Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী

আলেম-ওলামাদের বঞ্চিত করবে এমন শক্তি ক্ষমতায় আসার সুযোগ নাই -এ এম এম বাহাউদ্দীন

মেধাবী শিক্ষার্থীরাই মাদরাসায় পড়াশুনা করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

| প্রকাশের সময় : ১৬ জুলাই, ২০১৭, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরাই এখন মাদরাসায় পড়াশুনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এড্যা. আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা যে সিলেবাসে পড়াশুনা করছে সেই একই সিলেবাস পড়ানো হচ্ছে মাদরাসাতেও। ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো অভিন্ন থাকার পরও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা কোরআন, হাদীসসহ অন্যান্য ধর্মীয় বিষয় পড়াশুনা করছে। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চেয়ে বেশি মেধাবী না হলে এতোগুলো বিষয় পড়া তাদের পক্ষে সম্ভব হতো না।
বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, ৯৩ শতাংশ মুসলমানের দেশে ৩০ শতাংশ ভোটার শুধু মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। আর আলেম সমাজই জনমত গঠনে মূল শক্তি হিসেবে কাজ করে। ফলে আগামী দিনে এমন কোন শক্তির এদেশের ক্ষমতায় আসা সম্ভব হবে না, যারা আলেম-ওলামাদের সুযোগ সুবিধা কমাবে এবং বঞ্চিত করবে।
গতকাল (শনিবার) গাজীপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন। গাজীপুর জেলার মাদরাসা প্রধানদের সমন্বয়ে মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়ন শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন গাজীপুর জেলা ও মহানগর শাখা।
আলোচনা সভায় বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধর্মীয় শিক্ষা বান্ধব উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের শতবছরের দাবি ছিল ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা ক্ষমতায় আসার আগে কথা দিয়েছিলাম এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। ক্ষমতায় এসে সেটি করেছি। মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দুর করা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এছাড়া আরও যেসব বৈষম্য তাও খুব অল্প সময়ে দূর করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। তবে এতো কিছুর পরও এক শ্রেণির লোক আওয়ামী লীগকে মুসলমানই মনে করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোজাম্মেল হক বলেন, এক শ্রেণির লোক বলে আমরা নাকি ইসলামে বিশ্বাস করি না। তারা বলে আমরা প্রকৃত মুসলমান নই, মুসলমান নামধারী। এক সময় বলা হতো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে মসজিদে আজান বন্ধ হয়ে যাবে। উলুধ্বনি দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সময়ে ফাজিল-কামিলের মানসহ কওমী মাদরাসার সনদ দেয়ার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েন, কোরআন তেলাওয়াত করেন। তিনি ধর্মকে মানেন। আর অন্যজন ধর্মকে নিয়ে রাজনীতি করেন। ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার পর বিএনপি নেতারা উল্লোসিত হয়েছে। এখন তারা বলছেন বিচার বিভাগ স্বাধীন। এই বিচার বিভাগের অধীনের তাদের অনেক মামলার রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তখন তারা কি বলে সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইহুদীরা মিলে সারা বিশ্বে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলাম ধর্ম ও এর অনুসারিদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আর তাদের এই ষড়যন্ত্রে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে ইসলামের অপব্যাখ্যায় পথভ্রষ্ট ব্যক্তি। এজন্য তিনি আলেম সমাজকে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানান।
জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, সরকার মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বিশাল বিশাল কার্যক্রম ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে এবং সবগুলো সাফল্যমন্ডিত হয়েছে। অতি অল্প সময়ে, স্বল্প সংখ্যক লোক এবং বাজেট নিয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় সাফল্য দেখিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এবতেদায়ী শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বৈষম্য নিয়ে আমরা কথা বলছি। এখন এটি সমাধানের কাছাকাছি। এবতেদায়ী শিক্ষকরা যে বৈষম্যের শিকার এবং মাদরাসা শিক্ষার আরও যে বিষয়গুলো বাকী আছে তা নির্বাচনের আগেই তা হয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমরা একটা কমপ্লেক্স সমাজের মধ্যে আছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সহযোগী সংস্থাগুলো (বিশ্বব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন) যে অর্থ দেয় তা ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত যুক্ত ও নিয়ন্ত্রণ থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা অর্থ দিচ্ছে তারা মাদরাসা শিক্ষার অনুরাগী না। তারপরও এদেশে মাদরাসা শিক্ষার সাথে জড়িত প্রশাসনের ব্যক্তিরা প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করছেন এবং মাদরাসা শিক্ষাকে এগিয়ে নিচ্ছেন। সর্বোপরি মাদরাসা শিক্ষার অগ্রগতির জন্য মাদরাসা শিক্ষকদের সহযোগিতা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী মাদরাসা শিক্ষার প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক এবং অনুরাগী। সব সময় এই ধরণের অনুরাগী ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়া যাবে না। এজন্য এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদরাসা শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে হবে। দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পলিসির কারণে কওমী কিংবা আলিয়া মাদরাসার নেতৃবৃন্দ, এটার সাথে সংশ্লিষ্টরা কাছে আসছেন। ল্যাটিন আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচের অনেক দেশে টাকা পয়সা আছে। কিন্তু একটা দক্ষ সমাজ রাষ্ট্র গঠন করতে পারে না। সারা দুনিয়াতে এতো যুদ্ধ হয়ে গেলো এবং এবছরে তা সমাপ্তির দিকে যাচ্ছে। বাংলাদেশে এই উত্তাল অবস্থার মধ্যে উগ্রবাদ, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদ প্রশ্রয় পায় নাই। এ ব্যাপারে এদেশের সব মাদরাসা, মসজিদ ও আলেম সমাজ সরকারের সাথে আছে। বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা ঘটে থাকলে ঘটতে পারে কিন্তু সার্বিকভাবে তারা সহযোগিতা করছে এবং করবে।
তিনি বলেন, সরকারকে আলেম সমাজকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। যেহুতু তারা জনমত ধরে রাখার মূল শক্তি। তাদেরকে নিয়ে সরকারের আরো কাছ থেকে কাজ করা উচিত। আগামী দিনের রাজনৈতিক চিন্তা চেতনা থেকেই প্রধানমন্ত্রী কওমী মাদরাসার স্বীকৃতি ও তাদের কাছে টেনে নিয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা এবং ভোটের হিসাব বুঝতে পারছেন বলেই এটি হয়েছে। একইভাবে সমস্ত মাদরাসা শিক্ষক ও আলেম-ওলামাদের সম্মান বৃদ্ধি হয়েছে। আগামী দিনে এমন কোন শক্তি এদেশে আসা সম্ভব হবে না, যারা আলেম-ওলামাদের সুযোগ সুবিধা কমাবে এবং বঞ্চিত করবে। আগামীদিনের যত দুর্যোগ সবগুলোতে মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করবে এবং পাশে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালে যে বাংলাদেশ দেখতে চান মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই সেই বাংলাদেশ অর্জিত হবে। তারাই সেই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। কেননা আলেম সমাজকে এড়িয়ে বাংলাদেশে কোন কিছু করা সম্ভব হবে না।
গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের এবং জমিয়াতুল মোদার্রেছীন গাজীপুর জেলার সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ জহিরুল ইসলামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিল্লাল হোসেন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ কে এম ছায়েফউল্লাহ, গাজীপুর জেলার শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ও গাজীপুর জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমেদ মোমতাজীর, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব ড. এ কে এম মাহবুবুর রহমানসহ গাজীপুর জেলা ও মহানগর জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নেতৃবৃন্দ। ####



 

Show all comments
  • জামাল ১৬ জুলাই, ২০১৭, ১:১৫ পিএম says : 0
    আলেম সমাজকে এড়িয়ে বাংলাদেশে কোন কিছু করা সম্ভব হবে না। তাই যারাই আলেমদের কদর করবে তারাই এগিয়ে যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • গোলাম কিবরিয়া ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:২৬ পিএম says : 0
    আলেম সমাজ সোচ্চার হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইহুদী এবং নাস্তিকদের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে বলে আমিও বিশ্বাস করি।
    Total Reply(0) Reply
  • নিঝুম ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:২২ পিএম says : 0
    যৌক্তিকভাবে মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে মেধাবী হিসেবে তুলে ধরায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এড্যা. আ ক ম মোজাম্মেল হক সাহেবকে মাদ্রাসা ছাত্রদের পক্ষ থেকে জানাই মোবারকবাদ।
    Total Reply(0) Reply
  • আশরাফুল ইসলাম ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:২৯ এএম says : 0
    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এড্যা. আ ক ম মোজাম্মেল হক সাহেবের বক্তব্য শুনে খুব ভালো লাগলো।
    Total Reply(1) Reply
    • হুমায়ন কবির ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩১ এএম says : 0
      মন থেকে বা তথ্যের ভিত্তিতে বলে থাকলে ভালো, তবে ভোটের জন্য বললে ধন্যবাদ দিতে পারবো না।
  • Sahin ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৪ এএম says : 0
    atodin pore hole o bisoyti bujar jonno thanks
    Total Reply(0) Reply
  • ইউসুফ আলী ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৮ এএম says : 0
    এই কথাটা সকলেরই মনে রাখতে হবে যে, বাংলাদেশ ৯৩ শতাংশ মুসলমানের দেশ এখানে এই জনগোষ্ঠির চিন্তা-চেতনার বাইরে কোন কিছু ভাবার সুযোগ নাই।
    Total Reply(0) Reply
  • ইব্রাহিম ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৯ এএম says : 0
    মন্ত্রী একদম ঠিক কথা বলেছেন যে, ‌'জঙ্গিরা ইসলামের জন্য নয়, বরং শান্তির ধর্ম ইসলামকে ছোট করার জন্য এমনটি করছে। ' সুতরাং এরা দেশ ও ইসলামের শত্রু।
    Total Reply(0) Reply
  • Noman ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৯ এএম says : 0
    এবতেদায়ী ও কওমী মাদরাসাগুলো নুরানী মাদরাসার ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • আজাদ ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৪০ এএম says : 0
    সত্য কথা বলার জন্য মাননীয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সাহেবকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
    Total Reply(0) Reply
  • জামাল উদ্দিন ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৪০ এএম says : 0
    এই সত্যটি যে কবে নামধারী প্রগতিশীলরা বুঝবে ?
    Total Reply(0) Reply
  • Sultan ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৪১ এএম says : 0
    Madrasah education is the best education of the world. It was based on religion. The subjects of their teaching were the Quran, the hadith, the duties and responsibilities of a true Muslim. Then all the Madrasah functioned well as their aims and objectives were confined to the religion and the religious teaching. So those people whom are study here they can lead the country properly.
    Total Reply(0) Reply
  • মাওলানা নুরুল আমিন ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৪২ এএম says : 0
    মাদরাসা শিক্ষা ও ইসলামের জন্য আপনার ও আপনার পিতার অবদান এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা জীরদিন মনে রাখবে। আপনাদের কাজ আপনারা চালিয়ে যান। এদেশের মানুষ সর্বদাই আপনাদের পাশে আছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Habib Hasan ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৪৩ এএম says : 0
    ওলী-আউলিয়ারা, আলেম, ওলামা, মাশায়েখরাই এই সমাজের স্তম্ভ। আমাদের দেশ যতটুকু শান্তি ও সমৃদ্ধিতে আছে সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান তাদের।
    Total Reply(0) Reply
  • বাবুল ১৬ জুলাই, ২০১৭, ১:১৩ পিএম says : 0
    আলেম ওলামাদের বঞ্চিত হওয়ার মুল কারণ হচ্ছে তারা ঐক্যবদ্ধ নয়। যদি তারা ঐক্যবদ্ধ হতো তাহলে এদেশ তারাই পরিচালনা করতো।
    Total Reply(0) Reply
  • হাফিজুর রহমান ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:২৯ পিএম says : 0
    এবতেদায়ী শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বৈষম্যের বিষয়টি অত্যান্ত গুরুত্বে সাথে বিবেচনা করার জন্য বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি। কারণ তারা খুবই মানবতর জীবন যাপন করছে।
    Total Reply(0) Reply
  • ইমরান ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:৩৫ পিএম says : 0
    মাদ্রাসা শিক্ষিতদের হাতেই দেশে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো নিরাপদ। তারা অন্যান্য সকলের তুলনায় সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল। কারণ তাদের মধ্যে ইসলামের জ্ঞান আছে, সর্বোপরি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ভয় আছে।
    Total Reply(0) Reply
  • আবু নোমান ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:৪৬ পিএম says : 0
    মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেব ও তার পরিবারকে জানাই হাজার সালাম।
    Total Reply(0) Reply
  • ইসমাঈল হোসেন ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:৪৩ পিএম says : 0
    মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা ছাড়া দেশের বড় কোন লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়।
    Total Reply(0) Reply
  • দিনার মাহমুদ ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:৫৮ পিএম says : 0
    আল্লাহ এদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা ও ইসলামের আপনাদের এই অক্লান্ত পরিশ্রমকে সফল করুক- এটা মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমার প্রার্থনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Abdul Latif ১৬ জুলাই, ২০১৭, ২:৫৯ পিএম says : 0
    ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতেই দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব টিকে থাকতে হলে জনগণ যে বিশ্বাস চিন্তা-চেতনা রয়েছে তা সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Nurul Islam ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:২৪ পিএম says : 0
    Madrasah Students are all-rounder. They learn Bangla and English like general students. As well as they learn Arabic. On other hand, they learn general education and science like general student. they also learn about Islam. So we think they are better than others.
    Total Reply(0) Reply
  • তোফায়েল আহমেদ ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:২৮ পিএম says : 0
    আমাদের সকলের খুঁজে বের করা উচিত যে ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে কেন আমরা বঞ্চিত হচ্ছি? কেন ইসলামী বিধিবিধান মানতে বাধার সম্মূখীন হতে হচ্ছে? কেন ইসলামী সরকার নেই?
    Total Reply(1) Reply
    • নাহিদ ১৭ জুলাই, ২০১৭, ১২:০৯ এএম says : 0
      এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পেলেই এই দেশে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।
  • মোহাম্মদ আলী ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৩ পিএম says : 0
    বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে ইসলামী ও ইসলামী শিক্ষার ওপর অনেক দিক দিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে, মিথ্যাচার চলছে। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এসব ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করতে হবে।
    Total Reply(1) Reply
    • Sabbir ১৭ জুলাই, ২০১৭, ১২:০৮ এএম says : 0
      In sha Allah, We are ready
  • শান্তা ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৫ পিএম says : 0
    হে আল্লাহ দ্বীনের জন্য বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন, দৈনিক ইনকিলাব, আলহাজ্ব এ এম এম বাহাউদ্দীন সাহেবসহ সকলের এই প্রচেষ্টাকে তুমি কবুল ও মঞ্জুর করে নেও।
    Total Reply(1) Reply
    • রোমান ১৭ জুলাই, ২০১৭, ১২:০৭ এএম says : 0
      আমিন। পাশাপাশি আমাদের যে যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই পূর্ণ সফলতা পাওয়া সম্ভব।
  • জাফর ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৪:৩৭ পিএম says : 0
    বর্তমান বাংলাদেশে যদি কেউ আলেম ওলামাদের বঞ্চিত করার চিন্তা করে, তাহলে তারা ইতিহাসের আস্তাকূড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohiuddin ১৬ জুলাই, ২০১৭, ৬:০১ পিএম says : 0
    Every muslim should acquire islamic knowledge. Because islam is the comlpete code of life. And Madrasah is the soursc of basic knowledge. Specily Kowmi Badrasah is most Important for this perpose.
    Total Reply(0) Reply
  • রাব্বি ১৭ জুলাই, ২০১৭, ১২:০৬ এএম says : 0
    এবতেদায়ী শিক্ষকদের বেতন-ভাতার বৈষম্যের বিষয়টি সমাধানের কাছাকাছি শুনে খুব ভালো লাগলো।
    Total Reply(0) Reply
  • parvez ১৭ জুলাই, ২০১৭, ১২:১০ এএম says : 0
    Thanks a lot to all whom are working for Madrasah Education
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ