Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার , ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশের সময় : ১১ মার্চ, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার : অবৈধ সম্পদ অর্জন, তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে আলোচিত-সমালোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুপুরে কমিশন তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয়ার পর বিকেল চারটায় দুদক পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
দুদক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, মুসা বিন শমসের দুদকের কাছে প্রতারণামূলক তথ্য দিয়েছে। তিনি যে সম্পদের তথ্য দুদককে দিয়েছে তা দুদক অনুসন্ধান টিম কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখেছে। তাতে দেখা গেছে, তার দেয়া তথ্যর কোন ভিত্তি নেই। তার দেয়া তথ্য-প্রমাণ সঠিক না হওয়ায় এবং প্রতারণামূলক তথ্য দেয়ায় দুদক তার বিরুদ্ধে মামলার করেছে।
দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের দুদকে যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছেন, তার সপক্ষে দালিলিক কোনো তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। এজাহারে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ এবং সম্পদের মিথ্যা তথ্য দেয়ায় মামলা করা হয়। এর আগে দুদক আইনের ২৬(২) ধারায় সম্পদের বিষয়ে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য দেয়া এবং ২৭(১) ধারায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ দখলে রাখার অভিযোগে মামলার অনুমোদন  দেয় কমিশন।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৭ জুন মুসা বিন শমসের দুদকে সম্পদের হিসাব পেশ করেন। সম্পদের বিবরণীতে তিনি সুইস ব্যাংকে ১২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৯৩ হাজার ছয়শ’ কোটি টাকা) ‘ফ্রিজ’ অবস্থায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও সুইস ব্যাংকের ভল্টে ৯০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) দামের অলংকার জমা রয়েছে। সুইস ব্যাংকে এ পরিমাণ অর্থ থাকার কথা জানালেও তার সপক্ষে দালিলিক তথ্য জমা দেননি তিনি। এছাড়া, গাজীপুর ও সাভারে তার নামে প্রায় এক হাজার দুইশ’ বিঘা সম্পত্তি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মুসা। বর্তমান বাজার দরে এসব জমির মূল্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকারও বেশি। এসব সম্পদের সঠিক উৎস না পাওয়ায়ও মামলা দায়ের করলো দুদক। ২০১৪ সালের শেষ দিকে মুসার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। অনুসন্ধানকালীন সময়ে তাকে দু’বার জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
২০১৪ সালের জুন মাসে ‘বিজনেস এশিয়া’ নামের একটি সাময়িকীতে মুসাকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ওই বছরের ৩ নভেম্বর তার সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। দুদকের পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল বিষয়টি অনুসন্ধান করে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ