Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯ আশ্বিন ১৪২৪, ০৩ মুহাররম ১৪৩৮ হিজরী

তৈরী পোশাকের নতুন বাজার হবে জর্জিয়া -বিজিএমইএ

| প্রকাশের সময় : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার : ইউরোপের দেশ জর্জিয়া হবে তৈরি পোশাকের নতুন বাজার বলে আশা করছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। ঢাকায় সফররত জর্জিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জালাজানিয়ার সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমনটাই আশা প্রকাশ করেছে বিজিএমইএ। গতকাল সোমবার রাজধানীর হাতিঝিলে বিজিএমইএ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিজিএমইএ ও জর্জিয়া সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনের সফরে ১১ সেপ্টেম্বর তারা ঢাকায় আসেন। বৈঠক প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ইউপরোপের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র জর্জিয়া। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানা ও পোশাকের বিষয়ে তাদের আগ্রহ বেশি। তবে ওষুধ ও কৃষি উৎপাদনে তারা ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে কারিগরি সহায়তার বিষয়েও তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, জর্জিয়া সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সফরের মাধ্যমে সে দেশের সঙ্গে বিনিয়োগের রাস্তা আরো প্রসারিত হবে। তারা আমাদের শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিচ্ছে। দেশটিতে বর্তমানে এক মিলিয়নের কাছাকাছি আমাদের রপ্তানি হয়। কিন্তু ভবিষ্যতে আমদের ব্যবসা আরো বাড়ানোর সুযোগ আছে। জর্জিয়ার উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জালাজানি বলেন, এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ স্থানীয় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। আমরা ছোটদেশ হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহোযোগী সদস্য। জর্জিয়ার রয়েছে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ। এ খাতে আমরা খুব ভালো অবস্থানে রয়েছি। তবে ওষুধ ও কৃষি খাতে আমাদের দেশে চাহিদা রয়েছে। এ সুযোগটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা গ্রহণ করতে পারে। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত জর্জিয়ার রাষ্ট্রদূত আরচিল জুলিয়াসভিলি বলেন, ডুয়িং বিজনেস সূচকে জর্জিয়া এগিয়ে। তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করলে অনেক ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যাবে। এ ছাড়া দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক আরো বাড়বে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প সম্পর্কে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়। পরে বিজিএমইএর সভাপতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পোশাক শিল্পের বিভিন্ন অবদান তুলে ধরেন।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।