Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭, ১৪ বৈশাখ , ১৪২৪, ২৯ রজব ১৪৩৮ হিজরী।

কবিতায় শামসুর রাহমান স্মারক পেলেন

| প্রকাশের সময় : ৩১ মার্চ, ২০১৭, ১২:০০ এএম

কবি কাফি শেখ
গত ১৭ মার্চ ২০১৭ বঙ্গবন্ধুর ৯৮তম জন্মদিনে কলকাতার ‘চোখ’ পত্রিকা আয়োজিত কলকাতার রবীন্দ্রসদনের জীবনানন্দ সভাঘরে বিকেল ৫টায় হয়ে গেল শামসুর রাহমান স্মারক, মান্না দে পদক ও চোখ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৬ অনুষ্ঠান। এবারের চোখ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন কলকাতা দেশ পত্রিকার সম্পাদক বিশিষ্ট সাহিত্যিক হর্ষ দত্ত ও বাংলাদেশের সাহিত্যিক মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল শামস। সঙ্গীতে মান্না দে পদক পেয়েছেন উস্তাদ বাবু রহমান এবং কবিতায় শামসুর রাহমান স্মারক পেয়েছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি ও কণ্ঠশিল্পী মোহাম¥দ কাফি শেখ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন কলকাতায় নিয়োজিত বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রদূত জকি আহাদ, প্রধান অতিথি ছিলেন পূর্ণেন্দু প্রসাদ ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তপন বন্দোপাধ্যায়, শিল্পী প্রতুল মুখপাধ্যায়, সাহিত্যিক ব্রজেন মল্লিক এবং কবি ওয়াজেদ আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি পঙ্কজ সাহা, সঞ্চারক কবি অমল কর, চুমকি কয়াল এবং চোখ পত্রিকার সম্পাদক কবি মানিক দে। উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন আদিত্য মুখোপাধ্যায়। অন্যান্যদের মধ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন কৃষ্ণেন্দু সেন ও সোমা চৌধুরী। কবিতা পাঠ করেন সীমা লাহিরী মল্লিক ও রাজেশ সরকার। আবৃতি করেন শায়ন্তিনী বসু, অমৃতা চ্যাটার্জী, নীলাদ্রি বিশ্বাস ও রাজ্যশ্রী।
অনুষ্ঠানে মানিক দে’র লেখা ‘রাসেলের রক্ত ঋণ’ ও দেব জ্যোতি নারায়ণের ‘হে মহাজীবন’ দুটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন সাহিত্যক হর্ষ দত্ত। কবি কাফি শেখ-কে মানপত্র প্রদান করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তপন বন্দোপাধ্যায়, মানপত্র পাঠ করেন চলচ্চিত্র পরিচালক বাদল সাহা, দস্তম্ভ (উত্তরীয়) পরিয়ে দেন ও পদক প্রদান করেন কবি পঙ্কজ সাহা এবং অন্যান্য পুরস্কার প্রদান করেন কবি মানিক দে।
অনুষ্ঠানে শামসুর রাহমান স্মারক পুরস্কার পাওয়ার পর কবি কাফি শেখ বলেন, আমি উদ্বেলিত ও অভিভ‚ত। একেই তো বসন্তকাল, তারমধ্যে আমার প্রিয় কবি শামসুর রাহমান এবং আরেক আত্মার আত্মীয় কবি জীবনানন্দ দাস, তারই সভাঘরে এবং জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি প্রিয় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে এই পুরস্কার গ্রহণ আমার জীবনে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ দীর্ঘ বক্তৃতা শেষে দর্শকের অনুরোধে তিনি রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন।
দেশ পত্রিকার সম্পাদক বিশিষ্ট সাহিত্যিক হর্ষ দত্ত কলকাতায় ধীরে ধীরে বাংলা ভাষার ব্যবহার কমে যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের বাংলা ভাষার অগ্রগামিতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এত ব্যস্ততার মাঝেও শুধুমাত্র মানিক দে’র আহŸান এবং কবি পঙ্কজ সাহার আমন্ত্রণ আমি উপেক্ষা করতে পারিনি। বর্তমানে সমগ্র কলকাতায় বাংলা ভাষার ¤্রয়িমানতা আমাকে আশাহীন করেছে। কলকাতা সরকারের উচিত সারা ভারতবর্ষে বাংলা ভাষাকে বাধ্যতামূলক করা।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।