Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ২৯ চৈত্র ১৪২৭, ২৮ শাবান ১৪৪২ হিজরী

পরিবেশের সাথে খাপখাইয়ে নিতেই সৃষ্টি হয় সামাজিক মাধ্যমের প্রতি আসক্তি

প্রকাশের সময় : ৮ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : একজন বিশিষ্ট গবেষক মনস্তাত্ত্বিক দাবি করেছেন, আমাদের মস্তিষ্ক সংকোচন ও চারপাশের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার ফল হিসেবে সামাজিক মাধ্যমের প্রতি মানুষের আসক্তি সৃষ্টি হয়। খবর আরটি।
ব্রিস্টল বিশ^বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ব্রুস হুড মনে করেন যে সামাজিক প্রাণি হওয়ার জন্যই আমাদের মস্তিষ্কের উদ্ভব ঘটেছে। ব্রিস্টল পোস্টকে তিনি বলেন, আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যে, আমাদের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমের প্রতি একটু হলেও আসক্ত। আমাদের মস্তিষ্ক হাজার হাজার বছর ধরে টুইটার ও ফেসবুক লাইকের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। তিনি বলেন, ২০ হাজার বছরের মত আগে শেষ বরফ যুগের শেষে মানুষের মস্তিষ্ক সংকুচিত হতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা যেখানে এটা জলবায়ু পরিবর্তন বা পুষ্টিগত পরিবর্তনের ফল বলে তত্ত্ব হাজির করেছেন সেখানে হুড বলছেন যে, অভ্যন্তরীণ কারণে তা ঘটেছে। কানাডায় জন্মগ্রহণকারী বেশ কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক গ্রন্থের লেখক হুড বলেন, উচ্চ বুদ্ধিমত্তার সাথে মস্তিষ্কের সমীকরণ হয় না, কিন্তু তা পৃথক সামাজিক অভিগমনের আভাস দেয়। তিনি বিশ^াস করেন যে সমাজে বাস করার কারণে মানুষের চিন্তা প্রত্যেককে টেক্কা দেয়া থেকে ‘গ্রুপ ইন্টেলিজেন্সে’র দিকে পরিবর্তিত হয়Ñ যার অর্থ প্রতিটি প্রজন্ম তাদের জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মের কাছে প্রদান করে। হুডের মতে, লোকজন এখন স্বাভাবিক গল্পগুজবে অনুরক্ত এবং সামাজিক মাধ্যমের উন্নয়ন আমাদের তার সাথে স্রেফ আরো ব্যাপকভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।
তিনি এ কথাও উল্লেখ করেন যে, কিভাবে প্রতিটি ফেসবুকের লাইক বা টুইটারের রি-টুইট এনডরফিন নিঃসরণ করে যা সন্তোষজনক অনুভূতি ছড়ায়। এটা আমাদের স্বাভাবিক প্রত্যাশার প্রতি বৃহত্তর গ্রুপের অনুমোদনের জন্য জোরালোভাবে কাজ করে।
অধ্যাপক হুড এ মাসের শেষ দিকে ব্রিস্টল নিউরোসায়েন্স উৎসবে মূল বক্তা থাকবেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পরিবেশের সাথে খাপখাইয়ে নিতেই সৃষ্টি হয় সামাজিক মাধ্যমের প্রতি আসক্তি
আরও পড়ুন