Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭, ০৯ শ্রাবণ, ১৪২৪, ২৯ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী

হযরত মাওলানা এ কে এম হাশেম (র.)

| প্রকাশের সময় : ২৯ জুন, ২০১৭, ১২:০০ এএম

অধ্যাপক শেখ মো. কামাল উদ্দিন
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মাওলানা এ কে এম হাশেম আনুষ্ঠানিক অধ্যয়ন সমাপ্ত করে কর্মজীবনে কুরআন-সুন্নাহর আলো বিতরণের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি ১৯৬৬ সালের কামিল পাশ করার পরপরই সর্বপ্রথম কুমিল্লা জেলার বদরপুর মাদরাসায় শিক্ষকতায় আত্মনিয়োগ করেন। একজন আদর্শ শিক্ষকের গুণাবলী তাঁর মাঝে বিদ্যমান। শিক্ষকতায় ছিলেন তিনি অতি যতœবান। ছাত্ররা অতি আগ্রহ ভরে ইলম অর্জন করার জন্য তাঁর কাছে দলে দলে আসতে থাকেন। তরুণ শিক্ষক হিসেবে প্রাণ ভরে জ্ঞান বিতরণ করার ফলে চতুর্দিকে তাঁর সুনাম ছড়িয়ে পড়ল। বিশ^বিখ্যাত উস্তাদগণের ছাঁচে গড়া জীবন উজাড় করে পাঠদান করতে ভালবাসতেন।
ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক মেধাবী ছাত্র এ কে এম হাশেম ধামতী দরবার শরীফের পীর সাহেবের সাথে ঘনিষ্টভাবে যোগাযোগ রাখতেন। এক পর্যায়ে ধামতী দরবার শরীফের পীরে কামেল হযরত মাওলানা আজিমুদ্দিন (রাহ:) তাকে ধামতী মাদরাসায় খেদমতের জন্য হুকুম করেন। তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৬ সালে ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিছ পদে যোগদান করেন। সুদীর্ঘ ২৪ বছর ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় হাদীসের খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তীতে ফুরফুরা শরীফের মুজাদ্দিদে জামান আবু বকর সিদ্দিক (রহ:) এর খলিফা হযরত মাওলানা আব্দুর রহমান আল হানাফী (রাহ:) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার সোনাকান্দা দারুল হুদা বহুমুখী কামিল মাদরাসায় প্রধান ফকিহ পদে ১লা জুলাই ১৯৯০ সালে যোগদান করে ফিক্হ শাস্ত্রের খেদমতে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ৩১ আগস্ট ২০০৬ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ১৬ বছর দ্বীনী খেদমতে জীবন উৎসর্গ করেন।
তিনি শিক্ষকতাকালে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত কামিল হাদীস ও ফিক্হ বিভাগের পরীক্ষক, প্রধান পরীক্ষক, প্রশ্নপ্রণেতা ও কামিল মৌখিক পরীক্ষক নিয়োজিত ছিলেন। তিনি সততায় ও কর্মতৎপরতায় বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাগণের সুনাম কুঁড়িয়েছিলেন।
পরিণত বয়সে তিনি ধামতী দরবার শরীফের পীর আল্লামা হযরত মাওলানা আজীমু্িদ্দন (র.) সাহেবের পুত্র হযরত মাওলানা মুহাম্মদ মোখলেছুর রহমান (র.) এর কন্যা নূরজাহান বেগম’র সাথে ১৯৬৭ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বৈবাহিক জীবনে অত্যন্ত সুখি ছিলেন।তার স্ত্রী নূরজাহানের জন্ম ০১ মার্চ ১৯৫২ সাল বলে জানা যায়। ৪ ছেলে ও ৪ কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন তিনি। আপন সন্তানাদিকে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করার সকল ব্যবস্থা করেন। তাঁর একমাত্র শ্যালক হযরত মাওলানা নূরুল্লাহ।
তিনি তাঁর সন্তানাদিকে দ্বীনী শিক্ষা প্রদানে সার্থক ছিলেন। মরহুম এ কে এম হাশেম (র.) এর প্রথম পুত্র মাওলানা এ কে এম মুহিব্বুল্লাহ হাশেমী ১৯৭০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ১৯৮৯ সালে দাখিল, ১৯৯১ সালে আলিম, ১৯৯৩ সালে ফাযিল ও ১৯৯৫ সালে হাদীস বিভাগ থেকে কামিল পাশ করেন। সকল শ্রেণিতে প্রথম বিভাগ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৯৮ সালে কুড়াখাল কুরুন্ডী দাখিল মাদরাসায় সহকারি মৌলভী পদে চাকুরীতে যোগদান করেন। বর্তমানে মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসায় সহ-সুপার পদে কর্মরত। তিনি ১৯৯৬ সালে চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসি গ্রামের মাওলানা আবদুল মালেক ও সাজেদা বেগমের দ্বিতীয়া কন্যা মাহজুবা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার ৪ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তান রয়েছে। ছেলেদের মধ্যে প্রথম ছেলে হাবিবুর রহমান, আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০১৩ সালে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা ও ২০১৫ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছেন। বর্তমানে আলিম দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। দ্বিতীয় ছেলে মোখলেছুর রহমান জাবির আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০১৪ সালে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়ে বোর্ড বৃত্তি লাভ করে। ২০১৭ সালে দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়েছে। বর্তমানে আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছেন। তৃতীয় ছেলে আবদুল হালিম আবির কুমিল্লা জেলাধীন দেবিদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ফাযিল মাদরাসায় ৭ম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে। চতুর্থ ছেলে তানাদ হেশাম সাব্বির ফতেহাবাদ পাইলট স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। একমাত্র কন্যা আয়েশা খাতুন মোবাশ্শারাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা সদরে অবস্থিত আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত হয়। বর্তমানে সুলতানপুর ফাযিল মাদরাসায় দাখিল নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
মরহুম এ কে এম হাশেম (র.) এর দ্বিতীয় পুত্র মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৭২ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ১৯৯০ সালে দাখিল, ১৯৯২ সালে আলিম, ১৯৯৪ সালে ফাযিল ও ১৯৯৬ সালে কামিল পাশ করেন। সকল শ্রেণিতে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয় এবং শিক্ষা বোর্ডের মেধা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়ে বোর্ডের বৃত্তি লাভ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে বিএ পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে প্রথম শ্রেণি লাভ করে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১০ স্থান অধিকার করেন। তিনি কর্মজীবনের শুরুতে আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিস পদে চাকুরীতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে গাজীপুর জেলাধীন দুর্বাটি কামিল মাদরাসায় মুহাদ্দিছ পদে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে চীন দেশে ব্যবসা করছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম অধিবাসী আলহাজ¦ মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও নাসিমা বেগম’র কন্যা ইসরাত জাহান’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার ২ কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রথম কন্যা তাহিয়া আক্তার উত্তরায় স্কুলে অধ্যয়ন করছে। ছোট কন্যা তাফরিহা আক্তার মায়ের সাথে বসবাস করছে।
মরহুম এ কে এম হাশেম (র.) এর তৃতীয় পুত্র হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ ১৯৯৮ সালে ঢাকাস্থ রায়ের বাজার হাফেজী মাদরাসা থেকে পবিত্র কুরআন হিফজ সমাপ্ত করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন কসবা পৌর সদরের ঐতিহ্যবাহী আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০০৬ সালে দাখিল ও ২০০৯ সালে আলিম পাশ করেন। পরে ফাযিল ও কামিল পাশ করে বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার বহি:র্বিশ^ কার্যক্রম অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন। তায়েফ ইন্টারন্যাশনাল ট্র্যাভেল্স এর পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
মরহুম এ কে এম হাশেম (র.) এর চতুর্থ পুত্র হাফেজ মাওলানা হুজ্জাতুল্লাহ ২০০৩ সালে ঢাকাস্থ রায়ের বাজার হাফেজী মাদরাসা থেকে পবিত্র কুরআন হিফজ সমাপ্ত করেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা সদরের আড়াইবাড়ী ইসলামিয়া সাঈদীয়া কামিল মাদরাসা থেকে দাখিল, আলিম, ফাযিল ও কামিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। চট্টগ্রামস্থ আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় থেকে বিএ সম্মান পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। সে বিভিন্ন পরীক্ষায় বৃত্তি ও সহপাঠক্রমিক কার্যকলাপে পুরস্কার লাভ করে।
কন্যাদের মধ্যে বড় মাহবুবা বেগম, স্বামী মাওলানা আহমাদ উল্লাহ, উপাধ্যক্ষ. হাজীগঞ্জ দারুল উলূম আহমাদিয়া কামিল মাদারাসা, চাঁদপুর। তাদের ৩ ছেলে ও ২ কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে মোহাম্মদ সামী হাজীগঞ্জ দারুল উলূম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০১১ সালে জিডিসি পরীক্ষায় এ গ্রেড, ২০১৩ দাখিল পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। ২০১৫ সালে হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজ থেকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে বর্তমানে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছে। দ্বিতীয় ছেলে মোহাম্মদ সাকি হাজীগঞ্জ দারুল উলূম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০১৪ সালে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে জিপিএ ৫ পেয়ে বোর্ড বৃত্তি লাভ করে। ২০১৭ সালে দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে জিপিএ ৪.৯৪ পেয়েছে। তৃতীয় ছেলে মোহাম্মদ ফাউজান হাজীগঞ্জ দারুল উলূম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০১৬ সালে জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৯৪ পেয়ে বর্তমানে ওই মাদরাসায় দাখিল দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বড় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার ওই মাদরাসা থেকে ২০১২ সালে দাখিল ও ২০১৪ সালে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামস্থ মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। ছোট মেয়ে ইয়াকুক রিসা স্থানীয় মাদরাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে।
মেঝো মেয়ে মাসুমা আক্তার শিশুকালে সময়ে ইন্তেকাল করেন। তাকে সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফ গোরস্থানে সমাহিত করা হয়। তার ইন্তেকালের পর হযরত মাওলানা এ কে এম হাশেম সাহেবের পরে এককন্যা জন্ম নিলে তার নাম রাখা হয় মাসুমা আক্তার।
সেঝো মেয়ে মাসুমা আক্তার হাজীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৯ সালে এসএসসি ও ... .সালে এইচ এস সি পাশ করে পরে বিএ সম্মান পাশ করেছেন।
ছোট মেয়ে মারুফা আক্তার ২০১০ সালে দাখিল ও ২০১৩ সালে আলিম জিপিএ ৫ পেয়েছে। পরবর্তীতে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, উত্তরা, ঢাকা থেকে বিএ অনার্স পাশ করেছেন।
মরহুম মাওলানা আবুল হাশেম (র.) ও তাঁর স্ত্রী মরহুমা নূরজাহান বেগম স্বীয় সন্তানাদিকে দ্বীনী শিক্ষা প্রদানে ছিলেন অটল। তিনি ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত ইবাদতগুজার ছিলেন। সদা যিক্র আযকার করতে পছন্দ করতেন। সর্বক্ষণ কিতাবাদী মোতায়ালা করতেন। ছাত্রদের পাঠদানে ব্যস্ত থাকতেন। ভারত বর্ষের খ্যাতিমান সিলসিলা ফুরফুরার পীর মুজাদ্দেদে জামান আবু বকর সিদ্দিক (র.) এর খলিফা তৎকালীন পূর্ব বাংলার সুপ্রশিদ্ধ পীরে কামেল আলহাজ¦ হযরত মাওলানা আজিমুদ্দিন (র.)এর নিকট বায়াত হন। তিনি ফতেহাবাদ নিজ বাড়ীতে বার্ষিক মাহফিল প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর ইন্তেকালের পর ফুরফুরা শরীফের পীর হযরত মাওলানা আবদুল্লাহিল মারুফ সিদ্দিকী সাহেব “ফতেহাবাদ সিদ্দিকীয়া খানকা শরীফ” নামকরণ করেন। উক্ত খানকায় প্রতি বছর ১৯ মাঘ বার্ষিক মাহফিল পালন করা হয়। তাঁর বড় ছেলে হযরত মাওলানা এ কে এম মুহিব্বুল্লাহ হাশেমী প্রতি বাংলা মাসের ১৯ তারিখ তালিমের মাহফিল পরিচালনা করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উস্তাদগণ হলেন: ছারছিনা দারুস সুন্নাহ মাদরাসার শায়খুল হাদীস খোত্তানী হুজুর (র.), ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার হযরত মাওলানা ছুফি উল্লাহ (র.) ও সুলতানপুর দাখিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা হযরত আবদুল হক (র.) প্রমুখ।
(চলবে)

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।