Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২০, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৯ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

নিজস্ব নীতিমালায় রেল সংযোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৭ আগস্ট, ২০১৭, ১২:০০ এএম

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) নীতিমালায় নয়; নিজস্ব নীতিমালায় রেল সংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভূমিহীণদের পুনর্বাসনের দাবী জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে পুনবার্সন কার্যক্রমে ক্ষতিপূরণ বাড়ানোর কথা বলেছেন তারা। গতকাল রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে ‘উন্নয়ন প্রকল্প : পুনর্বাসন পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প (পিবিআরএলপি) প্রকৌশলী গোলাম ফখরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মো. মাসুদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দু মুকিম সরকার, প্রকল্পের চীফ রিসেটেলমেন্ট কর্মকর্তা এ এম সালাহ উদ্দীন, প্রকল্পের দল নেতা মো. আফতাব উল আলম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নাজনীন আরা কেয়া, কর্নেল সাঈদ আহমেদ, প্রকল্পের উপপরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম। এতে পুনর্বাসন কার্যক্রমে এনজিও’র ভূমিকা ও সঞ্চালনার ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র্ডপ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এএইচএম নোমান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রফেসর হাফিজা খাতুন।
কর্মশালায় জানানো হয়, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে (ঢাকা-ভাঙ্গা) ৮২ কিলোমিটারে জমি রয়েছে ৩৫৮দশমিক ৪১ হেক্টর। এর মধ্যে ১২০ দশমিক ৫৪ হেক্টর জমি সরকারি মালিকানাধীন এবং অবশিষ্ট ২৩৭ দশমিক ৯৭ হেক্টর জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন। এখানে নির্মান করা হবে- ৭টি রেল স্টেশন, ৩৪টি সেতু, ৯৬টি বক্স কালভার্ট এবং আন্ডারপাস। এছাড়া বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীতে নৌ চলাচল অব্যাহত রাখতে ২১ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার উড়াল সংযোগ সেতু। প্রকল্প বাস্তাবয়নে জমি অধিগ্রহণের পাশাপাশি ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুর জেলায় বেশকিছু বসতবাড়ী, ব্যবসায়ী, সরকারি জমির দখলদার ও অনুপ্রবেশকারী ও ভাড়াটিয়া স্থানান্তরিত হবেন। একই সঙ্গে তাদের সম্পদ ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর তাই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এর নীতিমালা অনুসরণ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি পুনর্বাসন পরিকল্পনা করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র (র্ডপ) এবং সহায়তা ও তত্ত¡াবধান করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি)। প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত সবাই ১৯৮২ সালে ভূমি অধিগ্রহণ আইনের আওতায় ক্ষতিপূরণ পাবেন।###



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রেল

২৫ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন