Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯ আশ্বিন ১৪২৪, ০৩ মুহাররম ১৪৩৮ হিজরী

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

| প্রকাশের সময় : ২৫ আগস্ট, ২০১৭, ১২:০০ এএম

প্র:- মাসবূক তাশাহ্হুদ পড়ার পর ইমামের সালাম ফিরানোর পূর্ব পর্যন্ত কী করবে?
উ:- তাশাহ্হুদ খুব ধীরে ধীরে পড়বে, যাতে ইমামের দোয়া-দরূদ শেষ হয়ে যায়। এরপরও সময় থাকলে শুধু তাশাহ্হুদ পড়তে থাকবে। অথবা চুপ করেও থাকা যায়। (আলমগীরী)
প্র:- মাসবূক কোন নামাযের দি¦তীয় রাকাতে ইমামের কিরাত পড়ার সময় শরীক হলে তাকে সানা পড়তে হবে কি?
উ:- ইমাম সশব্দে কিরাত পড়তে থাকলে সানা পড়া যাবে না। কিরাত শুনতে হবে। আর কিরাত চুপিসারে পড়তে থাকলে মাসবূক নামাযে শরীক হয়েই সানা পড়ে ফেলবে। নিজের অবশিষ্ট রাকাত আদায় করার শুরুতে আবার পড়বে। (কবীরী)
প্র:- মাসবূক যদি ইমামকে রুকূ বা সিজদাহর মধ্যে পায় তাহলেও কি সানা পড়বে?
উ:- এমতাবস্থায় সে যদি নিশ্চিত হয় যে, সে সানা পড়েও রুক‚ বা সিজদায় শরীক হতে পারবে, তাহলে সানা পড়বে; আর না হয় সানা বাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি ইমামের কাজে শামিল হবে।
প্র:- নামাযের মধ্যে ইমামের ‘হদস’ বা ওযু ভঙ্গের কারণ ঘটে গেলে কি করতে হবে?
উ:- তৎক্ষণাত সরে গিয়ে যে রোকন বা কাজের মধ্যে হদস হয়েছে সেই রোকনেই মুক্তাদীগণ হতে একজনকে খলীফাহ নিযুক্ত করে যেতে হবে।
-মুফতী ওয়ালীয়ুর রহমান খান

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।