Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বাড়াতে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

| প্রকাশের সময় : ২৮ এপ্রিল, ২০১৭, ১২:০০ এএম

বিশেষ সংবাদদাতা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম বন্দরের সুনাম বাড়াতে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহŸান জানিয়েছেন।
শতাব্দীর প্রাচীন এই বন্দরের সুনাম বৃদ্ধিতে সকলকে একযোগে কাজ করারও আহŸান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ একটি দেশ। এই সমৃদ্ধির পথে বন্দরের ভূমিকা সবচাইতে বেশি। সেভাবেই বিষয়টি মাথায় রেখে আন্তরিকতার সঙ্গে সবাই কাজ করবেন।
শেখ হাসিনা গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পোর্ট এক্সপো বাংলাদেশ ২০১৭’র উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পোর্ট এক্সপো-২০১৭ উদ্বোধন করেন। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল বন্দরের বিভিন্ন দিক এবং পোর্ট এক্সপো-২০১৭ বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ার ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যোগাযোগের জন্য কর্ণফুলী নদীর নিচ দিয়ে টানেল হচ্ছে, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ করে দিয়ে বন্দর যেন আরো উন্নত হয় সে ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি। আমরা চাই বন্দরটা যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবার কল্যাণের জন্য কাজ করবেন, সেটাই আমি চাচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালে আমরা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আমরা গড়ে তুলবো, ইনশাল্লাহ। এই সমৃদ্ধির পথে বন্দরের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। সেভাবেই বিষয়টি মাথায় রেখে আন্তরিকতার সঙ্গে সবাই কাজ করবেন। অনুষ্ঠানে গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ চট্টগ্রাম বন্দর এবং গণভবনে সংসদ সদস্যবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দেশের ৯২ শতাংশ পণ্য পরিবাহিত হয় এবং বন্দরটি দেশের ৯৮ শতাংশ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর ‘লয়েড লিস্ট’ জরিপে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ কন্টেইনার বন্দরের মধ্যে বর্তমানে ৭৬তম অবস্থানে এসেছে। ২০১৬ সালেই এই অবস্থান ছিল ৮৬তম। কার্গো হ্যান্ডলিংয়েও এই বন্দরের প্রবৃদ্ধি ১৭ শতাংশ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভৌগলিক অবস্থান থেকে এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেটি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করতে পারে। এই মেলবন্ধন সৃষ্টিতে সরকার গঠনের পর থেকেই তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যে কারণে সরকার গঠনের পর থেকেই এই মেলবন্ধন সৃষ্টিতেই তাঁর সরকার নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরকে দেশের অন্যতম সম্পদ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা আমাদের সৌভাগ্য যে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। যার বিশাল সমুদ্রও রয়েছে। এই সমুদ্র সম্পদ যথাযথ ব্যবহারের মধ্যেই আমাদের বিশাল এ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিহিত আছে।
তিনি বলেন,  আমাদের মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা রয়েছে। পাকিস্তানি জাহাজ সোয়াত হতে অস্ত্র খালাসে বাধা দেয়ায় ২৩ জন ডক শ্রমিকের শহীদ হওয়া এবং নৌ কমান্ডোদের অপারেশন জ্যাকপট ছিল সাহসী এবং বীরত্বপূর্ণ ঘটনা। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও পাকিস্তানের ঐ সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাস করতে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাধার সম্মুখীন হন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমি স্বাধীনতা যুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের যে সকল বীর কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং শ্রমিক ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন তাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, বিশেষত অর্থনীতির চাকা সচল করতে চট্টগ্রাম বন্দরকে কার্যক্ষম করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং বন্দর থেকে তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনীর মাইন অপসারণ করেন।
 প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল দ্বীপ হিসেবে মহেশখালীর উদ্বোধন করলেন
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডিজিটাল দ্বীপ মহেশখালী প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত দ্বীপ মহেশখালি ডিজিটাল দ্বীপ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মহেশখালী, যা চিরদিন অবহেলিত ছিল, আজকে এই ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে মূল ভূখÐের সাথে এবং বিশ্বব্যাপী এই মহেশখালীর একটি সংযোগ স্থাপিত হয়ে গেল।
তিনি বলেন, এই যে সুযোগটা আজকে সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে এটা শুধু মহেশখালী নয়, আরো যেসব বিচ্ছিন্ন এলাকা আছে সেখানেও আমরা এই ডিজিটাল পদ্ধতিটা চালু করে দেব। সেটাও আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আর মহাশূন্যে আমরা যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করব (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট) সেটা উৎক্ষেপণ হয়ে গেলে আরো সুবিধা হবে।
অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল থেকে কোরিয়া টেলিকম (কেটি) কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ, দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জুলফিকার আহমেদ এবং দেশের মহেশখালী প্রান্তে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণ সম্পৃক্ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিউল প্রান্ত থেকে কেটি’র চেয়ারম্যান কিউ শিক শিন, মহেশখালী প্রান্ত থেকে আইওএম-এর চিফ অব মিশন শরৎ চন্দ্র দাস এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বক্তৃতা করেন।
গণভবনে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত আন সিওন দো, সংসদ সদসবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ার ভিডিও কনফরেন্সটি সঞ্চালনা করেন।
প্রায় ৩৬২ দশমিক ১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মহেশখালী দ্বীপের ৪ লাখ বাসিন্দার জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সরকার। প্রায় ২২ কোটি ৩৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবার কথা রয়েছে।
কোরিয়ান টেলিকম (কেটি) প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সহযোগিতায় প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে মহেশখালীর মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং প্রযুক্তি সেবা পাবে। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় প্রবেশাধিকার বাড়বে।
তিনি বলেন, আমি মহেশখালীবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই যে, এই অঞ্চলের উন্নয়নে সব রকমের প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। তাতে ঐ অঞ্চলের মানুষ আরো উন্নতমানের শিক্ষার সুযোগ পাবে, চিকিৎসার সুযোগ পাবে, তাদের কর্মসংস্থানের সুবিধা হবে। আর ঐ দ্বীপে বসেই সারাবিশ্ব তাদের হাতের মুঠোয় চলে আসবে। সারা বিশ্বকে জানতে পারবে। দেশে-বিদেশে যোগাযোগটা রাখতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার সুযোগ থেকে এই দুর্গম এলাকার লোকেরা যেন বঞ্চিত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যায় অতর্কিতে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাতেও তারা যেন সতর্ক থাকতে পারে সেজন্যও এই ডিজিটাইজেশন। হাইস্পিড ইন্টারনেট সুবিধা আমরা যে মহেশখালীর মতো একটি দ্বীপে করতে পারছি সেজন্য আজকে আমি সত্যই আনন্দিত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি কক্সবাজারে বাবার সঙ্গে যাতায়াত করে দেখেছেন এই অঞ্চলটা এক অফুরন্ত সম্পদের ভাÐার। যা অতীতে কোনো দিন কাজে লাগানো হয়নি।
তিনি বলেন, আমরা সরকারে আসার পরই উদ্যোগ নিয়েছি পতিত অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের জন্য। কারণ আমাদের অর্থনৈতিক নীতিমালার মূল কথাটাই হচ্ছে উন্নয়নের ছোঁয়াটা একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে হবে। সাধারণ গ্রামের মানুষ, বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষ, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে বিচ্ছিন্ন ছোট ছোট দ্বীপ অঞ্চলের মানুষ, হাওর-বাওড় অঞ্চলের মানুষ যেন এই উন্নতির ছোঁয়াটা পায়।



 

Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ২৮ এপ্রিল, ২০১৭, ৫:৫৫ এএম says : 0
    খুবই ভাল খবর তবে একে ধরে রাখতে হবে নয়ত আবার যেই তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যাবে দেশ। চট্টগ্রাম ১০০ বছর আগে থেকেই বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে চিহ্নিত। সেই হিসাবে চট্টগ্রামের যে উন্নতী হবার কথা সেটা হয়নি এটা সত্য। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বলেছেন দেশের উন্নয়নে চট্টগ্রামের বিকল্প নেই এটাও খুবই সত্য। এখন বিষয়টা হচ্ছে উন্নতী এটা করতে পারলে এবং এই ধারাটাকে চালু রখতে পারলেই চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নতী অনিবার্য। এতদিন চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে শুধুই বাংলাদেশের মালা মাল আসত এখন এই বন্দর দিয়ে পরীক্ষা মূলক ভাবে বহু আগেথেকেই ভারতের মালা মাল আসা যাওয়া করছে যদিও সেখান থেকে দেশের কোন লাভ হয় কিনা এটা আমি বা দেশবাসী কেহই জানিনা। তবে এবার ভূটানের সাথে চুক্তি হবার পর দেশের লাভ হবে এটা নিশ্চিত। কাজেই লাভে লোকশানে মিলিয়েই আমাদের এখন চলতে হবে নয়ত চুপচাপ বসে থাকতে হবে সেটাও সঠিক নয়। দেশের এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজন হসিনার সরকার এটা যেমন সত্য তেমনই এটাও সত্য যে, ক্ষমতায় না থাকলে দেশের কাজ করা যায় না তাই ক্ষমতায় যেতে হলে চাই জনগণের সম্মতি মানে ভোট। আর এইযায়গায় এএল এত ভাল কাজ করার পরও দূর্বল হয়ে যাচ্ছে এটাই ভাববার বিষয় তাই না??? লীগের লোকজনের অত্যাচারে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এটাও সঠিক। আমি প্রবাস থেকে বছরে একবার কোন সময়ে দু’বার দেশে যাই সেই আমাকেই লীগের মানে ছাত্রলীগের চাদার পাল্লায় পরতে হয়েছে তাও আবার পরিচিত এলাকার ছেলে। তার দাপটের কারন সে আবার দারগার ছেলে বাবা ঢাকার বাইরে চাকুরী করেন ছেলে মেয়েদেরকে ঢাকার বড় মগবাজার ডাক্তারের গলিতে বাসা ভাড়া নিয়ে লেখা পড়া করান। এই কারনেই এখন সারা দেশে নীরব ভোটারের জন্ম হচ্ছে এবং এদের সংখ্যা আমার মনে হয় নির্বাচন আসতে আসতে দেশের ৬০% হয়ে যাবে নীরব ভোটার ভুল বলেছি কি??? একারনেই নেত্রী হাসিনাকে দলের নৌকার হাল নিজের হাতে নিতেই হবে নয়ত কাউয়া কাউয়া করতে করতে নীরব ভোটে কুবকাত হয়ে পরে থাকতে হবে এটাই সত্য। বড় হলে অবশ্যই অনেক আবর্জনা পায়ের নিচে থেকে যায় যেটা দেখা যায়না আর সেটাই একসময়ে বিসাক্ত রূপ ধারন করে সবকিছু ছাড় খাড় করে দেয় এটাই সত্য। আমি মনে করি এই সময় উন্নয়ন এর চেয়ে ক্ষমতায় থাকাটাই বড় বিষয় কারন ক্ষমতায় না যেতে পারলে দেশকে যতটা এগিয়ে নিয়েছেন তারচেয়ে বেশী পেছনে পরে যাবেন জন নেত্রী শেখ হাসিনা। কাজেই আপনি যেমন প্রমান করেছেন আপনি দেশের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে একমাত্র দেশ প্রমিক ও জন দরদী নেতা এটা আবশ্য সত্য। কিন্তু এখন আপনি যদি আপনার নিজের লোকের দ্বারা পরাজিত হন তাহলে দেশের এই হতভাগা জনগণের কি দশা হবে এটা একবার ভেবে দেখবেন এবং জাতীর জনকের যে দয়া মায়ার ইতিহাস আছে সেটাকে পাঁশে রেখে বাস্তবতার আলক কঠিন হয়ে নৌকাকে সামাল দিন নয়ত নৌকা ঢুবে যাবার খুবই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে ভুল বলেছি কি??? তাই আমি মনে করি নেত্রীকে এখন কঠিন হাতে নিজের দলের লোকদেরকে কাবু করতে হবে তাহলেই আমি মনে করি খালেদা জিয়ার নীরব ভোট বন্ধ হবে। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে যেন সবদিক দেখে শুনে চলার ক্ষমতা দান করেন। আমীন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ