Inqilab Logo

ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

মিশরের সিনাইয়ে ৩ নেতাসহ ১৯ আইএস জিহাদি নিহত

মসুলে আইএসের বিরুদ্ধে ইরাকি বাহিনীর আরও সাফল্য

প্রকাশের সময় : ২২ এপ্রিল, ২০১৭, ১২:০০ এএম | আপডেট : ১২:০৭ এএম, ২২ এপ্রিল, ২০১৭

ইনকিলাব ডেস্ক : মিশরের উত্তরাঞ্চলীয় সিনাই প্রদেশে ১৯ আইএস জিহাদি নিহত হয়েছে। এদর মধ্যে তিনজন নেতাও রয়েছেন। এরা সবাই আইএসের প্রাদেশিক গ্রæপের সদস্য। মিশরের সামরিক বাহিনী এ কথা জানালেও আইএসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার তাদের অফিসিয়াল ফেসবুকে এক বিবৃতিতে জানায়, সিনাইভিত্তিক দল আনসার বেইত আল-মাগদিসকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছিল। এই গ্রæপটি কয়েকশ’ মিশরীয় সৈন্য ও পুলিশ হত্যার দায় স্বীকার করেছিল। এ গগ্রæপটি ২০১৪ সালে আইএসর সঙ্গে যুক্ত হয় এবং সিনাই প্রদেশে তাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছিল।
সামরিক বাহিনী নিহত নেতদের নাম জানায়নি। তবে বলেছে, তাদের মধ্যে একজন ওই গ্রæপের খুব প্রভাবশালী নেতা। অন্য একজন এর ইসলামিক আইন বিষয়ক কমিটির প্রধান এবং তৃতীয়জন ইন্টারোগেশন শাখার কর্মকর্তা। আইএস এ সপ্তাহেই সিনাইয়ের দক্ষিণাঞ্চলে সেন্ট ক্যাথরিন গীর্জায় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেটাই ছিল মিশরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর সর্বশেষ হামলা। সিনাইয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে যুদ্ধ চলছিল। তবে মোহাম্মদ মোরসি ২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সেখানে এতদিন ধরে শান্তি বজায় ছিল।
অপর এক খবরে বলা হয়, ইরাকি বাহিনী মসুলে আইএসের বিরুদ্ধে আবারও সাফল্য পেয়েছে। সামরিক কমান্ডাররা বলেছেন, ওল্ড সিটি’র পশ্চিমাঞ্চল ইরাকি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং এ অভিযানের সময় এক শীর্ষ আইএস নেতা নিহত হয়েছে। ইরাকি বাহিনী জানায়, মার্কিন নেতৃত্বাধীন এ অভিযানে পশ্চিম মসুলে আরও দুটি স্থান ইরাকি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তারা বলছে, দেশটির শহরাঞ্চলে এ দুটিই ছিল আইএসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি।
শহরের সন্ত্রাসবিরোধী সংস্থার মুখপাত্র সাবাহ আল-নোমান জানান, ইরাকি বাহিনী আইএসের ঘাঁটি আল-থাওরা পুনর্দখল করেছে। পশ্চিম মসুলের এক পুলিশ কর্মকর্তা সেনাবাহিনীর এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ইরাকের কেন্দ্রীয় পুলিশের প্রধান রায়েদ শাকির জাওদাদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, অভিযানের সময় ইরাকি বাহিনীর হাতে এক শীর্ষ আইএস নেতা নিহত হয়েছেন। ওই নেতার বিরুদ্ধে পশ্চিম মসুলে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। আল জাজিরা, এপি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন