Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭, ০৪ কার্তিক ১৪২৪, ২৮ মুহাররম ১৪৩৯ হিজরী

অবমূল্যায়নের শিকার নজরুলোত্তর যুগের শ্রেষ্ঠ কবি ফররুখ আহমদ

| প্রকাশের সময় : ১৫ জুন, ২০১৭, ১২:০০ এএম

মোহাম্মদ আবদুল গফুর
গত ১০ জুন শনিবার অনেকটা নীরবে পার হয়ে গেল আমাদের জাতীয় জাগরণের অন্যতম প্রধান কবি ফররুখ আহমদের ৯৯তম জন্ম বার্ষিকী। আমাদের সাংস্কৃতিক জাগরণের ক্ষেত্রে যেসব কবি সাহিত্যিক ঐতিহাসিক অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে নজরুলের পর সব চাইতে শক্তিশালী কবি ছিলেন ফররুখ আহমদ। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে যে নবজাগরণের চূড়ান্ত পরিনতি হিসাবে উপমহাদেশের মুসলিম-অধ্যষিত পূর্বাঞ্চলে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছে, তার মূলে ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব, একথা সবাই জানেন। আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম লাহোর প্রস্তাবের এ সম্ভাবনার গুরুত্ব অনুধাবন করে অনাগত সে রাষ্ট্রের ভাবী নাগরিকদের শিশুকাল থেকেই উপযুক্ত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাঙ্গালী মুসলমানদের তদানিন্তন মুখপত্র দৈনিক আজাদ অফিসে ছুটে গিয়ে ছিলেন শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ পাতা ‘মুকুলের মাহফিল’ খোলার প্রস্তাব নিয়ে, এ তথ্য আমরা জানতে পারি প্রবীণ সাংবাদিক ও ঐ মুকুলের মাহফিল পাতার প্রথম পরিচালক (বাগবান) মোহাম্মদ মোদাব্বেরের ‘সাংবাদিকের রোজনামচা’ শীর্ষক গ্রন্থের কল্যাণে।
জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বাঙ্গালী মুসলমানদের সে সাংস্কৃতিক নবজাগরণের (রেনেসা) সম্ভাবনার গুরুত্ব অনুধাবন করলেও ১৯৪২ সালে এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলার কারণে সে রেনেসা আন্দোলনে স্বয়ং নিজে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। সেদিন নজরুলের শুরু-করা জাতীয় জাগরণের সে ঝান্ডা ঊধে তুলে ধরে যে কবি তাকে চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগিয়ে নিয়ে ছিলেন, তিনিই কবি ফররুখ আহমদ।
ফররুখ আহমদের জন্ম ১৯১৮ সালের ১০ জুন যশোর জেলার মাঝআইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তিনি ১৯৩৭ সালে খুলনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৩৯ সালে কলিকাতা রিপন কলেজ থেকে আই-এ পাস করার পর প্রথমে স্কটিশ চার্চ কলেজে দর্শন শাস্ত্রে এবং পরে সেন্ট পল কলেজে ইংরেজীতে অনার্স অধ্যয়ন করেন। কলেজ জীবনেই তিনি বামপন্থী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন এবং সে কারণে ঐ পর্যায়েই তাঁর ছাত্র জীবনের ইতি ঘটে।
ফররুখ আহমদের কর্ম জীবন শুরু হয় ১৯৪৩ সালে আইজি (প্রিজন) অফিসে। পরে ১৯৪৪ সালে তিনি কাজ করেন সিভিল সাপ্লাই অফিসে, আরও পরে ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত তিনি জলপাইগুড়িতে একটি ফার্মে কাজ করেন। সর্বশেষে ১৯৪৭ সালে তিনি কলিকাতা মোহাম্মদী পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন। ১৯৪৭ সালে থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত ঢাকা বেতারে স্টাফ রাইটার হিসাবে কাজ করেন।
অধিকাংশ বাঙ্গালী মুসলমান বুদ্ধিজীবি ও কবি সাহিত্যিকদের মত কবি ফররুখ আহমদও পাকিস্তান আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেন। সে উপলক্ষে তিনি কলিকাতা- কেন্দ্রিক পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটির অন্যতম সক্রিয় সদস্য ছিলেন। কিন্তুু তিনি ছিলেন আগাগোড়াই স্বাধীনচেতা। ফলে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এ রাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে যে সুবিধাবাদী প্রবণতা তিনি লক্ষ্য করেন তাতে তিনি খুব হতাশ হন। এই হতাশা তিনি প্রকাশ করেন নানা গদ্য ও পদ্য রচনার মাধ্যমে। তাঁর এসব ক্ষোভ প্রকাশের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই তিনি ব্যঙ্গ কবিতার আশ্রয় গ্রহণ করতেন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের নেতারা মুখে ইসলামের কথা বললেও তাদের বাস্তব কাজকর্মে ইসলামের খুব সামান্যই প্রতিফলন ঘটতো। তাদের এ স্ববিরোধিতার বিরুদ্ধে তিনি লিখেন ব্যঙ্গ কবিতা : ‘আহা বেশ বেশ’।
‘যতেক শয়তান মিলে উজাড় করে দেশ।
ইসলামের নাম নিয়ে ইসলাম করে শেষ \
ধূয়া : আহা বেশ বেশ ...
কেউবা ছিল দালাল এদের কেহবা উকিল।
কেউবা ছিল ভÐ আলিম আস্ত আজাজিল,
বেজায় চালক এখনো তাই খায়নি কেহ কিল,
বগলে ইট এসব পাকা জবানী দরবেশ \’
ধূয়া : আহা বেশ বেশ ....
ঘটনাক্রমে উল্লেখ করতে হয় ফররুখ আহমদ ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। সেই সূত্রে ভাষা আন্দোলনের সূচনাকারী প্রতিষ্ঠান তমদ্দুন মজলিসের সঙ্গে তাঁর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উপরে উল্লেখিত তাঁর ব্যঙ্গ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় তমদ্দুন মজলিসের মুখপত্র সাপ্তাহিক সৈনিক-এর প্রথম বার্ষিক সংখ্যায়। সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কলমযুদ্ধ চালাতে গিয়ে তাঁকে নানা ছদ্মনাম ব্যবহার করতে হতো। উল্লেখিত ব্যঙ্গ কবিতাটি তিনি রচনা করেন ‘কোরবান বয়াতী’ ছদ্ম নামে।
কিন্তু এতো গেল কবির কবির কাব্য-কৃতির কম উল্লেখ্য একটা দিক। কবির কাব্য-সাধনার মূল লক্ষ্য ছিল উপমহাদেশের মুসলিম-অধ্যুষিত জনপদের সাধারণ মানুষকে জাগিয়ে তোলা। এ কাজ করতে গিয়ে একদিকে তিনি যেমন সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর আশা আকাংখা, দু:খ বেদনার সাথে একাত্ম হয়েছেন, তেমনি উপমহাদেশের মুসলিম অধ্যুষিত পূর্বাঞ্চলের জনগণের বিশেষ সমস্যার কথা বিবেচনায় ভাষা আন্দোলনেও অংশ নিয়েছেন।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে ভাষা আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৭ সালে শুরু হলেও যে সামাজিক আবহে ভাষা আন্দোলনের জন্ম হয় তার সৃষ্টি আরও আগে। এবং ফররুখের নিচের কবিতা সে আবহকে লক্ষ্য করেই রচিত হয়েছিলো আনুষ্ঠানিক ভাষা আন্দোলন শুরুর আগেই। যেসব বাঙ্গালী মুসলমান হীনমন্যতাগ্রস্ত হয়ে মাতৃভাষা বাংলার পরিবর্তে উর্দুভাষী সেজে অভিজাত হওয়ার চেষ্টা করে তাদের উদ্দেশ্যে “উর্দু বনাম বাংলা’ শীর্ষক তীব্র শ্লেষাত্বক সনেট রচনা করে তাদের হীনমন্যতার প্রতি ধিক্কার জানিয়ে ফররুখ লেখেন :
‘দুই শো পচিশ মুদ্রা যে অবধি হয়েছে বেতন
বাংলাকে তালাক দিয়া উর্দুকেই করিয়াছি নিকা,
বাপান্ত শ্রমের ফলে আশার চামচিকা
উর্দু-নীল আভিজাত্যে (জানে তা নিকট বন্ধগণ)।
আতরাফ রক্তের গন্ধে দেখি আজ কে করে বমন?
খাঁটি শরাফতি নিতে ধরিয়াছি যে অজানা বুলি
তার চাপে চমকাবে এক সাথে বেয়ারা ও কুলি
সঠিক পশ্চিমী ধাঁচে সে মুহূর্তে করি অর্জন।
‘পূর্ণ মোগলাই ভাব তার সাথে দুপুরুষ পরে
বাবরের বংশ দাবীÑ জানি তা অবশ্য সুকঠিন
কিন্তু কোন লাভ বল হাল ছেড়ে দিলে এ প্রহরে
আমার আবাদী গন্ধ নাকে পায় আজো আর্বাচীন।
পূর্বোক্ত তালাক সূত্রে শরাফতি কবির অর্জন।
নবাবী রক্তের ঝাঁজ আশা কবি পাবে পুত্রগণ \’
কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে কলিকাতা থেকে। প্রকাশের সাথে সাথে চারদিকে সাড়া পড়ে যায় এক শক্তিশালী কবির আর্বিভাব হলো বলে। নজরুল ১৯৪২ থেকে এক দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে তখন জীবমৃত। এ কারণে নজরুলের সূচিত জাতীয় জাগরনী কাব্য ধারা অনিশ্চয়তার মধ্যে যখন হাবুডুবু খাচ্ছে, তখন ফররুখ আহমদের ‘সাত সাগরের মাঝি’ যেন জাতীয় জাগরণের এ কাব্য ধারাকে এগিয়ে নেয়ার বলিষ্ঠ আশাবাদ সৃষ্টি করলো জাতির মধ্যে। নজরুল যেখানে তার স্বজাতিকে জাগিয়ে তুলতে লিখে ছিলেন :
দিকে দিকে পুন : জ্বলিয়া উঠেছে
দ্বীন-ইসলামী লাল মশাল
ওরে বেখবর তুইও
তোর প্রাণ প্রদীপ জ্বাল।
ফররুখ সেখানে প্রতীকের আশ্রয় নিয়ে লিখলেন :
কত যে আঁধার পেরিয়ে ভোর হলো জানি না তা,
নারঙ্গী বনে কাঁপছে সবুজ পাতা
দুয়ারে তোমার সাত সাগরের জোয়ার এনেছে ফেনা
তবু জাগলে না? তবু তুমি জাগলে না?
সাত সাগরের মাঝি চেয়ে দেখো দুয়ারে ডাকে জাহাজ
অচল ছবি সে, তসবির যেন দাঁড়িয়ে রয়েছে আজ।
ফররুখ আহমদ তাঁর ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের পর প্রতীকের আশ্রয় বাদ দিয়ে ‘সিরাজাম মুনিরা’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তাঁর জীবনাদর্শ পাঠকদের কাছে সরাসরি তুলে ধরেন এবং সে আদর্শ আমৃত্যু তিনি কখনও ত্যাগ করেননি শত প্রতিকূলতার মুখেও। তবে কি তিনি আদর্শবাদিতার যুপকাষ্ঠে সার্থক কবিতার জন্য অপরিহার্য নান্দনিকতাকে বিসর্জন দেন? তাঁর সমসাময়িক কালের কোন কোন কবির মধ্যে সে ধরনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও ফররুখ সে প্রবণতাকে সব সময় সচেতনভাবে পরিহার করে চলেন। ফররুখের বিভিন্ন কাব্য গ্রন্থের দিকে লক্ষ্য করলে আমরা এ সত্যের প্রমাণ পাই।
সেই সাথে আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করি ফররুখের কাব্য-সাধনার বিচিত্রগামিতা। তিনি যেমন লিখেছেন অসংখ্য গীতি কবিতা, তেমনি লিখেছেন অনেক সার্থক সনেট তেমনি তিনি বাংলা সাহিত্যেকে উপহার দিয়েছেন মহাকাব্য ও নাট্যকাব্য। এক্ষেত্রে মাইকেল মধুসুদন দত্তের পরই তাঁর স্থান। কবিতার সর্বাধুনিক ধারা গদ্য কবিতায়ও হাত পাকিয়েছেন তিনি ‘হাবেদা মরুর কাহিনী’ রচনার মাধ্যমে। এছাড়া প্রচুর সংখ্যক শিশুতোষ কবিতা ও ব্যঙ্গ কবিতা রচনার মাধ্যমে আমাদের কাব্য জগতের এ দুটি ধারাকেও তিনি সমৃদ্ধ করেছেন।
ফররুখ আহমদের প্রধান বৈশিষ্ট্য অবশ্য তাঁর আদর্শবাদিতা। সাধারণত কবিদের ব্যক্তি জীবনে কেউ আদর্শবাদিতা আশা করে না। তাদের সুন্দর সুন্দর কথার সঙ্গে বাস্তব জীবনের সাধারণত : মিল থাকে না। কিন্তু কবি ফররুখ আহমদ এব্যাপারে ছিলেন একেবারেই ব্যতিক্রম ধর্মী। তাঁর কবিতার সত্য এবং জীবনের সত্যের মধ্যে কোন ব্যবধান ছিল না। তিনি ইসলামের সাম্য-ভ্রাতৃত্বের আদর্শে শুধু বিশ্বাসই করতেন না, তার বাস্তব জীবনাচারনেও ছিল সে আদর্শের বলিষ্ঠ প্রতিফলন। তাই ব্যক্তি জীবনে জাগতিক সমৃদ্ধির কথা তিনি কখনও কল্পনাও করেননি।
শেষ জীবনে রাজনৈতিক ভুলবোঝা বুঝি ও প্রতিহংসার শিকার হয়ে তিনি চরম অর্থ কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করতে বাধ্য হন। কিন্তুু এনিয়ে তিনি কখনও কারো কাছে দু:খ প্রকাশ করতে যাননি। বা কারো সাহায্য পাওয়ার আশাও করেননি। তাঁর এ অবস্থা দেখে তাঁর কোন কোন গুণগ্রাহী যেচে গিয়ে তাঁকে সাহায্য করতে চাইলেও তিনি তাঁদের সসম্মানে ফেরৎ দিতেন। ফলে বাংলা সাহিত্যের এই বিখ্যাত কবি প্রায় বিনা পথ্যে, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু বরণ করেন।
দু:খের বিষয় নজরুলোত্তর বাংলা সাহিত্যের এই শ্রেষ্ঠ কবিকে জীবিত থাকাকালেও যেমন বহু প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে পথ চলতে হয়েছে, তেমনি মৃত্যুর পরও তাঁকে আমরা প্রায় ভুলে যেতে বসেছি। জাতির জন্য এর চাইতে বড় লজ্জার কথা আর কিছু থাকতে পারে না। তাঁকে এক পর্যায়ে পাকিস্তান-পন্থী বলে অপবাদ দেয়া এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর একটা বাতিক হয়ে দাঁড়ায়। অথচ তিনি কখনও পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে অন্যায় সুযোগ গ্রহণ করেননি। এমন কি তিনি স্বয়ং কখনও পাকিস্তান সফরেও যাননি। অথচ যারা পাকিস্তান আমলে অসংখ্য বার পাকিস্তান সফরে গেছেন এবং পাকিস্তান সরকারের কাছে থেকে প্রচুর রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন তারা অনেকেই এখন ভোল বদলিয়ে অতি-বাঙ্গালী সেজে গাছেরটা খাওয়ার পর এখন তলেরটাও কুড়িয়ে নিজেদের ভোগ-স্পৃহা সমৃদ্ধ করে চলেছেন। এরই নাম বোধ হয় সুবিধাবাদিতার উৎকট বহি:প্রকাশ। কবি ফররুখ আহমদ ছিলেন এই সব ক্ষুদ্রতার বহু ঊর্ধ্বে। তাঁর ৯৯তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর