Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬, ১২ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

কমছে পানি বাড়ছে ভাঙন

| প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৭, ১২:০০ এএম

যমুনায় আরও কমছে : সিলেটে প্রায় অপরিবর্তিত : বরাক উজানে পানি কমেছে : পদ্মায় ধীরে বাড়ছে সর্বত্র খাদ্য পানি ওষুধ-পথ্যের অভাব প্রকট : জরুরী ত্রাণ সাহায্যের আশায় তাকিয়ে অসহায় লাখো মানুষ : পানি নামার সাথে বাড়ছে নদ-নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে শত শত ঘরবাড়ী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ইনকিলাব ডেস্ক :বন্যাকবলিত মানুষ ত্রাণের জন্য আহাজারি করছে। কিন্তু জুটছে না কাঙ্খিত ত্রাণ কিংবা আশ্রয়। শিশু-বৃদ্ধ ও মহিলাদের দুঃখ-যন্ত্রণায় পড়তে হচ্ছে বেশি। জরুরী ত্রাণ সাহায্যের আশায় তাকিয়ে আছে অসহায় লাখো মানুষ। কুড়িগ্রাম বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী। জামালপুরে বন্যায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ৬ জন মারা গেছে। ৭টি উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে ৪৫ হাজার পরিবারের ২ লাখ ২৮ হাজার ৮৮০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।২’শ ৯৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। রায়পুরার চানপুরে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা ও ধলেশ্বরী নদী ভাঙ্গনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনসহ দুইশতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। মানুষ হয়েছে আশ্রয়হীন আর শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম দুশ্চিন্তায়। পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত : শিবচরের ২ টি ইউনিয়নে ব্যাপক নদীভাঙন জন জীবন বিপন্ন।বানবাসী মানুষের দুঃখ দুর্দশা ও দুগতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্যের আলোকে রিপোর্ট-
বিশেষ সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম থেকে জানান, উত্তরাঞ্চল, মধ্য ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সর্বত্রই বন্যার্তদের মাঝে হাহাকার অব্যাহত রয়েছে। সর্বত্র খাদ্য, পানি, ওষুধ-পথ্যের অভাব প্রকট। বন্যাবাহিত বিভিন্ন রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়েছে এখানে-সেখানে। শিশু-বৃদ্ধ ও মহিলাদের দুঃখ-যন্ত্রণায় পড়তে হচ্ছে বেশি। জরুরী ত্রাণ সাহায্যের আশায় তাকিয়ে আছে অসহায় লাখো মানুষ। তবে তারা হাতে পাচ্ছে কেউ যৎসামান্য, অনেকেই পাচ্ছে না। বানের পানি ভাটির দিকে তীব্রবেগে নামার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে নদ-নদীর ভাঙন। নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে প্রবল ঘূর্ণি¯্রােতে নদ-নদী উত্তাল থাকার কারণে। এদিকে গতকাল (সোমবার) যমুনা নদের পানি আরও কমেছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গতকাল দুপুর পর্যন্ত বৃদ্ধির দিকে থাকলেও বিকেল পর্যন্ত ফের কিছুটা কমতির দিকে ছিল। উত্তর-পূর্ব ভারতে বরাকের উজানে বাঁধের পানি ছাড়া প্রায় শেষ হয়ে আসায় উজানের প্রবাহ কিছুটা কমেছে। তবে এ অবস্থায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি সার্বিকভাবে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীতে পানি ধীরে বাড়ছে এবং পদ্মার ভাটির দিকে বন্যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে নদ-নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীপাড়ের মানুষ এখনও আতঙ্কে আছেন। রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরিয়তপুরসহ অনেকগুলো নি¤œাঞ্চলের প্লাবিত এলাকা থেকে বানের পানি নামেনি।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, গতকাল ৬টি নদ-নদী ১১টি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল। গত রোববার ছিল ১২টিতে। দেশের ৯০টি পানির সমতল পানি বৃদ্ধি পায় ৩৪টিতে। পানি হ্রাস পায় ৪৯টি পয়েন্টে। অপরিবর্তিত থাকে ৪টিতে। পূর্বাভাসে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, ও পদ্মা নদ-নদীসমূহের পানির সমতল হ্রাস পাচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনায় পানির সমতল হ্রাস আগামী ৭২ ঘণ্টায়ও অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা নদীর পানির সমতল বৃদ্ধি আগামী ২৪ ঘন্টায়ও অব্যাহত থাকতে পারে। পদ্মা সদীর পানির সমতল হ্রাস আগামী ৪৮ ঘণ্টায় অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানি আগামী ২৪ ঘন্টায় হ্রাস পেতে পারে। অবশ্য গতকাল গঙ্গা এবং সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। বিকেল পর্যন্ত যমুনা নদ চারটি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে আগের তুলনায় সবক’টি পয়েন্টে পানি কমেছে। এখন যমুনা সর্বোচ্চ বিপদসীমার উপরে রয়েছে সিরাজগঞ্জে ৪০ সেমি ঊর্ধ্বে। আর পদ্মা গোয়ালন্দে একটি পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করলেও গতকাল বিকেল অবধি পানি কমে ১০ সেমি ব্যবধানে নেমেছে। এছাড়া আত্রাই ও ধলেশ্বরী বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে সিলেটে সুরমা কানাইঘাটে বিপদসীমার সর্বোচ্চ ৭০ সেমি এবং কুশিয়ারা নদী কানাইঘাটে সর্বোচ্চ ১১৯ সেমি উপর দিয়ে বইছিল।
সিলেটে প্রচন্ড গরম :বন্যার পানি কমার অপেক্ষায় লাখো মানুষ
ফয়সাল আমীন সিলেট থেকে জানান, সিলেটে টানা বৃষ্টিপাতের পর তীব্র গরম পড়েছে। ফলে সিলেটে বন্যার পানি কমার অপেক্ষায় রয়েছেন লাখো মানুষ। তবে ভারতের আসামসহ কয়েকটি রাজ্যে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারায় পানি প্রবাহ বেড়েছে বলে জানা গেছে।
সিলেট আবহাওয়া সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার দিনের তাপমাত্রা শুরুতে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিদ্যমান থাকলেও দুপুরের দিকে ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পৌঁছে। রাতে হালকা বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে । সিলেটে আজ মঙ্গলবার একই তাপমাত্রা থাকতে পারে পূর্ভাবাস দিয়েছে সিলেট অফিস।
জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি
নূরুল আলম সিদ্দিকী জামালপুর থেকে জানান, জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির পথে। দ্রæত কমতে শুরু করেছে যমুনার পানি। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি ২৯ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলেও পানিবন্দি লাখো মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে।
এসব মানুষের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও গো-খাদ্যের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে পানিবন্দি থাকায় দেখা দিয়েছে পানি বাহিত নানা রোগ। বন্যা কবলিত দূর্গম এলাকাগুলোতে বিভিন্ন বাঁধ ও ব্রীজের উপর আশ্রয় নেয়া মানুষের প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, জামালপুরের জেলা প্রশাসকের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে জানান, বন্যায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ৬ জন মারা গেছে। এবারের বন্যায় জেলার ৭টি উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে ৪৫ হাজার পরিবারের ২ লাখ ২৮ হাজার ৮৮০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ২’শ ৭৩ কিলোমিটার গ্রামীন কাঁচা রাস্তা আংশিক এবং ৪৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তার আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ফসলের ক্ষতি হয়েছে ৭ হাজার ৪০৪ হেক্টর। ২’শ ৯৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। দুর্গত এলাকায় ৭৫টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।
ইসলামপুর(জামালপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ইসলামপুরে যমুনার চরের বানভাসী শিক্ষার্থীরা হতাশ ও চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ভাঙ্গনের কারণে ইতিমধ্যে চেঙ্গানীয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। ফলে কোথায় লেখাপড়া করবে এমন প্রশ্নে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলবিহীন হতাশগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।
সুন্দরগঞ্জে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত চার দিনের ব্যবধানে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি ১৫ হতে ২০ সেন্টিমিটার কমে গেছে। দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। বরাদ্দকৃত ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
রায়পুরার চানপুরে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন
সরকার আদম আলী, নরসিংদী থেকে জানান, নরসিংদীর চানপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে মেঘনার ভাঙন শুরু হয়েছে। গত শনিবার রাতে ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামের ওয়াসেক মিয়া, বরকত আলী, মনির ও নুরজাহানসহ ৫/৬টি বাড়ী মেঘনা গর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে আরো অন্তত: আরো ৩ শত বাড়ীঘর। এসময় নদীপাড়ের লোকজনের মধ্যে কান্নাকাটি শুরু হয়। চানপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোমেন সরকার জানিয়েছেন, ভারত থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে মেঘনায় ব্যাপক খরস্রোত দেখা দিয়েছে। স্রোতের পানি পাড়ে ধাক্কা লেগে ভাঙন শুরু হয়েছে। সরকারী সাহায্য না পেলে পরিবারগুলো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে জানান তিনি।
টাঙ্গাইলের যমুনা ও ধলেশ্বরী নদী ভাঙ্গনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনসহ দুইশতাধিক বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন
আতাউর রহমান আজাদ, টাঙ্গাইল থেকে জানান, টাঙ্গাইলে বন্যার পানি কমার সাথে সাথে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর ও নাগরপুর উপজেলার চরাঞ্চলে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দুইশতাধিক ঘরবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ঘরবাড়ি হারা এসব মানুষের অভিযোগ নদী ভাঙ্গনের কারণে আমরা এখন নিঃস¦ হওয়া সত্তে¡ও সরকারি সাহায্য তারা পাচ্ছে না।
ভাঙ্গনের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে আবাদি জমি, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র গুলো। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের আগদিঘুলিয়া বাজারের কমপক্ষে ৩৭টি দোকান ঘর, ১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪টি মন্দির ও শশ্মানসহ অর্ধ শতাধিক বসত বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বহু আবাদী জমি ও গাছপালা ইতো মধ্যে ধলেশ^রী নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে বিদ্যালয়, উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও পোস্ট অফিসসহ বহু পরিবারের বসত বাড়ী।
পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত :শিবচরের ২ টি ইউনিয়নে ব্যাপক নদীভাঙন
শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা জানান, পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় মাদারীপুরের শিবচরের চরাঞ্চলের ২টি ইউনিয়নে ব্যাপক নদীভাঙন দেখা দিয়ে ৮০টিরও বেশি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। পানির তোড়ে ও তীব্র ¯্রােতের ফলে চরাঞ্চলের কাঠালবাড়ি ও চরজানাজাত ইউনিয়নের ৮০টির ঘরবাড়ি নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাঙ্গনের তীব্রতায় ক্ষতিগ্রস্থরা ঘরবাড়ি গবাদি পশু সরিয়ে নিতেও হিমশিম খাচ্ছেন। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়, মাদরাসা, মসজিদসহ কয়েক হাজার পরিবার। নদীভাঙন মারাত্মক আকার ধারন করায় আক্রান্তরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। চরের চারদিকে পানি বাড়ায় বিদ্যালয়সহ সর্বত্র প্লাবিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ৪ ইউনিয়নের হাজার হাজার পরিবার ।
এদিকে, শফিকুল ইসলাম বেবু, কুড়িগ্রাম থেকে জানান, গতকাল সকালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার প্রত্যন্ত ব্রহ্মপূত্র নদের দ্বীচচর শাখাহাতি’র আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাঠে এবং উলিপুর উপজেলার চাঁদনী বজরা সরকারি প্রাথমিক মাঠে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। এসময় মন্ত্রী, বন্যা দুর্গত এলাকায় এনজিওদের ঋণের কিস্তি আদায় কয়েক মাসের জন্য বন্ধ রাখতে বলেন। কারণ বন্যা দুর্গত মানুষ খুব কষ্টে আছে। এসময় তাদের কাছ থেকে সুদসহ ঋণ আদায় সঠিক হবে না। এ ব্যাপারে ত্রাণ সচিব এনজিওদের প্রতি আগেই অনুরোধ করেছিল।



 

Show all comments
  • সুফিয়ান ১৮ জুলাই, ২০১৭, ১১:৪৪ এএম says : 0
    জরুরী ত্রাণ সাহায্যের আশায় অসহায় লাখো মানুষকে কেন তাকিয়ে থাকতে হবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্যা

১৬ আগস্ট, ২০১৭

আরও
আরও পড়ুন