানির প্ররোচনায় কোনো এন্টিবায়োটিকই সংরক্ষিত না রেখে সবটাই যখন তখন সাধারণভাবে ব্যবহার করে থাকে। ফলে দেশে এর মধ্যেই সাত-আটটি গুরুত্বপূর্ণ এন্টিবায়োটিক জেনেরিক ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে গেছে। আর এমন পরিস্থিতির মুখে এখন দেশে কোনো কোনো ওষুধ কোম্পানি উল্টো এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু মোকাবিলায় উচ্চমাত্রার নতুন ওষুধ বানানোর দিকে নজর দিয়েছে। একাধিক ওষুধ কোম্পানি এ জন্য ওষুধ অধিদপ্তরের অনুমোদন চাইলেও সর্বশেষ ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি থেকে নানা ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের অনুমতি দেয়া হয়নি।
শুধু এন্টিবায়োটিকই নয়, অন্যান্য ওষুধ নিয়েও এ ক্ষেত্রে উদ্বেগ বাড়ছে। ওষুধ অধিদপ্তর সূত্র থেকে জানা যায়, দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী কমপক্ষে ৬০টি প্রতিষ্ঠান এখন প্যারাসিটামল বিপি ৫০০ মিলিগ্রাম এবং ক্যাফিনো ইউএসপি ৬৫ মিলিগ্রাম সমন্বিত ট্যাবলেট তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্যারাসিটামলের যথেচ্ছ ব্যবহার এমনিতেই সর্বনাশ ডেকে আনে রোগীর জন্য। ক্যাফিনো যুক্ত বা প্লাস ব্র্যান্ডের প্যারাসিটামল মানুষের কিডনির ও লিভারের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও আতঙ্কের বিষয়।
ভারতে ইতিমধ্যে প্লাস ব্র্যান্ডের প্যারাসিটামল নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসনও একই নির্দেশনা জারি করেছে। ভারতের ওষুধ প্রশাসন থেকে অন্য উপকরণযুক্ত প্যারাসিটামলকে সর্বোচ্চ ৩২৫ মিলিগ্রামের (প্রতিটি) মধ্যে তৈরির জন্য বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ দেশে এখনো প্যারাসিটামলের মাত্রা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর নামে নানা কম্বিনেশন দেয়া হচ্ছে।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।