Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংকের বিকেলের অংশের পরীক্ষা স্থগিত

| প্রকাশের সময় : ২০ মে, ২০১৭, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার  : প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার বিকালের অংশের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অনিবার্য কারণ উল্লেখ করে পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স বিভাগ বিকেলের পরীক্ষা স্থগিত করার বিষটি নিশ্চিত করে। ওই বিভাগের চেয়ারম্যান আবু তালেব বলেন, অনিবার্য কারণবশত আমরা বিকালের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বিবেচনায় গতকাল (শুক্রবার) দুই ভাগে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগকে। এর আগে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পদে নিয়োগের বাছাইপর্বের সকাল ভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টায় আরেক ভাগের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সকালের অংশে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগ করেন অনেকেই। পরবর্তীতে বিকেলের অংশের পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ারও গুজব ছড়িয়ে পরে। এই পরিস্থিতিতে সকালের অংশের পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পর আয়োজক কর্তৃপক্ষ বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টায় নির্ধারিত দ্বিতীয় অংশের পরীক্ষা স্থগিত করে।  
রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে হয়। কমিটি সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে তারা সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে। পরীক্ষা নেয়ার জন্য তারা দরপত্র দেয়। অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার পদের নিয়োগ পরীক্ষার দরপত্র পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগ। এক প্রশ্নের জবাবে প্রফেসর আবু তালেব, “বিকালের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এ কারণে আমরা রিস্ক নিতে চাচ্ছি না। অভিযোগটি আমরা যাচাই বাছাই করব। পরে সুবিধাজনক সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সকালে নেওয়া পরীক্ষার বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটার ফাঁস হওয়ার অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। তারপরও বিষয়টা খতিয়ে দেখছি। অগ্রণী ব্যাংকের এই পদে দুই ভাগ মিলিয়ে মোট দুই লাখ ৩ হাজার চাকরিপ্রত্যাশীর এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে দুই ভাগে সকাল-বিকাল নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রফেসর আবু তালেব জানান, দুই সেশন মিলিয়ে দুই লাখ ৩ হাজার পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে সকালে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেন প্রায় এক লাখ চারকরিপ্রত্যাশী। আর বিকালে বাকিদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিকালের অংশের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সকালের পরীক্ষার বিষয়ে কী করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত তারা এখনও জানায়নি।###

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।