Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌
শিরোনাম

এমসি কলেজে ছাত্রলীগ দু’গ্রুপে সংঘর্ষে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

প্রকাশের সময় : ৮ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

সিলেট অফিস : সিলেট এমসি কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ১টার দিকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এম. রায়হান চৌধুরী অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা একে অপরকে গুলি ছুড়েছে বলে জানা গেছে। এতে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১০জন আহত হয়েছেন। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এমসি কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নিপু ও রায়হান অনুসরীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সোমবার সকাল থেকে কলেজ ক্যাম্পাসে নিপু অনুসারীরা অবস্থান নেয়। বেলা ১টার দিকে রায়হান অনুসারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এসময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন নিপু গ্রুপের রতন গুপ্ত ও খায়রুল ইসলাম শাহীন। এছাড়া সংঘর্ষে আরও অন্তত ৮ জন আহত হন। তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে শাহপরাণ থানা পুলিশ ক্যাম্পাসে গিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এ ব্যাপারে নিপু অনুসারী সিলেট জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম জানান, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরী, সাবেক বহিস্কৃত সভাপতি পংকজ পুরকায়স্থ, ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া ও ছয়েফের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এসময় তারা গুলিও করে। এ ঘটনার জের ধরে সংঘর্ষ হয়েছে।
সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. রায়হান চৌধুরী বলেন- রোববার পরীক্ষার প্রবেশপত্র আনতে কলেজে যান ছাত্রলীগ কর্মী বিকাশ চন্দ্র সাহা। এসময় হিরণ মাহমুদ নিপু ও তার নেতাকর্মীরা বিকাশকে মারধর করে। এ ঘটনার জের ধরে বিকাশের সহকর্মীরা গতকাল ক্যাম্পাসে গেলে নিপু গ্রুপের আকাশ, হোসেইন, শামীম আলী ও রাসেলের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা গুলি ছুঁড়ে। পরে পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
হিরণ মাহমুদ নিপু জানান- সকাল থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিল। হঠাৎ করে রায়হান গ্রুপের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে ঢুকে গুলি করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। রায়হান গ্রুপের ছোঁড়া গুলিতে ছাত্রলীগের রতন ও শাহীন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন নিপু।
এ ব্যাপারে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করে। এ সময় ৯৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে উভয় পক্ষকে চত্রভঙ্গ করা হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ