Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ০৯ কার্তিক ১৪২৪, ০৩ সফর ১৪৩৯ হিজরী

দেশীয় বৃক্ষ প্রজাতি সংরক্ষণ করতে হবে

আফতাব চৌধুরী | প্রকাশের সময় : ৯ অক্টোবর, ২০১৭, ১২:০০ এএম

আমাদের চারপাশে অবস্থিত মাটি, পানি, বায়ু, উদ্ভিদ প্রাণিসহ সবকিছু নিয়েই আমাদের পরিবেশ। মানুষের ক্রমাগত চাহিদা পূরণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, ভোগ-বিলাসের মাত্রাতিরিক্ত চাহিদাসহ প্রাকৃতিক সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে মানুষ তার বসবাসযোগ্য পৃথিবীর পরিবেশ বিনষ্ট করে তুলছে। আজ সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করবেন যে, মানুষ তার পরিবেশকে বিনষ্ট করে ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে বসবাসের অযোগ্য করে রেখে যাচ্ছে। পরিবেশ দূষণের অনেকগুলো কারণের মধ্যে বন উজাড় একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বাংলাদেশের প্রধান তিন প্রকার বনের মধ্যে সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের প্রাকৃতিক বন, জীববৈচিত্র্য ও মূল্যবান বৃক্ষপ্রজাতির সমারোহের জন্য সুন্দরবন ও শালবনের চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিলো। কিন্তু সময়ের আবর্তে এসব পাহাড়ি বনাঞ্চল আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে উপনীত হয়েছে।
এক সময় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বনাঞ্চলে পাওয়া যেত এরকম অনেক মূল্যবান বৃক্ষ প্রজাতিই এখন দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বনের পরিমাণ কম হলেও বনের জীববৈচিত্র্য অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় প্রাচুর্য্যে ভরপুর। এদিক দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বনাঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলের বৈচিত্র্য অনেক বেশি। ১৮৭১ সালে সর্বপ্রথম পার্বত্য চট্টগ্রামের রামপাহাড়-সীতাপাহাড় এলাকায় প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সাফাই করার পর সেখানে সেগুনে চারা লাগানোর মাধ্যমে আমাদের বন ব্যবস্থাপনার সূত্রপাত হলেও বিগত চার দশকে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল উজাড়ের রেকর্ড তৈরি হয়েছে। মূল্যবান কাঠ হিসাবে সেগুনের চাহিদা থাকলেও পরবর্তী পর্যায়ে আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস, মালাকানা করই, গামারসহ দ্রুত বর্ধনশীল স্বল্পমেয়াদী গাছের বনায়নই আমাদের প্রাকৃতিক বনাঞ্চলকে গ্রাস করতে থাকে। পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভবিষ্যৎ চিন্তা না করেই অনেকটা অবিবেচকের মতো কিছু প্রকল্প ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে দ্রুত আয় নিশ্চিতের লক্ষ্যে দেশীয় মূল্যবান বৃক্ষ প্রজাতিকে বনায়নে অবহেলিত করা হয়। অন্যদিকে কিছু দ্রুত বর্ধনশীল স্বল্প মেয়াদী বৃক্ষের বনায়ন প্রাকৃতিক বনাঞ্চলকে উজাড় করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এর সাথে বন উজাড়, ভূমির বিকল্প ব্যবহার, ঘর-বাড়ি স্থাপনসহ ভূমি দস্যু ও অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশ প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের মূল্যবান দেশীয় বৃক্ষরাজির বিলুপ্তি অনেকাংশেই ত্বরান্বিত করে। হাজার বছরের সাকসেশন প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠা এসব বনাঞ্চলের উদ্ভিদরাজি যেমন বৈচিত্র্যে ভরপুর ছিলো, ঠিক তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ বন্য প্রাণীকূলের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে পরিগণিত হতো। একসময় পাহাড়ি বনাঞ্চলে পাওয়া যেত এরকম অনেক দেশীয় মূল্যবান বৃক্ষ ভুল বন ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কারণে খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
আমাদের দেশে পাওয়া যায় এরকম প্রায় ৪৫০০ সপুষ্পক উদ্ভিদের বেশির ভাগই এসব বনাঞ্চল পাওয়া যেত। আনুমানিক ৭০০ প্রজাতির বৃক্ষ প্রজাতির আবাসস্থল কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের এসব বনাঞ্চল। ক্রমান্বয়ে ২/৩টি প্রজাতির বাগানে রূপান্তরিত হওয়ায় যখন আমাদের জীববৈচিত্র্য হ্রাসের চরম বিপর্যয়ে পতিত হয় ঠিক তখনি কক্সবাজারের কয়েকটি নার্সারি দেশীয় বিপন্নপ্রায় বৃক্ষ প্রজাতির চারা যোগানোর মাধ্যমে আমাদেরকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আশান্বিত করে তোলে। পাহাড়ের চূড়ায় কক্সবাজার নতুন সার্কিট হাউসে উঠার আগে রাস্তার পশ্চিম পাশে দুটি নার্সারি যে কোন পর্যটকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। নার্সারি দুটির নাম যথাক্রমে কক্সবাজার নার্সারি ও ফাউন্ডেশন নার্সারি। সাইন বোর্ডে আরো উল্লেখ আছে, ‘বাংলাদেশের বিপন্নপ্রায় বৃক্ষপ্রজাতির নার্সারি’ এবং সহযোগিতায় আছে ‘আরণ্যক ফাউন্ডেশন’। আরণ্যক ফাউন্ডেশন মূলত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের যৌথ উদ্যোগে ট্রপিক্যাল ফরেস্ট কনজারভেশন প্রোগ্রামের একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে আরণ্যক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ রকম আরো ২৬টি নার্সারি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশীয় বৃক্ষ প্রজাতির চারা উৎপাদনে কাজ করে যাচ্ছিল, যা এখন আর প্রায় নেই। এ নার্সারি দুটির বিশেষত্ব হলো নার্সারিতে দেশীয় প্রজাতির চারা উৎপাদন। আলোচনায় জানা যায়, কক্সবাজারের গহীন অরণ্যে পাওয়া যেত বা এখনো ২/১টি গাছ বিক্ষিপ্তভাবে আছে এমন প্রজাতির ফল বা বীজ সংগ্রহ করে নার্সারিতে চারা উৎপাদন করা। কিছু কিছু প্রজাতির বীজ না পেলেও গাছের তলা থেকে হাজারো চারা উৎপাদন করা। বর্তমানে নার্সারি দুটির প্রত্যেকটিতে বিপুল পরিমাণ চারা মজুদ আছে। প্রজাতি বৈচিত্র্যের দিক দিয়ে ১৪০ প্রজাতির অধিক চারা মজুদ আছে। কিছু কিছু বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষপ্রজাতির চারা ইতোমধ্যে কক্সবাজারে আসা পর্যটকসহ বিভিন্ন এনজিও, সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা অনেক পর্যটক ইতোমধ্যেই ২/৪টি করে চারা কিনে নিয়ে যান এবং নার্সারিগুলোর মালিক অনেকের কাছ থেকে আশাব্যঞ্জক সাড়া পান বলে জানান। দেশের বেশির ভাগ নার্সারি যেখানে ইউক্যালিপটাস, আকাশমনি, মেহগনির চারা দিয়ে ভরপুর ঠিক সে সময় এ দুটি নার্সারির দেশীয় প্রজাতির চারা উৎপাদনের প্রয়াস একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে সহজেই বিবেচনা করা যায়। চারা ক্রয় ছাড়াও অনেক শিক্ষার্থী, গবেষক ও পরিবেশবিদ নার্সারি দুটি পরির্দশন করেছেন। অনেকেই এসব প্রজাতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় এসব প্রজাতির চারা উৎপাদনের আগ্রহের কথা জানান। তবে এসব দেশীয় প্রজাতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাদির অভাবে অনেকেই এসব দেশীয় গাছ সম্পর্কে অনেক কিছুই জানেন না।
আমাদের দেশের জীববৈচিত্র্য আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অন্যান্য দেশের ন্যায় আন্তর্জাতিক ফোরামে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ, কিন্তু আমাদের সে চেষ্টাটুকু অত্যন্ত অপ্রতুল এবং আন্তরিক বলে মনে হয় না। কেন আমরা হাজার বছরের অভিযোজন প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠা বনাঞ্চলসমূহ উজাড় করে সেখানে বিদেশি বৃক্ষপ্রজাতির একক বাগান করছি তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। পরিতাপের বিষয় যে, সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি বন বিভাগের বাংলো ও অফিস প্রাঙ্গণে দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ লাগানোর পরিবর্তে আমরা আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা মেহগনি কেন লাগাই তাও ভেবে দেখার সময় এসেছে। বাজারে বা নার্সারিতে যখন বিদেশি বৃক্ষ প্রজাতির চারায় সয়লাব ঠিক সে মুহূর্তে কক্সবাজার নার্সারি ও ফাউন্ডেশন নার্সারির উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশাংসার দাবিদার ও অন্যান্যদের জন্য অনুকরণীয়। সে সাথে সহায়তা প্রদানের জন্য আরণ্যক ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ আমাদের দেশীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও বিপন্নপ্রায় বা বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষপ্রজাতিসমূহের হারিয়ে যাওয়ার আগমুহূর্ত হলেও সংরক্ষণ সম্ভব বলে আমরা আশাবাদী। নার্সারিদ্বয়ে উৎপাদিত উল্লেখযোগ্য চারাসমূহ হচ্ছে- খয়ের, রক্তচন্দন, হলুদ/কাইকা, বৈলাম, পিতরাজ/রায়না, আগর, চাপালিশ/চাম্বল, বরতা/ঢেওয়া, নিম, হরপাতা/লটকন, হিজল, কাঞ্চন, রক্ত কাঞ্চন, কাইনজাল/লাউবাদি, শিমুল, বন-শিমুল/ পাহাড়ি শিমুল, মুস, মিরিয়াম, মাইলাম, উরিআম, পলাশ, বরমালা/ ডালাহুজা, পন্যাল/ সুলতানা চম্পা, কামদেব, চান্দুয়া, সোনালু/ বান্দরলাঠি, বন সোনালু, বাটনা, শিল-বাটনা, জাত বাটনা, কদু বাটনা, চিকরাশি, তেজ বহল, বরুনা/ লাডুম, পিতাগুলা, সাইকাস, জুনজুনা করই, চালতা/ চালিতা, হারগাজা/আজুলি, গাব, বাইট্রা-গর্জন, শিল-গর্জন, ধলি-গর্জন, তেলি-গর্জন/কালি-গর্জন, বান্দরহুলা, জলপাই, বর-হরিনা, বড় ডুমুর, বট, ঝিরি বট, পাকুর/পাইকার, উদাল/উজাল, বনখই/বৈচী, থাইন্ন্যামালা/পানিয়ালা, কাউ/কাউ-গুলা, বারেলা, তেলসুর, চালমুগরা, সিদা জারুল, জিয়াল বাদি, দুরা বাটনা/ কান্তা বাটনা, বড় বাটনা, কালি বাটনা/কালা বাটনা, গুইজা বাটনা, ধলি বাটনা/রাই-বাটনা, মেন্ধা/মেদা/বড় কুকুর-চিতা, রক্তন, মহুয়া, নাগেশ্বর, চম্পা, আচার/পটকা, কুল, ডাকরুম/পুতিকদম, কম, টালি/দুদি/লালি, আমলকি, বান্সপাতা, ক্যারনজা/কেরং, গুটগুট্যা, নিউর, লুও-বাদি, কনক চাম্পা, মুসিগন্ধা, বর আসার, লানা-আসার, বুদ্ধু নারিকেল/কাঠ বাদাম/নারিকেলি, অশোক, কনক, মন-চাম্পা, বোনাক, কুসুম/জয়না, শাল, আমড়া, ফাইশ্যা-উদাল/উদাল, দারমারা/পারুল, সোনালু, শেউরা/হরবা, আমচুন্ডুল, সিভিট, বুটি-জাম, নলি জাম, লাম্বা নলিজাম, পানিয়া জাম, জাম, কাল-জাম, পাইন্যা-জাম, বড়-জাম, পুতিজাম, বন-জাম, নলি-জাম, ঢাকি-জাম, কুদি-জাম, তিলা-জাম, তেঁতুল, অর্জুন ইত্যাদি।
পরিবেশ বিপর্যয় রোধে সমাজের সচেতন অংশকে এখন অগ্রাধিকার ভূমিকা রাখতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অনিশ্চিত ভবিষ্যতে আমাদের দেশের বৃক্ষ প্রজাতিসমূহকে অবশ্যই বনায়ন কার্যক্রমে প্রাধান্য দিতে হবে। দ্রুত বর্ধনশীল বৃক্ষ প্রজাতিসমূহের বনায়ন কার্যক্রম শুধুমাত্র অবক্ষয়প্রাপ্ত এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। কেননা অনেক আগ্রাসী প্রজাতির উদ্ভিদ ইতোমধ্যেই আমাদের ইকোসিস্টেমে দ্রুততার সঙ্গে বিস্তার লাভ করে দেশীয় প্রজাতিসমূহের টিকে থাকার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ১০৬ প্রজাতির উদ্ভিদ বিপন্নপ্রায় বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করেছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে। সঠিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর না হলে এ সংখ্যা আরো বেড়ে যাবে এবং আমাদের মূল্যবান বৃক্ষপ্রজাতি সমূহের তালিকা শুধুই ইতিহাস হয়ে যাবে। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজারের ন্যাড়া পাহাড়সমূহ বৃক্ষহীন হয়ে আমাদের পরিবেশকে দূষিত করছে। ভবিষ্যত জলবায়ু পরিবর্তন এখন একটি বাস্তবতা। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সময়ে বিদেশি আগ্রাসী প্রজাতিসমূহ বিশেষ করে আগাছা বা লতাগুল্মসমূহ (ল্যান্টানা, আসামলতা, ঢোল কলমী ইত্যাদি) দেশের বৃক্ষপ্রজাতি সমূহের প্রাকৃতিক আবাসস্থলকে ধ্বংস করে ফেলবে। সেই সাথে আমাদের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হয়ে যাবে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত সমুদ্রপৃষ্ঠ স্ফীত হলে উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য বিশেষ করে কৃষিবৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমতাবস্থায় অনিশ্চিত ভবিষ্যতের প্রস্তুতি হিসেবে এখনই আমাদের করণীয় ঠিক করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণের অন্যতম সহায়ক দেশীয় প্রজাতিসমূহকে বনায়নে অগ্রাধিকার প্রদানপূর্বক বিলুপ্তির হাত হতে রক্ষা করতে হবে।
লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরষ্কার (১ম স্বর্ণপদক) প্রাপ্ত।

 


দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর