Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ০৯ কার্তিক ১৪২৪, ০৩ সফর ১৪৩৯ হিজরী

মিয়ানমারে মুসলিম ইস্যু : বিশ্ব কি অস্বীকার করবে এই ছবি?

ইনকিলাব ডেস্ক: | প্রকাশের সময় : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

১৯৩৬ সালে তোলা একটি ঐতিহাসিক ছবি। স্থান- তৎকালিন রেঙ্গুন বিশ্ব বিদ্যালয়, বার্মা। ছবিতে মাঝখানে চেয়ারে পা তুলে বসে আছেন একজন রোহিঙ্গা, তার নাম আবদুর রশীদ। তিনি ছিলেন অল বার্মা স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি এবং তার ডান পাশে বসে বসে থাকা লোকটি সুচির পিতা অং সান ওই সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক। বাম পাশে যিনি বসে আছেন তিনি আবদুর রাজ্জাক, বার্মা মুসলীম লীগের সভাপতি। মূলত বার্মার স্বাধীনতা এসেছিলো তাদের হাত ধরেই। আর এই রোহিঙ্গা সভাপতি আবদুর রাজ্জাক আজকের মিয়ানমারের সংবিধানের খসড়া প্রণয়নকারী। অথচ জেনারেল মিন অং হিয়াং এবং অং সান সুচি উভয়েই জাতি ঘৃনার প্রকাশ ঘটাতে গিয়ে কার্যত বার্মার রাজনৈতিক ইতিহাসকেই অস্বীকার করলেন।
সুচির বাবা জেনারেল অং সানের অন্যতম রাজনৈতিক সহযোগী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক এবং জেনারেল অং সানের গঠিত বার্মার স্বাধীনতা পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার শিক্ষা ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক। ১৯৪৭ এর ১৯ জুলাই জেনারেল অং সানের সাথে যে ৬ জন মন্ত্রী খুন হন তাদের মধ্যে আবদুর রাজ্জাক অন্যতম। বার্মা আজও রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৯ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। কেবল আবদুর রাজ্জাকই নন, সুচির বাবা এবং বার্মার জাতির পিতা জেনারেল অং সানের সবচেয়ে ঘনিষ্ট রাজনৈতিক সহযোগীদের মধ্যে আরও অনেক মুসলমান ছিলেন। সূত্র : ইউকিপিডিয়া, ইন্টারনেট।

 


Show all comments
  • কামরুল ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১:০২ পিএম says : 1
    যেহেতু এখন মুসলমানরা নির্যাতিত, তাই বিশ্ববাসী এখন গভীর ঘুমে মগ্ন
    Total Reply(0) Reply
  • তারেক মাহমুদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১:০৪ পিএম says : 0
    হয় তাদের স্বসম্মানে ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিকত্ব সহ সকল সুযোগ সুবিধা দিতে হবে, না হয় আরাকানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ছেড়ে দিতে হবে
    Total Reply(0) Reply
  • Sirajul Islam ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১:৫৮ পিএম says : 0
    পৃথিবীতে সবচাইতে বড়হত্যা জগগ চলছে তারপরও বিশ্বের ভুমিকার যে ঢিলেমি আচরন তখন বুঝতে বাঁকি নাই সবাই চায় মুসলিম ধংশ হোক । মুসলিম দের আলাদা ঐক্য দরকার ।
    Total Reply(0) Reply
  • rabonty Rahman Muna ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:০৩ পিএম says : 0
    ভার্গ্যিস তাঁরা আর কেউ এখন জীবিত নেই, বর্তমান এই প্ররিস্থিতি দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই ইনতেকাল করতেন, সুঁই'র (সুচি) এই ব্যবহার দেখে।।। এখন এইসব ইতিহাস রয়েছে গেছে।। সুঁই/সুচি এইভাবে বেইমানি করবে তা হয়তো সুঁই/সুচি পিতা (অং সান) যানতে পারে না, তাহলে আগে তার কন্যা সুঁই/সুচি কে মৃত্যুদণ্ড উপহার দিতেন।।
    Total Reply(0) Reply
  • Hussain Ahmad ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:০৪ পিএম says : 1
    বার্মার স্বাধীনতা এসেছিল মুসলমানদের হাত ধরে।
    Total Reply(0) Reply
  • Mahi Mustafiz Mustaque ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:০৫ পিএম says : 0
    Tnx for the document
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Hossain ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:০৫ পিএম says : 0
    ইতিহাস কথা বলছে।
    Total Reply(0) Reply
  • Nahid Sultana ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:১৫ পিএম says : 0
    The photo proved that Muslim leaders were more powerful, smarter and educated than Suu Kyi's daddy !
    Total Reply(0) Reply
  • Iqbal Mahmud ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:১৬ পিএম says : 0
    মুসলমানদেরকে তারা মানুষ মনে করেনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Shahidul Islam ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:২৫ পিএম says : 0
    মিয়ানমারের সেনাদের অত্যাচারের সিমা ছারিয়ে গেছে অবশ্যই তারা আল্লাহর গজবে নিমজ্জিত হবে শুধু সময়ের অপেক্ষা
    Total Reply(0) Reply
  • রাশেদ মাহমুদ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:৪৩ পিএম says : 0
    Thanks Inqilab for collecting such a rare picture. Now, it is our duty to circulate the picture alongwith the history before the whole world to stop genocide in Myanmar
    Total Reply(0) Reply
  • সাইদুজ্জামান ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২:৫০ পিএম says : 0
    সারা বিশ্ব যখন মিয়ানমারের সমালোচনায় মুখর , সুচি তখন বলছে রোহিঙ্গাদের বাচাই করে সরনার্থী হিসাবে গ্রহন করা হবে। সে কবে নাগাত তার কোন সময় বেধে দেওয়া হয়নাই । এটা বিশ্বকে বোঁকা বানানো কৌশন মাত্র। আলোচনার ঝড় থেমে গেলেই রহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন থেমে যেতে পারে । সুতরাং বাংলাদেশ সরকারকে এখনই সজাগ হতে হবে , এবং রোহিঙ্গারা যে মিয়ামের নাগরিক তার প্রমানসহ জাতীসংঘের অধিবেশন পেশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের জাতীগত নিধন এর বিচার সহ তাদের নাগরিকত্ব ফিরেয়ে দিয়ে আরাকানকে নিরাপদ আশ্রয় ভুমিকরনে মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর সাথে চুক্তির ব্যাবস্থা করতে হবে ।অনথায় রোহিঙ্গা ফেরতের শুধু নাটক হবে আর এই সমস্যা বার বার বাংলাদেশকে মোকাবেলা করতে হবে । রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যদি প্রথম বারেই ব্যবস্থা নেওয়া হতো তা হলে বর্তমান সরকারকে আজ এত বেগ পেতে হতো না , বার বার এভাবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতোনা । আজ একটি দীর্ঘ মেয়াদি ব্যবস্থা অবশ্যই করতে হবে , মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া পাঁচটি শর্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে অনথায় বাংলাদেশের সরকার তথা সকল নাগরিককে এর কুফল ভোগ করতে হবে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর