Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

লবণ পানিতে এলাকার হাজার একর ফসলি জমি নষ্ট তালতলীর চাউলাপাড়া পাউবোর সুইসের খালে মাছের ঘের

| প্রকাশের সময় : ৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১২:০০ এএম

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা : তালতলীর চাউলাপাড়া গ্রামের পাউবোর সুইস গেটের খালে কালভার্ট নির্মাণ করে লবণ পানি ঢুকিয়ে মাছের ঘের করছে একটি প্রভাবশালী মহল। এতে প্রায় এক হাজার একর ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার দরিদ্র কৃষকরা। মৎস্য আহরণ করতে পারছে না দরিদ্র মৎস্যজীবীরা। এলাকার কয়েক হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা এখন হুমকির মুখে পড়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গত ৪ এপ্রিল একটি আবেদন করেছেন এলাকাবাসী। সরেজমিন জানা গেছে, উপজেলার ৪ নম্বর শারিকখালী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চাউলাপাড়া গ্রামে পাউবোর সুইস নির্মাণ করা হয়। এলাকার প্রভাবশালী শাহজাহান তালুকদার ও তার দুই ছেলে শামীম ও কামরুজ্জামান প্রভাব খাটিয়ে স্লুইসের মুখে সরকারি খালে কালভার্ট নির্মাণ করে লবণ পানি ঢুকিয়ে মাছের ঘের করেছে। এতে প্রায় এক হাজার একর ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। গরু-মহিষ গোসল করানো, গোখাদ্য এবং পানি পান করানো নিয়েও বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। লবণ পানি পান করে গরু-মহিষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এলাকার বাবুল হোসেন, বাহাদুর তালুকদার ও শাহ আলম খান বলেন, সুইসসের খালটি আমাদের এজমালি (যৌথ) জমির উপর কাটা হয়েছে, এটি জনস্বার্থে সরকার কেটেছে। কিন্তু শাহজাহান তালুকদার ও তার দুই ছেলে শামীম ও কামরুজ্জামান প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে খাল দখল করে কালভার্ট নির্মাণ করে মাছের ঘের করে লবণ পানি ঢুকিয়ে এলাকার কয়েক হাজার মানুষের সর্বনাশ করছে। স্লুইস সংলগ্ন খালের দুইপাড়ের বাসিন্দা পল্লীডাক্তার মালেক, পল্লীডাক্তার রহিম ও পল্লীডাক্তার খোকন বলেন, কালভার্ট নির্মাণ করায় পানি চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় পূর্ণিমা ও অমাবশ্যয় আমাদের বাড়িঘরে পানি উপচে পড়ে তলিয়ে যায়। এ ছাড়াও শহীদুল ইসলাম, মিলন, আনছারসহ ২০-২৫ জন লোক লবণ পানিতে জমি নষ্ট হওয়ার অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে শারিকখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন জানান, জনস্বার্থে লবণ পানি প্রবেশ করাতে নিষেধ করলেও প্রভাবশালী শাহজাহান তালুকদার নিষেধ মানছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও শাহ আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কেউ যদি সুইস গেট থেকে এককভাবে সুযোগ গ্রহণ করে তাহলে এলাকায় একটি কমিটি গঠন করে তাদের কাছে চাবি দিতে হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: লবণ

১৪ এপ্রিল, ২০১৯
১১ জানুয়ারি, ২০১৯
৮ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন