Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিজরী

ইসলামী প্রশ্নোত্তর

আমার অফিসের সহকর্মী একজন অমুসলিম কর্মকর্তা। আমরা ওনাকে কি সালাম দিব না অন্য কিছু বলে সম্বোধন জানাবো? তাকে সালাম দেওয়া আমাদের যায়েজ হবে কি?

উত্তর : রীতি থাকলে অন্য কিছু বলে সম্ভাষণ জানাবেন। প্রয়োজনে সালাম দিতে পারেন। তবে, শুধু ‘আসসালামু আলাইকুম’ পর্যন্ত বলবেন। ‘ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’ বলা যাবে না। স্পষ্ট করে ‘আসসালামু’ পর্যন্ত বলবেন। এরপর মনে মনে বলবেন, ‘ ‘আলা মানিত্তাবাআল হুদা’। অমুসলিমদের জন্য এভাবে বলাই সঠিক।উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভীসূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।প্রশ্ন পাঠাতে নিচের ইমেইল ব্যবহার করুন।[email protected]


আমি আমার এক ক্লাসমেট মেয়েকে ২ জন স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে ১ লক্ষ টাকা দেন মোহর নির্ধারন করে, মোবাইল ফোনে বিবাহ করি, পরবর্তীতে সরাসরি দেখা হলে আমারা আবার ইজাব কবুল বলি, এবং একে অপরকে স্বামী স্ত্রী হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি দেই, এবং সে আমাকে স্বামী হিসাবে গ্রহন করে এবং আমরা রাত্রি যাপন করি। এখন তার পরিবার এই বিয়ে শুদ্ধ হয়নি বলে, তাকে জোর করে তার অমতে অন্য ছেলের কাছে বিবাহ দেয়, এখন আমার প্রশ্ন আমাদের বিয়ে শুদ্ধ ছিলো কিনা? শুদ্ধ হলে ২য় বিয়ের হুকুম কি হবে? উল্লেখ্য যে, আমার বয়স ২৯ মেয়ের ২৭।

উত্তর : টেলিফোনে বিয়ে হলে স্বাক্ষী রাখা হয় কীভাবে? স্বাক্ষী তো উপস্থিত থাকতে হয়। তারা স্বামী বা স্ত্রী যে কোনো এক প্রান্তে উপস্থিত ছিল। ইজাব কবুল তারা শুনেছে। তবে, এ ঘটনার সময় তারা মজলিসে উপস্থিত ছিল না। অতএব, আপনাদের বিবাহে...


আমি ৫ বছর ধরে নামাজ পড়ি না। অন্তরে নামাজ পড়ার প্রবল ইচ্ছা। কিন্ত কোন এক কারনে আমি নামাজ পড়ি না, (যদিও কোন কারন বা ওজর এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)। আর আমার নামাজ পড়ার কোন রকম সম্ভাবনা নাই (যদিও জানি এটা কোন ভাবে যৌক্তিক নয়)। কিন্তু সন্তান-স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজন-পরিচিত জন বা কারও সাথে পরিচিত হওয়া লোকজন নামাজ না পড়লে আমার খুব খারাপ লাগে। এমন কি তাদের এ অবস্থান কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না। তাই আমি এসব লোকজনকে প্রবল ভাবে নামাজ আদায় করার জন্য উদ্বুদ্ধ করি। ফলে কেউ কেউ আমার এ উদ্বুদ্ধকরণের ফলে নামাজ আদায় করা শুরু করে। এমন উদ্বুদ্ধকরণ এর কাজটি করার কারণে কি আমার গোনা বা পাপ হবে ?

উত্তর : এমতাবস্থায় উদ্বুদ্ধ করার কারণে কোনো পাপ হবে না। তবে, কোনো কারণ বা অকারণে আপনি নামাজ পড়ছেন না, এতে আপনার অনেক বড় গোনাহ বা পাপ হচ্ছে। আপনি মনের ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা এবং ধোঁকায় পড়ে আছেন। সব বাধা ছুড়ে ফেলে...


প্রশ্ন : আমি ৫ বছর ধরে নামাজ পড়ি না। অন্তরে নামাজ পড়ার প্রবল ইচ্ছা। কিন্ত কোন এক কারনে আমি নামাজ পড়ি না, (যদিও কোন কারন বা ওজর এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)। আর আমার নামাজ পড়ার কোন রকম সম্ভাবনা নাই (যদিও জানি এটা কোন ভাবে যৌক্তিক নয়)। কিন্তু সন্তান-স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজন-পরিচিত জন বা কারও সাথে পরিচিত হওয়া লোকজন নামাজ না পড়লে আমার খুব খারাপ লাগে। এমন কি তাদের এ অবস্থান কোনোভাবে মেনে নিতে পারি না। তাই আমি এসব লোকজনকে প্রবল ভাবে নামাজ আদায় করার জন্য উদ্বুদ্ধ করি। ফলে কেউ কেউ আমার এ উদ্বুদ্ধকরণের ফলে নামাজ আদায় করা শুরু করে। এমন উদ্বুদ্ধকরণ এর কাজটি করার কারণে কি আমার গোনা বা পাপ হবে ?

উত্তর : এমতাবস্থায় উদ্বুদ্ধ করার কারণে কোনো পাপ হবে না। তবে, কোনো কারণ বা অকারণে আপনি নামাজ পড়ছেন না, এতে আপনার অনেক বড় গোনাহ বা পাপ হচ্ছে। আপনি মনের ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা এবং ধোঁকায় পড়ে আছেন। সব বাধা ছুড়ে ফেলে...






আর্কাইভ
রোব সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি