Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৪, ০৩ যিলকদ ১৪৩৮ হিজরী

রেলওয়ে থানা থেকে আটক চোরাকারবারি ছিনতাই

| প্রকাশের সময় : ২০ মে, ২০১৭, ১২:০০ এএম

নীলফামারী সংবাদদাতা : ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর নীলসাগর ট্রেনে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক চোরাকারবারি ও তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ভারতীয় কাপড় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত হয়েছে মহিলা পুলিশ সদস্য রোজিনা, নিহার, লাভলী এবং পুলিশ সদস্য এমদাদুল ও দুরুল হুদা। গত বৃস্পতিবার রাতের ওই ছিনতাইয়ের ঘটনায় ওই রাতেই জিআরপি থানার এটিএসআই হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০১, তারিখ-১৯/০৫/২০১৭।
মামলায় সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, পৌর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক, পৌর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়দুর রহমান শাহিন, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম টিটু, সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন গুড্ডু, ছাত্রলীগ কর্মী কালু, শাহীন ও বাবুকে আসামী করা হয়েছে। সৈয়দপুর পৌর আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু জানান, সৈয়দপুর শহরের পাসপোর্টধারী হিরা ও ফুলমনিকে চোরাচালানি আখ্যা দিয়ে রেলওয়ে পুলিশ অহেতুক তাদের আটক করে। তাদের কাছে বহনযোগ্য ভারতীয় কয়েক পিচ কাপড় থাকায় টাকা দাবি করে পুলিশ। দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় তাদেরকে থানায় নিয়ে আসে। আমরা বিষয়টি জানার জন্য থানায় যাই। কিন্তু সেখানে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ নিজেদের বাঁচার জন্য ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজিয়েছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার পুলিশ সুপার সিদ্দিকী তানজিলুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা সৈয়দপুর জিআরপি থানার ওসি লুৎফর রহমানকে ভয় দেখিয়ে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মারপিট করে আটক চোরাকারবারী মোহাম্মদ আলী হিরা ও মোছাম্মদ ফুলমনিকে ছিনিয়ে নেয়ার পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত ১০৪ পিচ কাপড় নিয়ে যায়।


 


Show all comments
  • Mohammed Shah Alam Khan ২০ মে, ২০১৭, ৬:৩৫ এএম says : 0
    এই সংবাদটা আমাকে গোলক ধাধায় ফেলেছে। পুলিশ যে অভিযোগ করেছে সেটাও বিশ্বাস করতে মন চায় কারন এএল এর সবাই এখন মাল কামানোর ধান্দায় ব্যাস্ত তাই চোরাইমাল সহ আসামীকে মুক্ত করে প্রচুর ব্যাবসা হবে এটাই সত্য। আবার এএল নেতাদের দেয়া বক্তব্যও বিশ্বাস করতে মন চায় কারন পুলিশ তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে না পারায় নেতাদের প্রতি ক্ষেপে যায়। পুলিশের বানানো অনেক ঘটনা আমি পড়েছি, ঘটনা বানানো তাদের হাতের খেলা তাই তারা মিথ্যার মালা গেঁথে একটা মামলা দাড়া করিয়ে দিয়ে খালাশ। পুলিশের সাজানো মামলার অপরাধে এযাবৎ কোন পুলিশের সাজা হয়েছে শুনিনি তাই পুলিশ তার কথা না শুনলে মিথ্যার জ্বাল বুনে মামলা ঠুকে দেয় এতে তাদের কোন ক্ষতি হয় না বরং যারা পুলিশের সাথে আইন দেখিয়েছিল তারাই আসামী হয়ে হাজতে আর পুলিশ তাদেরকে শারিরিক ভাবে এক হাত দেখে নেয় আবার তাদের কাছ থেকে পকেট বাণিজ্যও করে। পুলিশের লাভ ই লাভ............... বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে এটা আমার কাছে পরিষ্কার যে, পুলিশ ও এএল ভাই ভাই। তাই ভাইয়ে ভাইয়ে এহেন ঘটনা এটাই আশ্চার্য। আমি আগেও বলে আসছিলাম এখন পুলিশই সমাজকে কুলশিত করছে এএল এর স্থানীয় নেতাদের সাথে আঁতাত করে। এরাই সব অন্যায়ে সহযোগিতা দিচ্ছে এএলকে আর এএল প্রকাশ্য দিবালোকে তাদের মন মাফিক কাজ করে জনগণকে অতিষ্ট করে তুলছে। এখন স্বার্থের ব্যাঘাত হয়েছে কাজেই পুলিশ এএল এর নেতাদের বিপক্ষে মামলা দিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে আর বাহবা নিচ্ছে। এখন আমি মনে করি এর শুষ্ট বিচারের জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা উচিৎ। আল্লাহ্‌ আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ ও পুলিশদেরকে সত্য কথা বলা এবং সততার সাথে চলার ক্ষমতা দিন। আমীন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।