Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬, ১৮ শাবান ১৪৪০ হিজরী।

দার্জিলিংয়ে থানায় গ্রেনেড হামলা

| প্রকাশের সময় : ২৫ আগস্ট, ২০১৭, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনে উত্তাল দার্জিলিংয়ে এবার থানা লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার রাত ২টার দিকে সুখিয়াপোখরি থানা লক্ষ্য করে এ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের আগুনে থানা চত্বরের বেশ কয়েকটি দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ফের ইন্টারনেট, টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এদিকে ঘটনার দায় মোর্চার উপর চাপিয়ে পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব মন্তব্য করেছেন, পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে যখন আলোচনায় বসার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়, তখন এই ধরনের ঘটনা সত্যিই লজ্জাজনক। এই ঘটনায় আবার প্রমাণ করল, মোর্চা পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে চায় না। আগুন জ্বালাচ্ছে। এটা মেনে নেয়া হবে না। অপরদিকে, সব অভিযোগ খারিজ মোর্চা নেতা কল্যাণ দেয়ান বলেছেন, এই ঘটনার পেছনে কারা দায়ী, তা খতিয়ে দেখুক পুলিশ। মোর্চা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। সংবিধানের উপর আমাদের আস্থা আছে। এই ঘটনা ঘটিয়ে মোর্চাকে বদনাম দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। লাগাতার থানা লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, পুলিশ সদস্যরা। থানার বাইরে পা রাখতে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ভয় কাজ করছে বলেও জানা গেছে। লাগাতার এই ঘটনায় বেশ চিন্তায় পড়েছেন প্রশাসনের কর্তারা। পাহাড়ে কীভাবে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পৌঁছে গেল? কারা বিস্ফোরক সরবরাহ করল? বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য ভাবাচ্ছে পুলিশ কর্মকর্তাদের। কেননা, এর আগেও পাহাড়ে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় মাওবাদী যোগসূত্রের সন্ধান পেয়েছেন গোয়েন্দারা। কিন্তু, পাহাড়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এল কীভাবে? তা নিয়ে এখনো কিছু জানাতে পারেননি গোয়ান্দারা। এনডিটিভি, জি নিউজ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ