Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭, ১৪ বৈশাখ , ১৪২৪, ২৯ রজব ১৪৩৮ হিজরী।

গ্রিক মূর্তি সরিয়ে নিন

প্রধান বিচারপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ

| প্রকাশের সময় : ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১২:০০ এএম

বিশেষ সংবাদদাতা : সুপ্রিমকোর্টের সামনে থেকে গ্রিক মূর্তি সরিয়ে (স্থানান্তর) নিতে বা ঢেকে দিতে প্রধান বিচারপতিকে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত শনিবার  প্রধান বিচারপতিকে এ পরামর্শ দিয়েছেন বলে  গতকাল সোমবার  মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিজেই জানিয়েছেন তিনি। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিচারপতিদের জন্য নবনির্মিত আবাসিক ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তার কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই অনুষ্ঠানে আমি প্রধান বিচারপতিকে বলেছি, সুপ্রিমকোর্টের সামনে যে গ্রিক ভাস্কর্য জাস্টিশিয়া তৈরি করেছেন, এ জাস্টিশিয়া কোথায় পেয়েছেন? এ ভাস্কর্যে আবার শাড়ি পরিয়েছেন। যা পরা ছিল, তাই পরান। দেখতেও তো সুন্দর না, আবার পরানো হয়েছে শাড়ি- শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করেন বৈঠকে উপস্থিত থাকা একেকজন।
 প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বলেছি, কাছেই জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। সেখানে ঈদের নামাজ পড়া হয়। ওখান থেকে এ ভাস্কর্য দেখা যায়। হয় ওই ভাস্কর্য ওখান থেকে সরিয়ে (স্থানান্তর) দেন, আর না হলে ওই ভাস্কর্যকে ওই দিক থেকে আড়াল করে দেয়ার ব্যবস্থা করেন, যেন ঈদগাহ থেকে দেখা না যায়।
সূত্র জানায়, বিচারপতিদের আবাসিক ভবনের উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের তিন অঙ্গ আইন, বিচার ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে যে বক্তব্য দেন, সে বক্তব্যের প্রশংসা হয় মন্ত্রিসভায়। এ সময় সুপ্রিমকোর্টের সামনের নবনির্মিত গ্রিক মূর্তি নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজেই তোলেন বলে জানা গেছে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের রেপ্লিকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে
 আগামী নভেম্বরে উৎক্ষেপণ হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর রেপ্লিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম রেপ্লিকাটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
উৎক্ষেপণের পর ২০১৮ সালের এপ্রিল নাগাদ এ স্যাটেলাইট বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ সরকার। ফ্রান্সের থালিস এলিনিয়া স্পেস ফ্যাসিলিটিতে এ স্যাটেলাইট নির্মাণের অধিকাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’ উৎক্ষেপণে ‘স্যাটেলাইট সিস্টেম’ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়। এ স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে, যার ২০টি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে এবং বাকিগুলো ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। এ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ বছরে ১৪ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বলে সরকার আশা করছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন সংস্থার (আইটিইউ) ‘রিকগনিশন অফ এঞ্জিলেন্স’ পুরস্কারও পেয়েছে।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আইন চ‚ড়ান্ত অনুমোদন
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ভূমি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রেখে নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার।
বৈঠক শেষে  মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহী টাউন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অর্ডন্যান্স-১৯৭৬ অনুযায়ী আরডিএ চলছিল। সামরিক শাসনামলে জারিকৃত আইন-অধ্যাদেশকে সুপ্রিমকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করায় নতুন করে এই আইন করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন আইনে আরডিএ কর্তৃপক্ষকে ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং শহরের জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আগের মতোই আছে। মহাপরিকল্পনা পরিপন্থী ভূমি ব্যবহার করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য এক বছরের কারাদন্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হবেন।
 তিনি আরো বলেন, জলাধার আইনের বিষয়টি ওই সময়ে ছিল না, এটা প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় এখানে (নতুন আইনে) আনা হয়েছে। জলাধার খনন বা ভরাট করলে এবং পাহাড় বা টিলা কাটলে মালিককে (এই কর্তৃপক্ষ) বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারবে জানিয়ে শফিউল বলেন, আদেশ অমান্য করলে এক বছরের জেল, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে। নিচু জমি ভরাট করে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করলেও একই সাজা হবে।
কালারফুল ছিল প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চারদিনের ভারত সফর অনেক ‘কালারফুল’ এবং অনেক ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ছিল বলে মন্ত্রিসভাকে জানানো হয়েছে। মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের ওপর উপস্থাপন করা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আতিথেয়তা গ্রহণ করাটাও ছিল সম্মানের। সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বাক্ষরিত হয় ৩৫টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি।
 মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সেখানে প্রধানমন্ত্রী ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি ভবনে অবস্থানের সুযোগ ও সম্মান পৃথিবীর খুবই কমসংখ্যক বিদেশি সরকারপ্রধান পেয়ে থাকেন।
 ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও দেশ পরিচালনায় ভূয়সী প্রশংসা করেন। বৈঠকে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, পদ্মা বা গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ, নদীর অববাহিকাভিত্তিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত সুরক্ষা, নিরাপত্তা সহযোগিতা, আন্তঃযোগাযোগ তথা কানেকটিভিটি, জনযোগাযোগ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক স¤প্রসারণ, উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
 ভুটান ও ওমানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদন
 বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটান ও ওমানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য একটি খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রীর ভুটান সফরে এই চুক্তি হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভুটান যাচ্ছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি আদান-প্রদান অন্যান্য চুক্তির মতোই গতানুগতিক। পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি হবে। তবে দুই পক্ষ চাইলে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য এই চুক্তি নবায়ন করতে পারবে। সভায় বাংলাদেশ ও ওমানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তির খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এই চুক্তি হলে উভয় দেশের মধ্যে শিল্প উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগের প্রভাব বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
‘আয় অধ্যাদেশ’ হবে আয়কর আইন
‘আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪’-এর বিধানাবলী ‘আয়কর আইন, ২০১৭’ হিসেবে পাস করার প্রস্তাবও নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
অধ্যাদেশটি সামরিক শাসনামলে করা হয়েছে, এটা পরিবর্তন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ১৯৮৪ থেকে অধ্যাদেশের যত সংশোধন হয়েছে সবগুলোকে একত্রিত করে একটা সমন্বিত আইন করা হয়েছে। সময় না থাকায় এটা আপাতত ইংরেজিতে করা হয়েছে, পরে বাংলায় নতুনভাবে করা হবে। নতুন আইনে কোনো পরিবর্তন আইন হয়নি।
মুজিবনগর দিবসে জাতিকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ১৭ এপ্রিল (মুজিবনগর দিবস) উপলক্ষে মন্ত্রিসভা জাতিকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছে। যেহেতু এটা একটি ঐতিহাসিক দিবস, আজকের এই দিনে প্রথম বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। সেজন্য মন্ত্রিসভা সবাইকে অভিনন্দন জানায় এবং ওই সময়ে যারা নেতৃস্থানীয় ছিলেন যেমন- মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ সবাইকে স্মরণ করা হয়।

 


Show all comments
  • ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:১৯ পিএম says : 3
    মুর্তি সরানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী কে ধন্যবাদ
    Total Reply(0) Reply
  • mahabub ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ৯:২৩ পিএম says : 2
    প্রধান বিচার প্রতির কাছে অনুরুধ করছি আপনি সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করবেন না। ইসলাম ধর্মকে সম্মান জানিয়ে মূর্তিটিকে বিলুপ্ত করুন। আর এ কাজটি যদি আপনি করেন,৯২ ভাগ মুসলমান আপনার অবদানকে সারা জীবন স্বরন রাখবে।
    Total Reply(0) Reply
  • মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান হাওলাদার ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:২৭ এএম says : 3
    মূর্তি সরিয়ে নিতে বলার জন্য প্রধান মন্ত্রীকে আন্তরিক মোবারকবাদ। আল্লাহ তার হায়াত কে দীর্ঘ করে দিন। ন্যায় ও সৎ কথা বলার সক্ষমতা বাড়িয়ে দিন। আমরা আশা করি তার আদেশের বাস্তবায়ন অবশ্যই হবে। কারন আমরা মূর্তির পুজারী নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Nur- Muhammad ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ৬:১৮ এএম says : 5
    মাননীয় প্রধানমন্রী, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। মূর্তি সরানোর পদক্ষেপের জন্য আপনাকে আবার ও ধন্যবাদ। একজন মুসলমান মূর্তি সামনে রেখে, নামাজ পড়ে না বা পড়তে পারে না। এটা কেবল মুসলমান ই বুজে। প্রশ্ন জাগে, এই কাজটি যে করলো সে অবশ্য ই ক্ষমতাধর ব্যক্তি। মুসলিম প্রধান দেশে এমন কজটি কি ক্ষমতার অপব্যবহার নয়? কোটি কোটি জনতার মনে আঘাত দিয়ে যে বা যারা এই কাজটি করছে, তারা জাতীয় র কাছে এর ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। দেশের সর্বময় ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা আজ সকল ক্ষমতার মালিক। জননেত্রীর কাছ থেকে এই অনাকাক্ষিত মূর্তি সরানোর কথা বলা হয়েছে। তাই আর এক মুহূর্ত ও নয়, এখন ই মূর্তি সরান। মনে রাখবেন, দেশের মালিক জনগণ। তাই জনগণের ভাবাবেগের উপর ভিত্তি করে চলুন, দেশ উন্নয়নে অবদান রাখুন। ধন্যবাদ। সবায়কে ধন্যবাদ।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Nur Nabi ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:৫৫ এএম says : 2
    ন্যায় বিচার করার জন্য মূ্র্তী লাগে না।
    Total Reply(0) Reply
  • Anwar Hossain Anwar ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:৫৬ এএম says : 3
    দেশে কিছু মানুষ নিজেদেরকে অতি দেশ প্রেমিক,বাংগালি সংস্কৃতির ধারক বাহক ভাবে। আবার তারাই গ্রিক দেবি (কাল্পনিক) র জন্য মায়া কান্না করে, এর মানে তারা কি বুঝাতে চায়?
    Total Reply(0) Reply
  • Sohag Khan ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:৫৭ এএম says : 2
    মুর্তি খালি সরালেই হবে না। অই খানে আল কুরানের প্রতিবিম্ব বানাতে হবে।
    Total Reply(1) Reply
    • Abdul Ahad ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১২:১৭ পিএম says : 3
      অই খানে আল কুরানের প্রতিবিম্ব বানাতে হবে না। আল কুরানের আইন বানাতে হবে।
  • Shamim Bhuiyah ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:৫৮ এএম says : 2
    Thank you madam
    Total Reply(0) Reply
  • এস, আনোয়ার ১৯ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:৪২ পিএম says : 0
    ধর্মীয় মুর্তি হলে নাহয় কোন মন্দিরে সরিয়ে নেয়া যেতো। এটাকে সরিয়ে বা স্থানান্তর করে আবার বসাবে কোথায়? বাংলাদেশের কোথাও কোন উন্মুক্ত স্থানে এই মুর্তির জায়গা হবে না। এটাকে ভেঙ্গে ফেলা হোক কিংবা ভারতের কাছে বিক্রয় করে দেয়া হোক। যার পরিকল্পনা ও নির্দেশে মুর্তিটি নির্মান করা হয়েছে, এর সমুদয় ব্যয়ভার তার কাছ থেকেই আদায় করা উচিত বলে আমি মনে করি। সরকার যেন এক টাকাও বহন না করে।
    Total Reply(0) Reply
  • md musa Islam ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১১:২৯ এএম says : 3
    গ্রীক মুর্তি নিয়ে কি করল, আমাদের কোর্টের সামনে বসানো হল কেন?আমরা মুসলিম, মুর্তি হারাম, এই মুর্তি সরিয়ে নিতে হবে। প্রধান বিচারপতির নিকট অনুরোধ অবিলম্বে তাহা সরানো ব্যবস্থা করার জন্য। প্রধান মন্ত্রী নিকট অনুরোধ যাহাতে তাড়াতাড়ি সরনো হয় ব্যবস্থা করা, মুসলাম ও সরকার প্রধান হিসাবে আপনার কর্তব্য।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১২:০৭ পিএম says : 1
    এখানে অনেক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের ফিরিস্তি রয়েছে এটা খুবই আনন্দের বিষয় দেশবাসীর জন্য। তবে একটা বিষয় আমার এখানে ভাল লাগেনি সেটা বাক স্বাধীনতার অধিকারে বলতে চাই। প্রধানমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন তিনিও চান মূর্তি অপসারিত হউক। এটাই সিদ্ধান্ত হওয়া উচিৎ কিন্তু এখানে আবার বলছেন তিনি প্রধান বিচারপতিকে বলেছেন মূর্তি অপসারিত করতে না হলে নামাজের ব্যাঘাত হয় তাই এটাকে অন্যত্র কিংবা ঢেকে রাখার ব্যবস্থা নিতে। আমি বলতে চাই কেন প্রধানমন্ত্রী এখানে দুই রকম কথা বলবেন। সরানো হবে আর কোন যুক্তি নেই সরানোই হবে। বাংলাদেশ যতই বলুক ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ কিন্তু প্রকৃত কি তাই??? বাংলাদেশের জাতীয় ধর্ম ইসলাম কাজেই দেশের প্রতিটি কাজে এর প্রতিফলন হতে হবে এটাই সঠিক এবং এটাই হতে হবে...... আমি বুঝিনা এখানে কাকে প্রধানমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন??? আমরা ৯০% মুসলমান আপনার পেছনে আছি সেখানে আপনার ভয়ের কিছু থাকতে পারে না। আপনার কথায় আমাদের ভাষা প্রকাশ পাবে তাহলেই আপনি বিজয়ী হবেন নয়ত নয়... ভুল বলেছি কি??? ভাস্কর নিয়ে কোন যুক্তি নয় আমরা পছন্দ করিনা আপনি প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেন না কাজেই এটা ওখানে থাকতেই পারেনা; এটাই সত্য। আমি আশাকরি নেত্রী হাসিনা নিজেকে প্রথম মুসলমান পরে বাঙ্গালী এটাই মানেন; আর তাই যদি হয় তাহলে ওনার কাছে আমি এবং সকল মুসলমান চাইব উনি যেমন ইসলামকে ওনার মধ্যে ধরে রেখেছেন তেমনই ভাবে উনি আমাদের ইসলামিক ভাবধারাটাও তুলে ধরবেন প্রয়োজনে আইনের মাধ্যমে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করবেন ইনশ’আল্লাহ। আমীন
    Total Reply(0) Reply
  • ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১:১৪ পিএম says : 2
    যারা মুর্তি বানিয়ে মুসলমানদের অন্তরে আগাত দিয়েছে তাদের বিচার করতে হবে।আর মুসলমানের দেশে হিন্দু বিচার পতি হয় কিভাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • MD HAFIZ ১৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১১:৪৭ পিএম says : 3
    Aponi podan Bissarpoti ka Soriea din
    Total Reply(0) Reply
  • Selina ১৯ এপ্রিল, ২০১৭, ৪:৫৯ এএম says : 1
    Excellency PM through executive /administrative order remove all and established a word of Al Quaran on those spot .
    Total Reply(0) Reply
  • motahir ১৯ এপ্রিল, ২০১৭, ১:০৪ পিএম says : 2
    প্রধান বিচার প্রতির কাছে অনুরুধ করছি আপনি সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করবেন না। ইসলাম ধর্মকে সম্মান জানিয়ে মূর্তিটিকে বিলুপ্ত করুন। আর এ কাজটি যদি আপনি করেন,৯২ ভাগ মুসলমান আপনার অবদানকে সারা জীবন স্বরন রাখবে।
    Total Reply(0) Reply
  • md ismail ২০ এপ্রিল, ২০১৭, ৭:২৫ পিএম says : 0
    Mohammadur rasuullah (SM) invited us to avoid Statue.
    Total Reply(0) Reply
  • ২১ এপ্রিল, ২০১৭, ১০:২৭ পিএম says : 0
    Thanku praim minister ke murti soranor kotha bolar jonno
    Total Reply(0) Reply
  • Farid Uddin ২১ এপ্রিল, ২০১৭, ৭:০৫ পিএম says : 0
    i am so thanks full to Allah (SWT) finally Sk. Hasina geting to undrer stand concept of Islam. This is must be destroy & show what Islam is about.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।