Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯, ১২ মুহাররম ১৪৪৪
শিরোনাম

বাংলাদেশে অ্যাকচেঞ্চারের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় রাস্তায় বসতে যাচ্ছে ৫৫৬টি পরিবার

সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ জানান

| প্রকাশের সময় : ২৯ জুলাই, ২০১৭, ১২:০০ এএম


স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশে আইটি সেক্টরে কাজ এনে দেওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখা কোম্পানি অ্যাকচেঞ্চার হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেওয়ায় এই কোম্পানিতে কাজ করা ৫৫৬টি পরিবার রাস্তায় বসতে যাচ্ছে। এছাড়া একটি মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানি বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোন নিয়মনীতি মানা হয়নি বলেও জানায় কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারী এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সাংবাদিক সম্মেলনের শিরোনাম ছিল ‘বাংলাদেশে অ্যাকচেঞ্চার বন্ধ অস্থির বাংলাদেশের আইট খাত’।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে কোম্পানির কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা জানান, এসিআইএসএল কর্র্র্র্তৃপক্ষ উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিষ্ঠানের কর্মকাÐ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে চাকুরীচ্যুত কর্মীরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে দেশের আইটি খাতে বিদেশেী বিনিয়োগের বিষয়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রসঙ্গত, একচেঞ্চার বিশ্বের ৫৬টি দেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিলেও এসব কাজ পাশ্ববর্তীদেশ ভারত থেকে পরিচালনা করবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, ইউনি গেøাবাল ইউনিয়ন লিয়াসন কাউন্সিল বাংলাদেশের সভাপতি আমজাদ আলী খান, নির্বাহী সম্পাদক একেএম মোস্তফা কামাল, একচেঞ্চার ইমপ্লোয়েস ইউনিয়ন বাংলাদেশের সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন, সেক্রেটারি শাহীন আহমেদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা।
অ্যাকচেঞ্চার কর্মীরা অভিযোগ করেন, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি হয়েও অ্যাকচেঞ্চার গত ১৭-০৭-২০১৭ ইং তারিখে ১২০ দিনের নোটিশ প্রদান করে চাকুরীচ্যুতির আদেশ জারি করেন। এতে কোম্পনির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছ। রাতের অন্ধকারে কোম্পানির ম্যানেজমেন্টের লোকজন ইন্ডিয়া চলে গিয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে তারা সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।
কর্মীরা বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানির চাকুরী যাওয়া মানে সামাজিকভাবে আত্মহত্যা করা। বক্তারা বিদেশী কোম্পানির বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার আহŸান জানান। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ প্রশ্ন তোলেন বাংলাদেশের এখন নীতি হলো- যেকোন উপায়ে বিদেশী বিনিয়োগ টানো। কিন্ত বিদেশীরা দেশের কতটুকু বিনিয়োগ বান্ধব তা খতিয়ে দেখতে হবে। কারণ এসব কোম্পানিগুলো নানাভাবে নানা কায়দায় বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করছে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ