Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০৩ ভাদ্র ১৪২৬, ১৬ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

বৃষ্টির পরশে চা বাগানে সবুজের সমারোহ

| প্রকাশের সময় : ৫ মে, ২০১৭, ১২:০০ এএম

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা : হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৫টি চা বাগানগুলোতে সবুজের সমারোহ তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির পরশে সদ্য অঙ্কুরিত সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে চা বাগান। সতেজ আর স্নিগ্ধ রূপ নিয়ে দুইটি পাতা একটি কুঁড়ি এখন বাগানে বাগানে মাথা তুলেছে। মাধবপুরের ৫টি চা বাগানে এখন এমন রূপ। কিছু দিন আগে চা গাছের মাথা ছাটাই (প্রæনিং) করা হয়েছিল। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রতি বছর এভাবে চা গাছগুলোর মাথা নির্দিষ্ট মাপ অনুসারে ছেটে ফেলা হয়। তারপর চলে অপেক্ষার পালা। চা শ্রমিক, সর্দার (দলের প্রধান), বাবু (ক্লার্ক) এবং ম্যানেজার (ব্যবস্থাপক) গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকেন এ দিনটির জন্য। চা বাগানে কখন কুঁড়িয়ে চোখ মেলে তাকাবে। হঠাৎ বৃষ্টির দখলে পড়ে এক সময় স্বস্তি ফিরে পায় বা গাছগুলো। সেই বৃষ্টির ফোটায় ফোটায় উর্বর হয় প্রকৃতি। তারপর দিগন্ত বিস্তৃত উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে হাসতে থাকে দুইটি পাতা একটি কুঁড়ির দল। চা বাগানের পথ ধরে এগুলোই এখন চোখে পড়ে ঘন সবুজের ছড়াছড়ি। পাহাড়ি টিলার ধূসর মাটির বুক থেকে সেই সবুজেরা যেন আজ সদলবলে প্রস্ফুটিত।
স¤প্রতি মাধবপুরের সুরমা চা বাগানে গিয়ে দেখা গেলো কুঁড়িদের গায়ে জমেছে শিশিরকণা। শিশিরের জলজ পরশে ঘনসবুজ পাতাগুলো গভীর সৌন্দর্যে রাঙা হয়ে আছে। সকালের সূর্যালোক তার কিরণটুকু নিয়ে এসে ভাগ বসিয়েছে তাতে। চা বাগানে এখন সবুজ জেগে উঠেছে। যা দৃষ্টি ও হৃদয়কে দারূণভাবে মুগ্ধ করে। চা শ্রমিকরা জানায়, দুই মাস আগে কাটা হয়েছে গাছগুলো। কয়েকদিন আগের বৃষ্টি পেয়ে এখন তারা কুঁড়ি ছাড়তে শুরু করেছে। যে চা গাছের কুঁড়িগুলো অন্যগুলোর থেকে বেশি বড় হয়ে গেছে সেগুলোকে ইতোমধ্যে তোলা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান শ্রমিকরা। বসন্ত এলে চারপাশের সবুজ প্রকৃতি দেখে হৃদয়ে যেভাবে দারুণ অনুভুতি হয় ঠিক তেমনি বৃষ্টির পর চা গাছে নতুন কুঁড়িতে ভরে উঠতে দেখলে তাদেরও হৃদয় ও গভীর আনন্দিত হয়ে উঠে বলে জানান শ্রমিক পূর্নিমা বাগতি। আগাম বৃষ্টিপাত চায়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী। চা শিল্পের ১৬২ বছরের ইতিহাসে গত চা উৎপাদন মৌসুমে দেশে সর্বোচ্চ ৮৫.০৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন করে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল।



 

Show all comments
  • Fahim ৫ মে, ২০১৭, ১১:৫৫ এএম says : 0
    dekhle pren juria jay
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বৃষ্টির

১৪ নভেম্বর, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন