Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১৬ শাওয়াল ১৪৪০ হিজরী।

শাহরাস্তি পৌরসভা নির্বাচন : আ.লীগ-বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীর দৌড়ঝাঁপ

প্রকাশের সময় : ২১ জানুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

চাঁদপুর জেলা সংবাদদাতা : জমে উঠতে শুরু করেছে শাহরাস্তি পৌরসভা নির্বাচন। নির্বাচনে ইতোমধ্যে ৬৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ১০, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৮ জন। এদিকে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন হওয়ায় এরই মধ্যে বিএনপি বর্তমান মেয়র মোস্তফা কামালকে তাদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শাহরাস্তি পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গতকাল বুধবার ছিলো মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন, আজ বাছাই ও ২৯ জানুয়ারি প্রত্যাহারের শেষদিন এবং ৩০ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন, সাবেক পৌর মেয়র মোশাররফ হোসেন পাটোয়ারী (আওয়ামী লীগ), হাজি আবদুল লতিফ (আওয়ামী লীগ), নিয়ামুল করিম পিন্টু (আওয়ামী লীগ), মো. তোফায়েল আহম্মেদ ইরান (আওয়ামী লীগ), মাহাবুবুল আলম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), আবদুল্লাহ আল মামুন (আওয়ামী লীগ), বর্তমান মেয়র মো. মোস্তফা কামাল (বিএনপি), মো. ফারুক হোসেন মিয়াজী (বিএনপি), মো. আকতার হোসেন চৌধুরী (বিএনপি) ও মাও. শেখ মিজানুর রহমান (স্বতন্ত্র)। সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন- লুৎফুন নাহার ও হাসিনা বেগম (আসন-১); সখিনা বেগম, রাবেয়া বসরী বকুল, জেসমিন আক্তার জুঁই, রাজিয়া সুলতানা ও নাছরিন আক্তার (আসন-২); রাবেয়া বেগম ও তুহিন আক্তার (আসন-৩) এবং শাহীন আক্তার ও মমতাজ বেগম (আসন-৪)। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে মো. ওহিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ মোল্লা, মো. হারিছ মিয়া ও মো. শামছুল আলম, ২নং ওয়ার্ডের মো. বাহার উদ্দিন, গাজী মো. ফিরোজ ও মো. আজাদ হোসেন, ৩নং ওয়ার্ডের মকবুল আহমেদ মো. শাহজাহান ও মো. মোশারেফ হোসেন, ৪নং ওয়ার্ডের মাহবুব আলম, শাহজালাল, সাহাবুদ্দিন আলম, মহরম আলী ও সাফায়েত হোসেন, ৫নং ওয়ার্ডের আবুল কালাম, প্রহল্লাদ চন্দ্র দে, রুস্তম আলী ও আবদুল খালেক, ৬নং ওয়ার্ডের কাজী মো. আবদুল কুদ্দুছ ও মোশারফ হোসেন, ৭নং ওয়ার্ডের মো. কামরুজ্জামান, মনিরুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, আবুল কাশেম, মিজানুর রহমান, মো. দেলোয়ার হোসেন ও প্রবীর চন্দ্র ঘোষ, ৮নং ওয়ার্ডের সফিউল্লাহ মিয়াজী, মিজানুর রহমান ও মোশারফ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান মোল্লা, বিকাশ মজুমদার, আলী আজ্জম মোল্লা ও মো. আবুল কালাম মোল্লা, ১০নং ওয়ার্ডের আবদুল জলিল, তুষার চৌধুরী রাসেল ও মো. শাহজাহান, ১১নং ওয়ার্ডের মো. হেদায়েত উল্লাহ, নাজির হোসেন পাটোয়ারী, মো. কামাল হোসেন, ওহাব আলী, আবুল কাশেম ও জহিরুল ইসলাম এবং ১২নং ওয়ার্ডের আবুল হোসেন, মো. মহসিন ও মো. সাইফুল ইসলাম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এদিকে, নির্বাচন ঘিরে শাহরাস্তি পৌরবাসীসহ জেলার সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। কারণ, বিগত উপজেলা নির্বাচনে শাহরাস্তি-হাজীগঞ্জ এলাকার সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলামের সরাসরি হস্তক্ষেপে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। কিন্তু চলতি পৌর নির্বাচনের সাধারণ মানুষ ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতেই পারেনি। শাসকদল আওয়ামী লীগের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা নিজেরাই কেন্দ্র দখলে নিয়ে ব্যালটে সিল দিয়ে দিয়েছে। ফলে ভোটে মানুষের মতের কোন প্রতিফলন ঘটেনি। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি শাহরাস্তি পৌর নির্বাচনে কি মানুষ ভোটে মেয়র নির্বাচিত করতে পারবে, নাকি মেজর রফিকের সততা ধূলিস্যাৎ হয়ে যাাবে?- এমন প্রশ্ন সাধারণ জনগণের।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন